ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির মার্কিন অংশীদার সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
ভেনেজুয়েলা সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনকে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানিয়েছে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তিনি এই হামলাকে তার দেশের তেল ও খনিজ সম্পদ কেড়ে নেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা হিসেবে নিন্দা করেছেন।
কারাকাসে যেসব জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে তার মধ্যে সামরিক স্থাপনাও রয়েছে। প্রায় একই সময়ে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সামরিক বিমানঘাঁটি লা কার্লোটা এবং প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
উভয় স্থানে বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পার্শ্ববর্তী কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। শহরের ওপর দিয়ে বিমান উড়ছে বলে অনিশ্চিত খবর পাওয়া গেছে।
বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অংশীদার সিবিএস নিউজকে সেখানকার সূত্র জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে বিস্ফোরণ ও বিমান চলাচলের খবর সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা অবগত রয়েছেন। ট্রাম্প নিজেই ভেনেজুয়েলার সামরিক স্থাপনাসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।
এই ঘটনা এমন সময়ে ঘটলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন ক্যারিবীয় সাগরে মাদক বহনের অভিযোগে স্পিডবোটে সামরিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে দেশজুড়ে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেছেন, তার ভেনেজুয়েলীয় সমকক্ষ মাদক পাচার ও অপরাধের মাধ্যমে আমেরিকায় অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছেন।
তবে ভেনেজুয়েলা সরকার বলছে, ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ—যার মধ্যে নিষিদ্ধ তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করাও রয়েছে—প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেশের তেলসম্পদ নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টার অংশ।
সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ৩০টি হামলা চালিয়েছে কথিত মাদক পাচারকারী নৌকায়, যার লক্ষ্য ছিল প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের জাহাজগুলো। গত ২ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি নৌকায় যুক্তরাষ্ট্র প্রথম হামলা চালানোর পর থেকে একই ধরনের ঘটনায় ১১০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
ভেনেজুয়েলা সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনকে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানিয়েছে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তিনি এই হামলাকে তার দেশের তেল ও খনিজ সম্পদ কেড়ে নেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা হিসেবে নিন্দা করেছেন।
কারাকাসে যেসব জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে তার মধ্যে সামরিক স্থাপনাও রয়েছে। প্রায় একই সময়ে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সামরিক বিমানঘাঁটি লা কার্লোটা এবং প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
উভয় স্থানে বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পার্শ্ববর্তী কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। শহরের ওপর দিয়ে বিমান উড়ছে বলে অনিশ্চিত খবর পাওয়া গেছে।
বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অংশীদার সিবিএস নিউজকে সেখানকার সূত্র জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে বিস্ফোরণ ও বিমান চলাচলের খবর সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা অবগত রয়েছেন। ট্রাম্প নিজেই ভেনেজুয়েলার সামরিক স্থাপনাসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।
এই ঘটনা এমন সময়ে ঘটলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন ক্যারিবীয় সাগরে মাদক বহনের অভিযোগে স্পিডবোটে সামরিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে দেশজুড়ে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেছেন, তার ভেনেজুয়েলীয় সমকক্ষ মাদক পাচার ও অপরাধের মাধ্যমে আমেরিকায় অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছেন।
তবে ভেনেজুয়েলা সরকার বলছে, ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ—যার মধ্যে নিষিদ্ধ তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করাও রয়েছে—প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেশের তেলসম্পদ নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টার অংশ।
সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ৩০টি হামলা চালিয়েছে কথিত মাদক পাচারকারী নৌকায়, যার লক্ষ্য ছিল প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের জাহাজগুলো। গত ২ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি নৌকায় যুক্তরাষ্ট্র প্রথম হামলা চালানোর পর থেকে একই ধরনের ঘটনায় ১১০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।