হেলাল শেখঃ সাভারের নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় ওভারব্রিজের নিচে রাস্তা দখল করে বাজার বসানো ও ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এতে করে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে প্রতিদিন তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রী, শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওভারব্রিজের নিচের জায়গা ও সড়কের একাংশ দখল করে অস্থায়ী দোকানপাট বসানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং) সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, একটি চক্র নিয়মিতভাবে দোকানপ্রতি দৈনিক ও সাপ্তাহিক হারে টাকা আদায় করছে। নির্ধারিত জায়গা না থাকায় দোকানগুলো সড়কের ওপর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে,ফলে যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বিশেষ করে সকাল ও বিকেলের ব্যস্ত সময়ে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট লেগে থাকে। আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল হওয়ায় প্রতিদিন হাজারো শ্রমিক, গার্মেন্টস কর্মী ও পরিবহনচালক এ সড়ক ব্যবহার করেন। বাজারের কারণে সড়ক সংকুচিত হয়ে পড়ায় অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দোকানি জানান,তারা নিয়মিত চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। চাঁদা না দিলে দোকান বসাতে দেওয়া হয় না বা বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। তবে অভিযুক্তদের পরিচয় প্রকাশে তারা ভয়ে মুখ খুলতে চাননি।
সচেতন মহল বলছেন, মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাভার থেকে জিরানী পর্যন্ত অবৈধ বাজার ও দোকান বসানো শুধু যানজটই নয়, বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান ও চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে দ্রুত অভিযান চালাবেন বলে জানান, হাইওয়ে থানা ও আশুলিয়া থানা পুলিশ।
নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক দখল করে বাজার লাগিয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ-যানজটে বাড়ছে জনদুর্ভোগ
নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক দখল করে বাজার লাগিয়ে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ-যানজটে বাড়ছে জনদুর্ভোগ
হেলাল শেখঃ সাভারের নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় ওভারব্রিজের নিচে রাস্তা দখল করে বাজার বসানো ও ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এতে করে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে প্রতিদিন তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রী, শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওভারব্রিজের নিচের জায়গা ও সড়কের একাংশ দখল করে অস্থায়ী দোকানপাট বসানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং) সকালে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, একটি চক্র নিয়মিতভাবে দোকানপ্রতি দৈনিক ও সাপ্তাহিক
হারে টাকা আদায় করছে। নির্ধারিত জায়গা না থাকায় দোকানগুলো সড়কের ওপর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে,ফলে যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে সকাল ও বিকেলের ব্যস্ত সময়ে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট লেগে থাকে। আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল হওয়ায় প্রতিদিন হাজারো শ্রমিক, গার্মেন্টস কর্মী ও পরিবহনচালক এ সড়ক ব্যবহার করেন। বাজারের কারণে সড়ক সংকুচিত হয়ে পড়ায় অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দোকানি জানান,তারা নিয়মিত চাঁদা দিতে বাধ্য
হচ্ছেন। চাঁদা না দিলে দোকান বসাতে দেওয়া হয় না বা বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। তবে অভিযুক্তদের পরিচয় প্রকাশে তারা ভয়ে মুখ খুলতে চাননি। সচেতন মহল বলছেন, মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাভার থেকে জিরানী পর্যন্ত অবৈধ বাজার ও দোকান বসানো শুধু যানজটই নয়, বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান ও চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে দ্রুত অভিযান চালাবেন বলে জানান, হাইওয়ে থানা ও আশুলিয়া থানা পুলিশ।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত