শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
পবিত্র গাদিরে খুম ঈমানী ঘোষণার শোকরিয়া সমাবেশ ও সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত নিখোঁজ তিন কিশোরীকে উদ্ধার করেছে ডিএমপির পল্লবী থানা পুলিশ ৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ ২০০+ নেতাকর্মী ও সমর্থকের জাতীয় নাগরিক পার্টিতে যোগদান কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৫ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবাসহ একজন আটক সাপাহারে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারপিট! আহত-১ মোংলায় ভুয়া র‍্যাব পরিচয় দেওয়া প্রতারক আটক সংসদ ভবন এলাকায় মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঝালকাঠিতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ২ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসাসেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ নবীনগর বিটঘর দানবীর মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য বিদ্যাপীঠ কলেজে সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে মানববৃক্ষ তৈরি করে পরিবেশ দিবস উদযাপন
সারাবাংলা সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক হত্যার দায়ে আগামী ৪৮ঘন্টার মধ্যে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করতে হবে
logo

সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক হত্যার দায়ে আগামী ৪৮ঘন্টার মধ্যে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করতে হবে

ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ।সমাবেশ শেষে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে সংগঠনটির নেতারা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। সমাবেশে নেতাকর্মীরা ‘সীমান্তে মানুষ মরে, ইন্টারিম কী করে?’, ‘দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা ঢাকা’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দাও’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।

সংগঠনটির সভাপতি নাজমুল হাসান বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএসএফ দুজন বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে রাতভর নির্যাতনের পর হত্যা করে পদ্মা নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত ভয়ংকর ও লজ্জাজনক। শুধু এই ঘটনা নয়, ২৯ নভেম্বর চুয়াডাঙ্গার শহীদুল এবং ৪ ডিসেম্বর পাটগ্রামের সবুজ, গত এক সপ্তাহেই চারজন বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে বিএসএফ। তবুও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ দেখা যায়নি।তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দেড় যুগে সীমান্তে ৬০০-র বেশি বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে, বিচারহীনতার কারণে নির্যাতন ও মরদেহ ঝুলিয়ে রাখার মতো ঘটনাও ঘটেছে। তারপরও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। এখনও সীমান্তের জনগণের নিরাপত্তা চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।

নাজমুল আরও বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের ব্যাখ্যা চাইতে হবে। তা না হলে ছাত্রসমাজ ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে গণআন্দোলনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। সীমান্তে হত্যাকাণ্ড অব্যাহত থাকলে ছাত্রসমাজ চুপ করে থাকবে না। প্রয়োজনে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

সংগঠনটির সাধারন সম্পাদক সানাল্লাহ হক  বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশিদের নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড এবং ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাযজ্ঞ উভয়টির নেপথ্যে ভারতীয় প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তিনি বলেন, দেড় যুগে সীমান্তে বিএসএফ প্রায় ৬০০ বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে; তবুও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ নেই।

এছাড়াও, সীমান্তে আর কোনো লাশ পড়লে দেশের ছাত্রসমাজ কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন নেতারা। সি.যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরো 
উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ সভাপতি নেওয়াজ খান বাপ্পি, ঢাবি,ঢাকা কলেজ,মহানগরসহ নেতৃবৃন্দ

-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব

খুঁজুন