শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
শিবালয়ের যমুনায় ফের সক্রিয় বালু মাফিয়া চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ,জাতীয় গ্রিড সংলগ্ন এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও ডুবে গেছে যাত্রীবাহী বাস ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি ‘গ্রিন খুলনা’ এখন ধূসর: বায়ু দূষণে ঢাকাকেও টেক্কা দিচ্ছে রূপসা পাড়ের শহর ওসমান হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্য: মমতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি গণবিরোধী, অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি খুলনা মহানগরী জামায়াতের আবাসিকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহার ছুটির বিষয়ে ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয় সকল স্তরে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
logo

সকল স্তরে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনে করেন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই রাষ্ট্রের উন্নয়ন টেকসই হয় বলে। বর্তমান সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগামীকাল আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেওয়া বিবৃতিতে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘০৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। দিবসটি উপলক্ষ্যে আমি বিশ্বের সকল নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। এ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য 'আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার' অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।’

নারীদের রাষ্ট্র সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশেষ করে, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে ঘরে বাইরে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল সম্ভব নয়। বাংলাদেশে জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। নারীদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে 'নারী বিষয়ক দফতর' প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় 'মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়' যা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ১৯৯৪ সালে 'মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়'-এ রূপান্তরিত হয়েছিল।’

নারীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে এটি ছিল একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে 'ফ্যামিলি কার্ড' চালু করেছে। সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

বিবৃতিতে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা। সরকার নারীর নিরাপত্তা বিধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।’

এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে— এ আশাবাদ ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, ‘সম্মান ও মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজে কাজ করবে। আমাদের বিদ্যমান সমাজে সমতা হোক অঙ্গীকার, মর্যাদা হোক বাস্তবতা, আর ক্ষমতায়ন হোক উন্নয়নের ভিত্তি। আমি 'আন্তর্জাতিক নারী দিবস' উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করছি।’

খুঁজুন