রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা ও নাশকতা প্রতিরোধে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) একটি পেশাদার ও নির্ভরযোগ্য বাহিনী হিসেবে দেশে কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছে। অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্যের মজুদ, পরিবহন ও ব্যবহার রোধ এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে র্যাব নিয়মিতভাবে গোয়েন্দাভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ ও তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষিত জনবল ব্যবহার করে র্যাব “জিরো টলারেন্স” নীতিতে রাষ্ট্রবিরোধী যেকোনো কর্মকান্ড কঠোরভাবে দমন করছে।
৫ আগস্ট ২০২৪-এ “জুলাই গণঅভ্যুত্থান”-এর সুযোগে দুষ্কৃতিকারীরা একযোগে বিভিন্ন থানায় হামলা চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে এবং সেগুলো পরে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহার করতে থাকে, ফলে দেশে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যাব শুরু থেকেই পেশাদারিত্বের সঙ্গে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বাহিনীগুলোকে তৎপরতা বাড়াতে নির্দেশনা দেন। নির্দেশনার পর র্যাব আরও জোরদার ও দক্ষতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-১০, সিপিসি ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস দল অদ্য ২৯/০১/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ০২.২০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বিআরটিসির দক্ষিণ পাশের প্রাচিরের বাহিরে চরকমলাপুরগামী রাস্তার বিদ্যুতের খুঁটি সংলগ্ন ঝোপঝাড়ের ভিতর হতে ধাতব লিভার যুক্ত ০৩ টি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড, ৪১ টি শট গান কার্তুজ ও ৩০ টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ সদৃশ বস্তু পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃত গ্রেনেড ও কার্তুজগুলো পুলিশের লুট হওয়া গোলাবারুদ।
এই অভিযান প্রমাণ করে যে, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে র্যাব সদা প্রস্তুত ও সচেষ্ট। জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থে র্যাব ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। র্যাব-১০ এর এই সফল অভিযানে দেশের জনগণ আরও একবার আশ্বস্ত হয়েছে যে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনী হিসেবে সক্রিয় ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
পুলিশের লুট হওয়া ৩ টি গ্রেনেড, ৪১ টি শট গান কার্তুজ ও ৩০ টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে র্যাব-১০
পুলিশের লুট হওয়া ৩ টি গ্রেনেড, ৪১ টি শট গান কার্তুজ ও ৩০ টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে র্যাব-১০
রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা ও নাশকতা প্রতিরোধে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) একটি পেশাদার ও নির্ভরযোগ্য বাহিনী হিসেবে দেশে কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছে। অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্যের মজুদ, পরিবহন ও ব্যবহার রোধ এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে র্যাব নিয়মিতভাবে গোয়েন্দাভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ ও তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষিত জনবল ব্যবহার করে র্যাব “জিরো টলারেন্স” নীতিতে রাষ্ট্রবিরোধী যেকোনো কর্মকান্ড কঠোরভাবে দমন করছে। ৫ আগস্ট ২০২৪-এ “জুলাই গণঅভ্যুত্থান”-এর সুযোগে দুষ্কৃতিকারীরা একযোগে বিভিন্ন থানায় হামলা চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে এবং সেগুলো পরে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহার করতে থাকে, ফলে দেশে
ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যাব শুরু থেকেই পেশাদারিত্বের সঙ্গে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বাহিনীগুলোকে তৎপরতা বাড়াতে নির্দেশনা দেন। নির্দেশনার পর র্যাব আরও জোরদার ও দক্ষতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-১০, সিপিসি ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস দল অদ্য ২৯/০১/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ০২.২০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বিআরটিসির দক্ষিণ পাশের প্রাচিরের বাহিরে চরকমলাপুরগামী রাস্তার বিদ্যুতের খুঁটি সংলগ্ন ঝোপঝাড়ের ভিতর হতে ধাতব লিভার যুক্ত ০৩ টি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড, ৪১
টি শট গান কার্তুজ ও ৩০ টি গ্যাস গানের তাজা কার্তুজ সদৃশ বস্তু পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃত গ্রেনেড ও কার্তুজগুলো পুলিশের লুট হওয়া গোলাবারুদ। এই অভিযান প্রমাণ করে যে, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে র্যাব সদা প্রস্তুত ও সচেষ্ট। জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থে র্যাব ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। র্যাব-১০ এর এই সফল অভিযানে দেশের জনগণ আরও একবার আশ্বস্ত হয়েছে যে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনী হিসেবে সক্রিয় ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত