হেলাল শেখঃ সীমা মনি নামের এক নারীর মতো দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেকেই বর্তমানে সমিতির কিস্তির জালে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অতিরিক্ত সুদ, কঠোর কিস্তির চাপ এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে দিন দিন বাড়ছে তাদের দুর্ভোগ। অভিযোগ উঠেছে, কিস্তির টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় অনেক নারী ও পুরুষ মানসিক, সামাজিক এমনকি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। ভুক্তভোগী সীমা মনির ক্ষেত্রেও ঘটেছে এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
জানা গেছে, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সীমা মনি জীবিকার তাগিদে একটি স্থানীয় সমিতি থেকে ঋণ গ্রহণ করেন। শুরুতে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করলেও পরবর্তীতে আর্থিক সংকটে পড়ে সময়মতো কিস্তি দিতে ব্যর্থ হন। এতে সুদের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে ওঠে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কিস্তির চাপের সুযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে সীমা মনি আদালতে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। তবে অভিযুক্ত মশিউর রহমান প্রভাব খাটিয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সমিতি উচ্চ সুদে ঋণ দিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলছে। সময়মতো কিস্তি দিতে না পারলে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়।
আরও জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় সাইদ নামের এক ব্যক্তি একটি সমিতির নামে বহু গ্রাহকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এমনকি স্থানীয় একটি জুয়েলার্স থেকে স্বর্ণালংকার নিয়ে তা পরিশোধ না করেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সচেতন মহল বলছে, ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। ধারাবাহিক সংবাদ পর্ব-১।
সমিতির কিস্তির জালে দিশেহারা সাধারণ মানুষ: সীমা মনির মতো অনেক ভুক্তভোগী
সমিতির কিস্তির জালে দিশেহারা সাধারণ মানুষ: সীমা মনির মতো অনেক ভুক্তভোগী
হেলাল শেখঃ সীমা মনি নামের এক নারীর মতো দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনেকেই বর্তমানে সমিতির কিস্তির জালে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অতিরিক্ত সুদ, কঠোর কিস্তির চাপ এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে দিন দিন বাড়ছে তাদের দুর্ভোগ। অভিযোগ উঠেছে, কিস্তির টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় অনেক নারী ও পুরুষ মানসিক, সামাজিক এমনকি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। ভুক্তভোগী সীমা মনির ক্ষেত্রেও ঘটেছে এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। জানা গেছে, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সীমা মনি জীবিকার তাগিদে একটি স্থানীয় সমিতি
থেকে ঋণ গ্রহণ করেন। শুরুতে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করলেও পরবর্তীতে আর্থিক সংকটে পড়ে সময়মতো কিস্তি দিতে ব্যর্থ হন। এতে সুদের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে ওঠে।ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কিস্তির চাপের সুযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে সীমা মনি আদালতে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। তবে অভিযুক্ত মশিউর রহমান প্রভাব খাটিয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সমিতি উচ্চ
সুদে ঋণ দিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলছে। সময়মতো কিস্তি দিতে না পারলে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়।আরও জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় সাইদ নামের এক ব্যক্তি একটি সমিতির নামে বহু গ্রাহকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এমনকি স্থানীয় একটি জুয়েলার্স থেকে স্বর্ণালংকার নিয়ে তা পরিশোধ না করেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সচেতন মহল বলছে, ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। ধারাবাহিক সংবাদ পর্ব-১।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত