নিহত ভিকটিম রুমানা (৩৫) তার স্বামীর সাথে জিএমপি, গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। ভিকটিমের স্বামী মাঝে মধ্যে অটো চালাতেন এবং প্রায় সময়ই বাসায় কোন কাজ ছাড়া বসে থাকতেন। অন্যদিকে ভিকটিম রুমানার উপার্জিত আয় দিয়ে তাদের সংসার চলতো। উক্ত পারিবারিক বিষয় নিয়ে ভিকটিমের সাথে আসামী শহিদের প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো।
এসকল বিষয়ের জেরে ভিকটিম রুমানাকে বাদী রোকসানা তার নিজের বাসায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে আসামী শহিদ তার স্ত্রী ভিকটিম রুমানাকে বিভিন্ন কথা বলে আবারও তার কাছে নিয়ে আসে। অতপর গত ০৪/০৯/২০২৫ তারিখ বিকাল ১৬:০০ ঘটিকার দিকে আসামী শহিদ ভিকটিমের মোবাইল নাম্বার থেকে কল করে জানায় যে ভিকটিম রুমানা আত্মহত্যা করেছে। পরে বাদী কর্তৃক তাদের ভাড়া বাসায় গিয়ে দেখতে পান রুমের ভিতরে ভিকটিম অস্বাভাবিক অবস্থায় বিছানা পড়ে আছে।
পরে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের সহায়তায় ভিকটিমের রুমে প্রবেশ করে দেখতে পান ভিকটিম রুমানা মৃত অবস্থায় পরে আছে। কপালে, মুখে আঘাতের চিহ্ন, মুখে রক্তের দাগ। হত্যাকান্ডটি ভিকটিমের স্বামী পরিকল্পিতভাবে করেছে এবং হত্যার পর তার সকল কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে মর্মে উক্ত হত্যাকান্ডের ঘটনায় ভিকটিমের বোন রোকসানা (২৬) বাদি হয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানায় হত্যা মামলা রুজু করেন। জিএমপি, গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানার মামলা নং-০৪, তারিখ ০৫/০৯/২০২৫, ধারা-৩০২ পেনাল কোড।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে র্যাব-১ আসামী গ্রেফতার করার জন্য অভিযান পরিচালনা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১, উত্তরা, ঢাকার আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে হত্যা মামলার প্রধান আসামী ঘাতক স্বামী মোঃ শহিদ মিয়া (৩০), পিতা-মৃত মোসলেম, সাং-আমারপুর, চন্ডীপুর, থানা-দামুরহাট, জেলা-নওগাঁ’কে ইং ২৭/০৯/২০২৫ তারিখ ১২:৪৫ ঘটিকার সময় জিএমপি, গাজীপুরের গাছা থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
এসকল বিষয়ের জেরে ভিকটিম রুমানাকে বাদী রোকসানা তার নিজের বাসায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে আসামী শহিদ তার স্ত্রী ভিকটিম রুমানাকে বিভিন্ন কথা বলে আবারও তার কাছে নিয়ে আসে। অতপর গত ০৪/০৯/২০২৫ তারিখ বিকাল ১৬:০০ ঘটিকার দিকে আসামী শহিদ ভিকটিমের মোবাইল নাম্বার থেকে কল করে জানায় যে ভিকটিম রুমানা আত্মহত্যা করেছে। পরে বাদী কর্তৃক তাদের ভাড়া বাসায় গিয়ে দেখতে পান রুমের ভিতরে ভিকটিম অস্বাভাবিক অবস্থায় বিছানা পড়ে আছে।
পরে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের সহায়তায় ভিকটিমের রুমে প্রবেশ করে দেখতে পান ভিকটিম রুমানা মৃত অবস্থায় পরে আছে। কপালে, মুখে আঘাতের চিহ্ন, মুখে রক্তের দাগ। হত্যাকান্ডটি ভিকটিমের স্বামী পরিকল্পিতভাবে করেছে এবং হত্যার পর তার সকল কাগজপত্র নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে মর্মে উক্ত হত্যাকান্ডের ঘটনায় ভিকটিমের বোন রোকসানা (২৬) বাদি হয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানায় হত্যা মামলা রুজু করেন। জিএমপি, গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানার মামলা নং-০৪, তারিখ ০৫/০৯/২০২৫, ধারা-৩০২ পেনাল কোড।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে র্যাব-১ আসামী গ্রেফতার করার জন্য অভিযান পরিচালনা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১, উত্তরা, ঢাকার আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে হত্যা মামলার প্রধান আসামী ঘাতক স্বামী মোঃ শহিদ মিয়া (৩০), পিতা-মৃত মোসলেম, সাং-আমারপুর, চন্ডীপুর, থানা-দামুরহাট, জেলা-নওগাঁ’কে ইং ২৭/০৯/২০২৫ তারিখ ১২:৪৫ ঘটিকার সময় জিএমপি, গাজীপুরের গাছা থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব