সাভারের বিরুলিয়া বাগ্নিবাড়ি ফকিরপাড়ার মৃত কটু ফকিরের সাবেক কথিত ছোট জামাতা স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর হারুন-উর রশিদ(তুষার)'র বিরুদ্ধে ভুয়া কাবিননামা দিয়ে সম্পত্তি আত্মসাৎ করার পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হারুন-উর- রশিদ (তুষার) মূলত একজন প্রতারক তার প্রথম পক্ষে স্ত্রী সন্তান নিয়ে মিরপুরে বসবাস করে। কটু ফকিরের ছোট মেয়ে মৃত প্রতিবন্ধী হনুফা আক্তার(২৫)কে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে আগের বিয়ে গোপন রেখে হারুন-উর-রশিদ ও হনুফা আক্তার দুজনে পালিয়ে গিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।
এলাকার বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, মৃত কটু ফকিরের বহু জায়গা সম্পত্তি আছেন তাই প্রতারক হারুন উর রশিদ হনুফা আক্তারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন ও আগের স্ত্রী সন্তান গোপন রেখে হনুফা সাথে বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখিয়ে ভুলভাল বুঝিয়ে তাকে বিয়ে করেন। এলাকার স্থানীয় প্রবীণ এবং মুরুব্বীরা জানান, হারুন উর রশিদ তুষার একজন লোভী প্রতারক সে শুধু কটু ফকিরের সম্পত্তির লোভে একটি প্রতিবন্ধী মেয়েকে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ে করেন। তারা আরোও বলেন, হারুন উর রশিদ শুধুমাত্র সম্পত্তির লোভেই হনুফাকে প্রতারণা করে বিয়ে করেন।
তাদের বিয়ের কিছুদিন পরে হারুন উর রশিদের প্রতারণা ফাঁস হয়ে গেলে হনুফার সাথে প্রতিনিয়কিছুদিনত ঝড়গা বিবাদ লেগেই থাকতো, ঝরগার এক পর্যায়ে হনুফা হারুন উর রশিদ (তুষার)কে কাজীর মাধ্যমে লিখিতভাবে তালাক প্রদান করেন। তারপর এভাবেই কিছুদিন চলতে থাকে এক পর্যায়ে হনুফাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে হারুন উর রশিদ আবারো তার সাথে বসবাস করতে থাকে। মৃত কটু ফকিরের চার মেয়ে এক ছেলে সম্পত্তি"র অংশীদার সবাই। কিন্তু হারুন উর রশিদ(তুষার) তার স্ত্রী হনুফাকে দিয়ে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে তিন বোন ও ভাইয়ের সম্পত্তি একাই গ্রাস করতে চায়,এ নিয়ে ভাই বোন হনুফা আর একমাত্র ভাই মোহাম্মদ আলীর মধ্যে বিবাদ চরমে পৌঁছায়,এক পর্যায়ে হনুফা আক্তার তার একমাত্র ভাই মোহাম্মদ আলী ওরফে পাঁচু"র হাতে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়।
প্রথমে সম্পত্তির লোভে হনুফাকে প্রতারণা করে বিয়ে করে তারপরে হনুফাকেই সম্পত্তির কাগজ পত্র জাল জালিয়াতি করায় প্রতারক হারুন উর-রশিদ। মূলত তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সম্পত্তি নিয়েই হনুফার ভাইয়ের হাতেই অকালে মৃত্যু হয়। এই প্রতারক হারুন উর-রশিদ তুষারের ফাঁদে পরে হনুফা আক্তারের অকালে প্রাণ হারাতে হয়। তারপরেও থেমে নেই এই প্রতারক একের পর এক কটু ফকিরের সম্পত্তি গ্রাস করার জন্য বিভিন্নভাবে কত ফকিরের তিন মেয়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার ও মামলা দিয়ে আসছে। হনুফা ও তুষার দম্পতি'র কোন সন্তানাদি নাই, তবুও তুষার তার স্ত্রী সম্পত্তির দাবি করে, বিভিন্ন প্রকার হয়রানি মূলক দিয়ে আসছে এবং বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে ভয়-ভীতি প্রদর্শন সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
কটু ফকিরের তিন মেয়ে অভিযোগ করে বলেন, প্রতারক তুষারের জন্যই আমার বোন ভাইয়ের হাতে নির্মমভাবে খুন হয়। যদি না আমাদের বোন প্রতারক তুষারের প্রলোভনে এত কিছু না করতো ভাই বোনদের মধ্যে কোন ঝগড়া বিবাদ ছিল না। তারপরও আমরা মেনে নিয়েছিলাম কিন্তু এক বাড়িতে বসবাস করত আমার ভাই মোহাম্মদ আলী ও হনুফা তাই ওদের বিবাদ চরণে পৌঁছায় এক পর্যায়ে ভায়ের হাতে খুন হয় হনুফা। হনুফার মৃত্যুর পরে হারুন উর রশিদ (তুষার)হনুফার পৈতৃক বাড়ি বসবাসরত স্বর্ণ গহনা মাল সামানা ইত্যাদি জেনে যা পাইছে সমস্ত কিছু লুটেফাটে সর্বস্ব নিয়ে গেছে এলাকাবাসী বলছে এক প্রকার ডাকাতির মত করে ফিল্ম স্টাইলে নির্বিঘ্নে নিয়ে চলে যায়। তাদের তথ্য মতে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকার স্বর্ণ অলংকার সহ মালামাল নিয়ে যায়।
তখন কেউ বাধা দিলেন না কেন জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, হারুন-উর- রশিদ (তুষার) একজন প্রতারক জমির দালাল পতিত আওয়ামী লীগ ক্যাডার ও আওয়ামী লীগের দোসর তাই তখন আওয়ামী লীগের ক্ষমতার দাপটে সমস্ত অবৈধ কার্যকলাপ নির্দ্বিধায় চালিয়ে গেছে। তখন তার বিচরণ ছিল প্রকৃত আওয়ামী লীগের পাওয়ারে দাপিয়ে বেড়াত এবং বিভিন্ন জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করতো। আজ পর্যন্ত মৃত কটু ফকিরের মেয়েদের ওপর অপবাদ মিথ্যা মামলা হয়রানি করেই যাচ্ছে, একমাত্র হনুফার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। হনুফার প্রতি ওর ভালোবাসা ছিল শুধুমাত্র সম্পত্তি জন্য ও আসলে লোভী এবং প্রতারক মৃত হনুফা ও তুষার দম্পতির ওরসে কোন সন্তানাদি নাই, কত ফকিরের সন্তানদের দাবি তবে এখানে ওর কি লাভ? ও তো আমাদের রক্তের ভাই না এমনকি ও কোন সম্পত্তির অংশীদার ও মালিক না। শুধু আমাদের হয়রানি করে আসছে আমাদের পরিবারের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করে আসছে এই পতিত আওয়ামী লীগের দোসর হারুন উর রশিদ ওরফে তুষার।
এমনকি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা এবং এমপির সাথে ছবি এবং রাজনৈতিক মিছিল মিটিং এ বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন স্টাইলে ছবি তার সক্রিয় উপস্থিত ছিল লক্ষণীয়। প্রতারক এর একটাই অভ্যাস বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করে তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় প্রতারণামূলক বিয়ে ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে মানুষকে হয়রানি করা সহ বিভিন্ন প্রকার মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা তাদের অভ্যাস।
সচেতন মহল ও এলাকাবাসী ভুক্তভোগীগন প্রতারক হারুন-উর রশিদ তুষারকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি করছি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হারুন-উর- রশিদ (তুষার) মূলত একজন প্রতারক তার প্রথম পক্ষে স্ত্রী সন্তান নিয়ে মিরপুরে বসবাস করে। কটু ফকিরের ছোট মেয়ে মৃত প্রতিবন্ধী হনুফা আক্তার(২৫)কে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে আগের বিয়ে গোপন রেখে হারুন-উর-রশিদ ও হনুফা আক্তার দুজনে পালিয়ে গিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।
এলাকার বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, মৃত কটু ফকিরের বহু জায়গা সম্পত্তি আছেন তাই প্রতারক হারুন উর রশিদ হনুফা আক্তারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন ও আগের স্ত্রী সন্তান গোপন রেখে হনুফা সাথে বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখিয়ে ভুলভাল বুঝিয়ে তাকে বিয়ে করেন। এলাকার স্থানীয় প্রবীণ এবং মুরুব্বীরা জানান, হারুন উর রশিদ তুষার একজন লোভী প্রতারক সে শুধু কটু ফকিরের সম্পত্তির লোভে একটি প্রতিবন্ধী মেয়েকে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ে করেন। তারা আরোও বলেন, হারুন উর রশিদ শুধুমাত্র সম্পত্তির লোভেই হনুফাকে প্রতারণা করে বিয়ে করেন।
তাদের বিয়ের কিছুদিন পরে হারুন উর রশিদের প্রতারণা ফাঁস হয়ে গেলে হনুফার সাথে প্রতিনিয়কিছুদিনত ঝড়গা বিবাদ লেগেই থাকতো, ঝরগার এক পর্যায়ে হনুফা হারুন উর রশিদ (তুষার)কে কাজীর মাধ্যমে লিখিতভাবে তালাক প্রদান করেন। তারপর এভাবেই কিছুদিন চলতে থাকে এক পর্যায়ে হনুফাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে হারুন উর রশিদ আবারো তার সাথে বসবাস করতে থাকে। মৃত কটু ফকিরের চার মেয়ে এক ছেলে সম্পত্তি"র অংশীদার সবাই। কিন্তু হারুন উর রশিদ(তুষার) তার স্ত্রী হনুফাকে দিয়ে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে তিন বোন ও ভাইয়ের সম্পত্তি একাই গ্রাস করতে চায়,এ নিয়ে ভাই বোন হনুফা আর একমাত্র ভাই মোহাম্মদ আলীর মধ্যে বিবাদ চরমে পৌঁছায়,এক পর্যায়ে হনুফা আক্তার তার একমাত্র ভাই মোহাম্মদ আলী ওরফে পাঁচু"র হাতে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়।
প্রথমে সম্পত্তির লোভে হনুফাকে প্রতারণা করে বিয়ে করে তারপরে হনুফাকেই সম্পত্তির কাগজ পত্র জাল জালিয়াতি করায় প্রতারক হারুন উর-রশিদ। মূলত তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সম্পত্তি নিয়েই হনুফার ভাইয়ের হাতেই অকালে মৃত্যু হয়। এই প্রতারক হারুন উর-রশিদ তুষারের ফাঁদে পরে হনুফা আক্তারের অকালে প্রাণ হারাতে হয়। তারপরেও থেমে নেই এই প্রতারক একের পর এক কটু ফকিরের সম্পত্তি গ্রাস করার জন্য বিভিন্নভাবে কত ফকিরের তিন মেয়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার ও মামলা দিয়ে আসছে। হনুফা ও তুষার দম্পতি'র কোন সন্তানাদি নাই, তবুও তুষার তার স্ত্রী সম্পত্তির দাবি করে, বিভিন্ন প্রকার হয়রানি মূলক দিয়ে আসছে এবং বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে ভয়-ভীতি প্রদর্শন সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
কটু ফকিরের তিন মেয়ে অভিযোগ করে বলেন, প্রতারক তুষারের জন্যই আমার বোন ভাইয়ের হাতে নির্মমভাবে খুন হয়। যদি না আমাদের বোন প্রতারক তুষারের প্রলোভনে এত কিছু না করতো ভাই বোনদের মধ্যে কোন ঝগড়া বিবাদ ছিল না। তারপরও আমরা মেনে নিয়েছিলাম কিন্তু এক বাড়িতে বসবাস করত আমার ভাই মোহাম্মদ আলী ও হনুফা তাই ওদের বিবাদ চরণে পৌঁছায় এক পর্যায়ে ভায়ের হাতে খুন হয় হনুফা। হনুফার মৃত্যুর পরে হারুন উর রশিদ (তুষার)হনুফার পৈতৃক বাড়ি বসবাসরত স্বর্ণ গহনা মাল সামানা ইত্যাদি জেনে যা পাইছে সমস্ত কিছু লুটেফাটে সর্বস্ব নিয়ে গেছে এলাকাবাসী বলছে এক প্রকার ডাকাতির মত করে ফিল্ম স্টাইলে নির্বিঘ্নে নিয়ে চলে যায়। তাদের তথ্য মতে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকার স্বর্ণ অলংকার সহ মালামাল নিয়ে যায়।
তখন কেউ বাধা দিলেন না কেন জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, হারুন-উর- রশিদ (তুষার) একজন প্রতারক জমির দালাল পতিত আওয়ামী লীগ ক্যাডার ও আওয়ামী লীগের দোসর তাই তখন আওয়ামী লীগের ক্ষমতার দাপটে সমস্ত অবৈধ কার্যকলাপ নির্দ্বিধায় চালিয়ে গেছে। তখন তার বিচরণ ছিল প্রকৃত আওয়ামী লীগের পাওয়ারে দাপিয়ে বেড়াত এবং বিভিন্ন জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করতো। আজ পর্যন্ত মৃত কটু ফকিরের মেয়েদের ওপর অপবাদ মিথ্যা মামলা হয়রানি করেই যাচ্ছে, একমাত্র হনুফার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। হনুফার প্রতি ওর ভালোবাসা ছিল শুধুমাত্র সম্পত্তি জন্য ও আসলে লোভী এবং প্রতারক মৃত হনুফা ও তুষার দম্পতির ওরসে কোন সন্তানাদি নাই, কত ফকিরের সন্তানদের দাবি তবে এখানে ওর কি লাভ? ও তো আমাদের রক্তের ভাই না এমনকি ও কোন সম্পত্তির অংশীদার ও মালিক না। শুধু আমাদের হয়রানি করে আসছে আমাদের পরিবারের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করে আসছে এই পতিত আওয়ামী লীগের দোসর হারুন উর রশিদ ওরফে তুষার।
এমনকি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা এবং এমপির সাথে ছবি এবং রাজনৈতিক মিছিল মিটিং এ বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন স্টাইলে ছবি তার সক্রিয় উপস্থিত ছিল লক্ষণীয়। প্রতারক এর একটাই অভ্যাস বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করে তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় প্রতারণামূলক বিয়ে ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে মানুষকে হয়রানি করা সহ বিভিন্ন প্রকার মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা তাদের অভ্যাস।
সচেতন মহল ও এলাকাবাসী ভুক্তভোগীগন প্রতারক হারুন-উর রশিদ তুষারকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি করছি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব