বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
আবাসিকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহার ছুটির বিষয়ে ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজ, হতে পারে লাইসেন্স বাতিল প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার ৬০০ টাকা দরে ভাঙারিতে বিক্রি: ডিএমপি কমিশনার আদ্-দ্বীন হাসপাতালের অবহেলায় ৬ নবজাতকের মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিশন ২০২৬: বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে কার ডেরা কোথায়? দেখে নিন ৪৮ দলের ‘বেস ক্যাম্প’ মেসি নেইমারদের ম্যাচ বাংলাদেশে যেভাবে দেখা যাবে প্রধানমন্ত্রীর ‘লাল টেলিফোন’ লাইনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ সংবাদ প্রকাশের পর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপগঞ্জের ভুলতা সড়কের পাশের ময়লা আবর্জনার স্তুপ অপসারণ জিয়াউর রহমানের আদর্শ গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের দিশারি: আইনমন্ত্রী
জাতীয় শেরে বাংলার আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক: প্রধানমন্ত্রী
logo

শেরে বাংলার আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক: প্রধানমন্ত্রী

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল)। এ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বার্তায় আবুল কাশেম ফজলুল হককে অবিভক্ত বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম বিশিষ্ট নেতা হিসেবে স্মরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, আবুল কাশেম ফজলুল হক শুধু কৃষক সমাজের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা। তার সংবেদনশীলতা, মমতা ও রাজনৈতিক আপসহীনতা তাকে সর্বভারতীয় রাজনীতির উচ্চ শিখরে পৌঁছে দিয়েছিল।

একই সঙ্গে, ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতি, কৃষি, অর্থনীতি ও কৃষকদের স্বার্থে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের অবদান স্মরণ করে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই অঞ্চলের রাজনৈতিক উন্নয়নে প্রয়াত নেতার অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন তিনি।

এ কে ফজলুল হকের ঐতিহাসিক ভূমিকার ওপর আলোকপাত করে তারেক রহমান বলেন, ১৯৪০ সালে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের মাধ্যমে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন। প্রস্তাবটি আজও ঐতিহাসিকদের মধ্যে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এটি তার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতিফলন।

তারেক রহমান কৃষকদের কল্যাণের প্রতি ফজলুল হকের অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন এবং তাকে বাংলার কৃষকদের প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে বর্ণনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফজলুল হক ছিলেন বাংলার অবহেলিত কৃষক সমাজের বন্ধু। তিনিই প্রথম উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন, অবিভক্ত বাংলার রাজনীতি বাংলার কৃষিনির্ভর অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দূরদর্শিতা এবং অন্তঃর্দৃষ্টির মাধ্যমে তিনি কৃষক সমাজের স্বার্থকে রাজনৈতিক কাঠামোয় নিয়ে আসতে সক্ষম হন।

ফজলুল হক প্রশাসনকে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। কৃষক-শ্রমিকবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। একইসঙ্গে তিনি শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার পথ সুগম করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেরে বাংলার আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন আজও প্রাসঙ্গিক।

১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক। ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরের সাতুরিয়া গ্রামের মিঞা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর, যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী, কলকাতা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মুসলিম মেয়র এবং আইনসভার সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনেও তার অবদান ছিল। ১৯৪০ সালে তিনি ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি ২১ দফারও প্রণেতা ছিলেন। বাসস

খুঁজুন