শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করেও রাষ্ট্রের ঘুম ভাঙেনি। আজ সোমবার ২২ ডিসেম্বর আবার জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির খুলনা বিভাগীয় প্রধান ও শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদার-মাথায় গুলিবিদ্ধ।
এটা কাকতালীয় নয়। এটা দুর্ঘটনা নয়। এটা স্পষ্ট করে দেওয়া রাজনৈতিক হত্যার ধারাবাহিকতা। আজ হাদি শহীদ,আজ মোতালেব মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে-কাল কে? এই দেশ কি এখন রাজনীতি করার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে? যেদেশে রাজনৈতিক নেতা নিরাপদ নয়-সেদেশে ভোট কিভাবে হবে? সরকার বলছে নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশন বলছে পরিবেশ ঠিক আছে।
কোন পরিবেশ? যেখানে নেতার মাথায় গুলি লাগে?যেখানে রাজপথে নামা মানে কফিনের টিকিট কাটা? এটা নির্বাচন নয়-এটা হবে রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রীয় প্রহসন।
রাষ্ট্রের নীরবতা-খুনিদের লাইসেন্স হাদির হত্যার পর যেমন রাষ্ট্র চুপ ছিল,মোতালেবকে গুলি করার পরও রাষ্ট্র নীরব।এই নীরবতা নির্দোষ নয়।এই নীরবতা ভয়ংকর।
এই নীরবতাই খুনিদের সাহস যোগায়।গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কোথায়?আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার নির্দেশে নিশ্চুপ?
রাষ্ট্রের ভেতরে কি শত্রু ঢুকে গেছে? মনে রাখবেন-লাশ দিয়ে গণতন্ত্র আসে না আর কত লাশ চাই? আর কত রক্ত চাই?আর কত মায়ের বুক খালি হলে সরকার “উদ্বিগ্ন” হবে?
এই দেশ আর লাশ চায় না।
এই রাষ্ট্র আর রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে না।মোতালেবের মাথায় গুলি মানে-রাষ্ট্রের মাথায় গুলি। এখনও যদি কঠিন সিদ্ধান্ত না আসে।
তবে ইতিহাস লিখবে- সরকার সতর্ক সংকেত পেয়েও কিছু করেনি রাষ্ট্র নিজেই নিজের কবর খুঁড়েছে কারণ মনে রাখবেন-রাষ্ট্র যখন ঘুমায়, তখন বিপ্লব জেগে ওঠে।
এটা কাকতালীয় নয়। এটা দুর্ঘটনা নয়। এটা স্পষ্ট করে দেওয়া রাজনৈতিক হত্যার ধারাবাহিকতা। আজ হাদি শহীদ,আজ মোতালেব মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে-কাল কে? এই দেশ কি এখন রাজনীতি করার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে? যেদেশে রাজনৈতিক নেতা নিরাপদ নয়-সেদেশে ভোট কিভাবে হবে? সরকার বলছে নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশন বলছে পরিবেশ ঠিক আছে।
কোন পরিবেশ? যেখানে নেতার মাথায় গুলি লাগে?যেখানে রাজপথে নামা মানে কফিনের টিকিট কাটা? এটা নির্বাচন নয়-এটা হবে রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রীয় প্রহসন।
রাষ্ট্রের নীরবতা-খুনিদের লাইসেন্স হাদির হত্যার পর যেমন রাষ্ট্র চুপ ছিল,মোতালেবকে গুলি করার পরও রাষ্ট্র নীরব।এই নীরবতা নির্দোষ নয়।এই নীরবতা ভয়ংকর।
এই নীরবতাই খুনিদের সাহস যোগায়।গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কোথায়?আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার নির্দেশে নিশ্চুপ?
রাষ্ট্রের ভেতরে কি শত্রু ঢুকে গেছে? মনে রাখবেন-লাশ দিয়ে গণতন্ত্র আসে না আর কত লাশ চাই? আর কত রক্ত চাই?আর কত মায়ের বুক খালি হলে সরকার “উদ্বিগ্ন” হবে?
এই দেশ আর লাশ চায় না।
এই রাষ্ট্র আর রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে না।মোতালেবের মাথায় গুলি মানে-রাষ্ট্রের মাথায় গুলি। এখনও যদি কঠিন সিদ্ধান্ত না আসে।
তবে ইতিহাস লিখবে- সরকার সতর্ক সংকেত পেয়েও কিছু করেনি রাষ্ট্র নিজেই নিজের কবর খুঁড়েছে কারণ মনে রাখবেন-রাষ্ট্র যখন ঘুমায়, তখন বিপ্লব জেগে ওঠে।