সংঘবদ্ধ প্রতারণার মাধ্যমে নিজেদের গার্মেন্টস এক্সেসরিজ বিক্রি করার জন্য অন্য ব্যবসায়ীর সাথে অভিনব পদ্ধতিতে প্রতারণাকারী চক্রের ০১ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ বিভাগের একটি চৌকস দল এলআইসি টিমের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আজ ২৩/১০/২০২৫ খ্রি. তারিখ ভোর ০৩.১০ ঘটিকায় ঢাকা নগরীর মিরপুরের বড়বাগ এলাকা থেকে এই প্রতারককে গ্রেফতার করে।
মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হচ্ছেন- মো. আতিকুল্লাহ (৪৮), পিতা- মৃত শামছুল হক, মাতা- লাইলী খাতুন, সাং- বড়বাগ, মিরপুর, ঢাকা। হাতিরঝিল থানার মামলা নং- ০৫, তারিখ- ০৮/০৭/২০২০, ধারা- ৪০৬/৪২০ /৫০৬, পেনাল কোড এর তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী হিসেবে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলাটির তদন্তকালে জানা যায় যে, ভুক্তভোগী একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। প্রায় ০৫ বছর পূর্বে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে গ্রেফতারকৃত মো. আতিকুল্লাহ (৪৮)সহ ঐ প্রতারক চক্রের আরও কয়েকজনের সাথে বাদীর পরিচয় হয়। প্রতারক চক্র ভিকটিম গার্মেন্টস ব্যবসায়ী্র নিকট কিছু পোশাক প্রস্তুত করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানায়। একই সাথে পোশাক প্রস্তুতির মাঝামাঝি সময়ে মাস্টার এলসি প্রদান করবে মর্মে তারা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। কিন্তু প্রতারক চক্র ভুক্তভোগী গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে এই শর্ত জুড়ে দেয় যে আমরা আপনার নিকট হতে এসব তৈরি পোশাক নিব যদি আপনি আমাদের সুপারিশ করা প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজ ক্রয় করেন। ভিক্টিম নিজের গার্মেন্টস ব্যবসা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে প্রতারকরূপী এসকল ক্রেতার কাজের অর্ডার গ্রহণে সম্মতি জানান। তাদের কথামত প্রতিষ্ঠান হতে নিজ অর্থ খরচ করে প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজ ক্রয় করে ভিক্টিম চাহিদামতো পোশাক তৈরি করেন।
পোশাক তৈরির পর সেগুলো ডেলিভারি দিতে গেলে বাধে মূল বিপত্তি, আর খুঁজে পাওয়া যায়নি তাদের অর্ডার দেওয়া ঐ সকল ক্রেতাদেরকে। সিআইডির তদন্তে উঠে আসে গ্রেফতারকৃত মো. আতিকুল্লাহ (৪৮)সহ প্রতারক চক্রের সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে বাদীকে পোশাক কেনার কথা বলে এবং যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান হতে এক্সেসরিজ ও কাপড় কিনতে বলে মূলত সেগুলো তাদেরই নির্ধারিত লোক। বাদীর কাছ থেকে পোশাক কেনার আড়ালে নিজেদের নির্ধারিত লোকেদের কাছ থেকে নিম্নমানের এক্সেসরিজ ও কাপড় সরবরাহের মাধ্যমে অভিযুক্তরা পরস্পর লাভবান হয়েছিল। পক্ষান্তরে বাদীর তৈরিকৃত পোশাক ডেলিভারি না নেওয়ায় বাদী আর্থিকভাবে অধিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়েন। বাদীর এক্সেসরিজ, কাপড় কেনা এবং পোশাহ তৈরি বাবদ সমস্ত প্রক্রিয়াটিতে ২ লক্ষ ৪০ হাজার ৪৫৪ মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশী মুদ্রায় (তৎকালীন বাজার দর) ২ কোটি ০৪ লক্ষ ৩৮ হাজার ৬৪৬ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হন। বাদী প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে হাতিরঝিল থানায় উক্ত মামলা দায়ের করেন।
মামলা সংক্রান্তে ইতোপূর্বে এজাহারনামীয়সহ মোট ০৩ জনকে গ্রেফতার ও বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সোপর্দকৃতদের ০১ জন বিজ্ঞ আদালতে নিজ দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উক্ত গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত মো. আতিকুল্লাহ (৪৮)সহ পরস্পর যোগসাজশে করে নিজেদের ব্যাংক হিসাবে বাদীর কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার দায় স্বীকার করে।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ ইউনিট পরিচালনা করছে। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন, অপরাপর সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হচ্ছেন- মো. আতিকুল্লাহ (৪৮), পিতা- মৃত শামছুল হক, মাতা- লাইলী খাতুন, সাং- বড়বাগ, মিরপুর, ঢাকা। হাতিরঝিল থানার মামলা নং- ০৫, তারিখ- ০৮/০৭/২০২০, ধারা- ৪০৬/৪২০ /৫০৬, পেনাল কোড এর তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী হিসেবে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলাটির তদন্তকালে জানা যায় যে, ভুক্তভোগী একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। প্রায় ০৫ বছর পূর্বে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে গ্রেফতারকৃত মো. আতিকুল্লাহ (৪৮)সহ ঐ প্রতারক চক্রের আরও কয়েকজনের সাথে বাদীর পরিচয় হয়। প্রতারক চক্র ভিকটিম গার্মেন্টস ব্যবসায়ী্র নিকট কিছু পোশাক প্রস্তুত করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানায়। একই সাথে পোশাক প্রস্তুতির মাঝামাঝি সময়ে মাস্টার এলসি প্রদান করবে মর্মে তারা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। কিন্তু প্রতারক চক্র ভুক্তভোগী গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে এই শর্ত জুড়ে দেয় যে আমরা আপনার নিকট হতে এসব তৈরি পোশাক নিব যদি আপনি আমাদের সুপারিশ করা প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজ ক্রয় করেন। ভিক্টিম নিজের গার্মেন্টস ব্যবসা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে প্রতারকরূপী এসকল ক্রেতার কাজের অর্ডার গ্রহণে সম্মতি জানান। তাদের কথামত প্রতিষ্ঠান হতে নিজ অর্থ খরচ করে প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজ ক্রয় করে ভিক্টিম চাহিদামতো পোশাক তৈরি করেন।
পোশাক তৈরির পর সেগুলো ডেলিভারি দিতে গেলে বাধে মূল বিপত্তি, আর খুঁজে পাওয়া যায়নি তাদের অর্ডার দেওয়া ঐ সকল ক্রেতাদেরকে। সিআইডির তদন্তে উঠে আসে গ্রেফতারকৃত মো. আতিকুল্লাহ (৪৮)সহ প্রতারক চক্রের সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে বাদীকে পোশাক কেনার কথা বলে এবং যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান হতে এক্সেসরিজ ও কাপড় কিনতে বলে মূলত সেগুলো তাদেরই নির্ধারিত লোক। বাদীর কাছ থেকে পোশাক কেনার আড়ালে নিজেদের নির্ধারিত লোকেদের কাছ থেকে নিম্নমানের এক্সেসরিজ ও কাপড় সরবরাহের মাধ্যমে অভিযুক্তরা পরস্পর লাভবান হয়েছিল। পক্ষান্তরে বাদীর তৈরিকৃত পোশাক ডেলিভারি না নেওয়ায় বাদী আর্থিকভাবে অধিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়েন। বাদীর এক্সেসরিজ, কাপড় কেনা এবং পোশাহ তৈরি বাবদ সমস্ত প্রক্রিয়াটিতে ২ লক্ষ ৪০ হাজার ৪৫৪ মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশী মুদ্রায় (তৎকালীন বাজার দর) ২ কোটি ০৪ লক্ষ ৩৮ হাজার ৬৪৬ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হন। বাদী প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে হাতিরঝিল থানায় উক্ত মামলা দায়ের করেন।
মামলা সংক্রান্তে ইতোপূর্বে এজাহারনামীয়সহ মোট ০৩ জনকে গ্রেফতার ও বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সোপর্দকৃতদের ০১ জন বিজ্ঞ আদালতে নিজ দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উক্ত গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত মো. আতিকুল্লাহ (৪৮)সহ পরস্পর যোগসাজশে করে নিজেদের ব্যাংক হিসাবে বাদীর কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার দায় স্বীকার করে।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ ইউনিট পরিচালনা করছে। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন, অপরাপর সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব