গণভোট ও সনদের বিষয়গুলো জনগণের ওপর জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসব বিষয়ে সাধারণ মানুষ কিছুই বোঝে না, এগুলো বোঝে কেবল শিক্ষিত মানুষ, অথচ কিছু লোক এগুলো জনগণের ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছে।
আজ রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, গণভোট, সনদ—এসব সাধারণ মানুষ বোঝে না। এখন কিছু লোক এসব আমাদের ঘাড়ের ওপর চাপিয়ে দিতে চায়। আমরা মেনে নিচ্ছি যে যেসব পরিবর্তন প্রয়োজন, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। তবে যেগুলোর সঙ্গে আমরা একমত নই, সেগুলো পার্লামেন্টে আলোচনা ও ভোটাভোটির মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের প্রচেষ্টায়, বিশেষ করে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। আগের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দলের নেতাকর্মীদের ছেড়ে পালিয়ে গেছেন, কারণ তাদের প্রতি তার কোনো দরদ ছিল না। কিন্তু বিএনপি এই মাটির দল—এই মাটিতেই আমাদের জন্ম, এখানেই মৃত্যু হবে।
বিএনপি মহাসচিব আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘শেষ নির্বাচন’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আমাদের বয়স হয়েছে, শরীরও ভালো নেই। এই নির্বাচন হয়তো আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। তাই আপনাদের কাছে আমার আবেদন—ধানের শীষে ভোট দিন, আমাকে ও আমাদের প্রার্থীকে কাজ করার সুযোগ দিন।
তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ধানের শীষ ও দাঁড়ি-পাল্লা প্রতীকের মধ্যে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্র্বতীকালীন সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। এই সরকার মানুষের কষ্ট বোঝে না, কৃষকের সমস্যা বোঝে না। বিএনপি সরকারে এলে কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন তুহিন, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
আজ রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, গণভোট, সনদ—এসব সাধারণ মানুষ বোঝে না। এখন কিছু লোক এসব আমাদের ঘাড়ের ওপর চাপিয়ে দিতে চায়। আমরা মেনে নিচ্ছি যে যেসব পরিবর্তন প্রয়োজন, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। তবে যেগুলোর সঙ্গে আমরা একমত নই, সেগুলো পার্লামেন্টে আলোচনা ও ভোটাভোটির মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের প্রচেষ্টায়, বিশেষ করে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। আগের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দলের নেতাকর্মীদের ছেড়ে পালিয়ে গেছেন, কারণ তাদের প্রতি তার কোনো দরদ ছিল না। কিন্তু বিএনপি এই মাটির দল—এই মাটিতেই আমাদের জন্ম, এখানেই মৃত্যু হবে।
বিএনপি মহাসচিব আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘শেষ নির্বাচন’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আমাদের বয়স হয়েছে, শরীরও ভালো নেই। এই নির্বাচন হয়তো আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। তাই আপনাদের কাছে আমার আবেদন—ধানের শীষে ভোট দিন, আমাকে ও আমাদের প্রার্থীকে কাজ করার সুযোগ দিন।
তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ধানের শীষ ও দাঁড়ি-পাল্লা প্রতীকের মধ্যে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্র্বতীকালীন সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। এই সরকার মানুষের কষ্ট বোঝে না, কৃষকের সমস্যা বোঝে না। বিএনপি সরকারে এলে কৃষকদের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন তুহিন, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব