দুই বারের সাফ জয়ী নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার ঘর নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতার অবসান ঘটাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক। বর্তমানে সরকারি সফরে তুরস্কে অবস্থান করলেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তিনি সেখান থেকেই একটি প্রতিনিধি দল রাঙামাটিতে পাঠিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে এই প্রতিনিধি দল সরেজমিনে ঋতুপর্ণার বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দীর্ঘ কয়েক বছরেও কেন বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি, তার প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করেন।
প্রতিনিধি দলে থাকা প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সচিব এস এম আশরাফ এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের একজন কর্মকর্তা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠক করেন। এস এম আশরাফ বলেন, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি জানিয়েছেন, 'জেলা প্রশাসন বাড়িটি তৈরি করে দেওয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখলেও জমি বন্দোবস্ত সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি থমকে আছে।'
যদিও ২০২৫ সালের মার্চ মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে ঋতুপর্ণা চাকমাকে ১২ শতক খাসজমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এবং ঋতুপর্ণা নিজেও সেই জমি দেখে এসেছিলেন। তবে জানা যায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না পাওয়ায় তিনি এখনও জমির দখল বুঝে পাননি।
পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলটি জানিয়েছে, রাঙামাটি সফরেএ মাধ্যমে প্রাপ্ত সমস্ত তথ্য ও প্রতিবন্ধকতার বিস্তারিত প্রতিবেদন দ্রুততম সময়ের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া হবে। প্রতিমন্ত্রী এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে দেশের এই কৃতি ফুটবলার দ্রুত তার প্রতিশ্রুত সরকারি বাড়ি বুঝে পান। প্রতিমন্ত্রীর এই সরাসরি হস্তক্ষেপ ঋতুপর্ণার পরিবারের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে রাঙামাটিতে প্রতিনিধি দল: ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণে জট খোলার তোড়জোড়
প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে রাঙামাটিতে প্রতিনিধি দল: ঋতুপর্ণার বাড়ি নির্মাণে জট খোলার তোড়জোড়
দুই বারের সাফ জয়ী নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার ঘর নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতার অবসান ঘটাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক। বর্তমানে সরকারি সফরে তুরস্কে অবস্থান করলেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তিনি সেখান থেকেই একটি প্রতিনিধি দল রাঙামাটিতে পাঠিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে এই প্রতিনিধি দল সরেজমিনে ঋতুপর্ণার বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দীর্ঘ কয়েক বছরেও কেন বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি, তার প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করেন। প্রতিনিধি দলে
থাকা প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সচিব এস এম আশরাফ এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের একজন কর্মকর্তা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠক করেন। এস এম আশরাফ বলেন, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি জানিয়েছেন, 'জেলা প্রশাসন বাড়িটি তৈরি করে দেওয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখলেও জমি বন্দোবস্ত সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি থমকে আছে।' যদিও ২০২৫ সালের মার্চ মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে ঋতুপর্ণা চাকমাকে ১২ শতক খাসজমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এবং ঋতুপর্ণা নিজেও সেই জমি দেখে এসেছিলেন। তবে জানা
যায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না পাওয়ায় তিনি এখনও জমির দখল বুঝে পাননি। পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলটি জানিয়েছে, রাঙামাটি সফরেএ মাধ্যমে প্রাপ্ত সমস্ত তথ্য ও প্রতিবন্ধকতার বিস্তারিত প্রতিবেদন দ্রুততম সময়ের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া হবে। প্রতিমন্ত্রী এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে দেশের এই কৃতি ফুটবলার দ্রুত তার প্রতিশ্রুত সরকারি বাড়ি বুঝে পান। প্রতিমন্ত্রীর এই সরাসরি হস্তক্ষেপ ঋতুপর্ণার পরিবারের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত