মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ১হাজার ২০০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমন (উফশী) ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার ৪ জুন বেলা ১২ টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার এর সভাপতিত্বে উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেনের সঞ্চালনায়
কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে এ ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তা ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র। বীজ ও সার বিতরণ কালে প্রতিটি কৃষককে ৫ কেজি রোপা আমন ধানের উন্নতজাতের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার। বিতরণ করা জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে—ব্রি ধান ৪৯, ৫১, ৫২, ৮৭, ৯৩, ৯৪ ও ১০৩ দেওয়া হয়েছে।
বিতরণ কালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র বলেন, “এই প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকরা মৌসুমি ধান চাষে উৎসাহিত হবেন এবং উৎপাদন খরচ কমিয়ে ফলন বৃদ্ধি করতে পারবেন।”
নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার বলেন, “সরকার কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে, যাতে তারা খাদ্য উৎপাদনে আরও স্বাবলম্বী হতে পারেন। এই সহায়তা প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষির উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।”
এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা দেবাশীষ কর, মেধা আচার্য্য, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এ.কে.এম আলমগীর, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিতাই মণ্ডলসহ কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব
বুধবার ৪ জুন বেলা ১২ টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার এর সভাপতিত্বে উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেনের সঞ্চালনায়
কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে এ ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তা ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র। বীজ ও সার বিতরণ কালে প্রতিটি কৃষককে ৫ কেজি রোপা আমন ধানের উন্নতজাতের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার। বিতরণ করা জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে—ব্রি ধান ৪৯, ৫১, ৫২, ৮৭, ৯৩, ৯৪ ও ১০৩ দেওয়া হয়েছে।
বিতরণ কালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র বলেন, “এই প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকরা মৌসুমি ধান চাষে উৎসাহিত হবেন এবং উৎপাদন খরচ কমিয়ে ফলন বৃদ্ধি করতে পারবেন।”
নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার বলেন, “সরকার কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে, যাতে তারা খাদ্য উৎপাদনে আরও স্বাবলম্বী হতে পারেন। এই সহায়তা প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষির উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।”
এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা দেবাশীষ কর, মেধা আচার্য্য, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এ.কে.এম আলমগীর, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিতাই মণ্ডলসহ কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব