স্টাফ রিপোর্টার : নাম আরিফ ৫ অাগষ্টের আগে ছিলেন,আওয়ামীলীগের বড় নেতা রাতারাতি বদলে গেলেন বিএনপির বড় মাপের নেতা।আর এই পরিচয়ে এলকায় গড়ে তুলেছেন মাদক ব্যাবসার সিন্ডিকেট। কাওলা অটো স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির সহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে । আওয়ামী লীগ পতন হওয়ার পর বিএনপিতে যোগদানের পায়তারা শুরু করেন তিনি
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় আরিফের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা সহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এমনই অভিযোগের ভিত্তিতে ক্ষিপ্ত কাওলা এলাকাবাসী। কে এই মুখোশধারী নেতা আরিফ হোসেন কিছুদিন আগেও যার প্রোফাইলে দেখা যেত সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে এখন সেই আওয়ামী লীগ কর্মী এখন বিএনপি নেতার ছত্রছায়ায় হয়ে উঠেছে আরও ভয়ংকর।

কাওলা এলাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন জানায় তার বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলেই হামলা ও শারীরিক লাঞ্চিত হতে হয়।
ঢাকা -১৮ আসনের এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনর কড়া হুশিয়ারি থাকার পরো কোন ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না এই মাদক ব্যাবসায়ী আরিফকে।
ফ্যাসিবাদী শীর্ষ নেতাদের সাথে ছিল তার অসংখ্য ছবি দেখা যেত মিটিং মিছিল সামনের সারিতে থাকে বর্তমানে অতীতকে বিসর্জন দিয়ে সে হয়ে উঠেছে বিএনপি'র তে কি কর্মী প্রোফাইল ঘাটলে দেখা যায় বিএনপি'র পদ পদবি পোস্টদারী নেতাদের সাথে সহ বিভিন্ন কর্মীদের সাথে তার ছবি এমনকি দাপটে এড়িয়ে দাপট এড়িয়ে না দেখি বেড়ায় দিনের বেলাতে চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া হয়ে ওঠে কাওলা নামারপাড়া এলাকা এলাকার শত শত কিশোর গ্যাং। শুধু তাই নয় রাত হলেই যেন তার শেল টারে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ায় মাদকাসক্ত কিশোর গেংরা।
শহরের আলো নিভে গেলে শুরু হয় কাওলা নামা পাড়ার এলাকায় তাদের মাদক সাম্রাজ্য। অলিতে গলিতে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে বিক্রি হয় মাদক অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন অলিতে গলিতে রিকশা চালক থেকে শুরু করে পথচারীর থেকেও হাতিয়ে নেয় মোবাইল ফোন এবং টাকা পয়সা।

কেউ তাদেরকে তাদের সাথে থাকা মালামাল দিতে স্বীকৃতি জানালে ছুরিকাঘাত করা হয় প্রকাশ্যে। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার দক্ষিনখান থানায় অভিযোগ থাকলেও শান্তনা দিয়ে প্রশাসন শুধু বলে চলমান থাকবে তাদের অভিযান এ নিয়ে জনমনে আশঙ্কা দিন দিন বেড়েই চলছে। এলাকাবাসী বলছেন গণঅভ্যুত্থানের পরও তারা নিজেকে কোনভাবে ও নিরাপদ মনে করছেন না। এমনকি প্রশাসনের এই নীরবতা ও জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন তুলছে।
এ বিষয় দক্ষিণ খান থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন দ্রুত এসব মাদক ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা যখন বিএনপির বড় নেতা
সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা যখন বিএনপির বড় নেতা
স্টাফ রিপোর্টার : নাম আরিফ ৫ অাগষ্টের আগে ছিলেন,আওয়ামীলীগের বড় নেতা রাতারাতি বদলে গেলেন বিএনপির বড় মাপের নেতা।আর এই পরিচয়ে এলকায় গড়ে তুলেছেন মাদক ব্যাবসার সিন্ডিকেট। কাওলা অটো স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজির সহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে । আওয়ামী লীগ পতন হওয়ার পর বিএনপিতে যোগদানের পায়তারা শুরু করেন তিনি স্থানীয় সূত্রে জানা যায় আরিফের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা সহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনই অভিযোগের ভিত্তিতে ক্ষিপ্ত কাওলা এলাকাবাসী। কে এই মুখোশধারী নেতা আরিফ হোসেন কিছুদিন আগেও যার প্রোফাইলে দেখা যেত সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে এখন সেই আওয়ামী লীগ কর্মী এখন বিএনপি নেতার ছত্রছায়ায় হয়ে উঠেছে আরও ভয়ংকর। কাওলা এলাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন জানায় তার বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলেই
হামলা ও শারীরিক লাঞ্চিত হতে হয়। ঢাকা -১৮ আসনের এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনর কড়া হুশিয়ারি থাকার পরো কোন ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না এই মাদক ব্যাবসায়ী আরিফকে। ফ্যাসিবাদী শীর্ষ নেতাদের সাথে ছিল তার অসংখ্য ছবি দেখা যেত মিটিং মিছিল সামনের সারিতে থাকে বর্তমানে অতীতকে বিসর্জন দিয়ে সে হয়ে উঠেছে বিএনপি'র তে কি কর্মী প্রোফাইল ঘাটলে দেখা যায় বিএনপি'র পদ পদবি পোস্টদারী নেতাদের সাথে সহ বিভিন্ন কর্মীদের সাথে তার ছবি এমনকি দাপটে এড়িয়ে দাপট এড়িয়ে না দেখি বেড়ায় দিনের বেলাতে চাঁদাবাজিতে বেপরোয়া হয়ে ওঠে কাওলা নামারপাড়া এলাকা এলাকার শত শত কিশোর গ্যাং। শুধু তাই নয় রাত হলেই যেন তার শেল টারে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ায় মাদকাসক্ত কিশোর গেংরা। শহরের আলো নিভে গেলে শুরু হয়
কাওলা নামা পাড়ার এলাকায় তাদের মাদক সাম্রাজ্য। অলিতে গলিতে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে বিক্রি হয় মাদক অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন অলিতে গলিতে রিকশা চালক থেকে শুরু করে পথচারীর থেকেও হাতিয়ে নেয় মোবাইল ফোন এবং টাকা পয়সা। কেউ তাদেরকে তাদের সাথে থাকা মালামাল দিতে স্বীকৃতি জানালে ছুরিকাঘাত করা হয় প্রকাশ্যে। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার দক্ষিনখান থানায় অভিযোগ থাকলেও শান্তনা দিয়ে প্রশাসন শুধু বলে চলমান থাকবে তাদের অভিযান এ নিয়ে জনমনে আশঙ্কা দিন দিন বেড়েই চলছে। এলাকাবাসী বলছেন গণঅভ্যুত্থানের পরও তারা নিজেকে কোনভাবে ও নিরাপদ মনে করছেন না। এমনকি প্রশাসনের এই নীরবতা ও জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন তুলছে। এ বিষয় দক্ষিণ খান থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন দ্রুত এসব মাদক ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত