দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সন্ত্রাস, হত্যা, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে র্যাবের নিরবচ্ছিন্ন অভিযান জনমনে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ সৃষ্টি করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১০ নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানা এলাকায় সংঘটিত একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামি মো: সাব্বির (২৫)’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
২০২১ সালের নভেম্বর মাসে ভিকটিম আশরাফুল ইসলাম @ শাকিল (৩৩) নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন কাঁচপুর সেনপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে আসামি মো: সাব্বির (২৫)’সহ অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে বসবাস করতেন। গত ২১/১১/২০২১ তারিখ রাত আনুমানিক ০৩.০০ ঘটিকায় ভিকটিম তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কথা শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ভিকটিমের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব না হওয়ায় স্বজনরা উক্ত ভাড়া বাড়িতে গিয়ে তার কক্ষটি তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরে তালা খুলে কক্ষে প্রবেশ করে বিছানার উপর চাদর মোড়ানো অবস্থায় ভিকটিমের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, আসামি মো: সাব্বির (২০)’সহ অপরাপর আসামিগণ পূর্ব শত্রুতার জেরে ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে ২১/১১/২০২১ তারিখ রাত ০৪.০০ ঘটিকা থেকে ২২/১১/২০২১ তারিখ সকাল ১১.৪৫ ঘটিকার মধ্যে যেকোনো সময়ে ভিকটিম আশরাফুল ইসলাম @ শাকিল (৩৩)’কে হত্যা করে।
২০২১ সালের নভেম্বর মাসে সংঘটিত উক্ত হত্যাকান্ডের ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং- ২৫, তারিখ- ২৩/১১/২০২১ খ্রি., ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০। মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে তদন্তাধীন থাকলেও আসামিগণ আত্মগোপনে থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে চলছিল। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের প্রেক্ষিতে র্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অদ্য ২৯/১২/২০২৫ তারিখ দুপুর ১৩.০০ ঘটিকার সময় ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন শুভাঢ্যা এলাকা থেকে বর্ণিত হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো: সাব্বির (২৫), পিতা- মো: হারুন, সাং- করিমুল্লাবাগ, থানা- শ্যামপুর, ডিএমপি, ঢাকা’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। দীর্ঘদিন পরিচয় গোপন করে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকলেও র্যাবের দক্ষ ও ধৈর্যশীল অনুসন্ধানে তাকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অপরাধীকে আইনের মুখোমুখি করার এই সাফল্য প্রমাণ করে অপরাধ করে কেউই আইনের হাত থেকে চিরদিন পালিয়ে থাকতে পারে না। র্যাব-১০ এর এই সফল অভিযান দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীর অঙ্গীকার, দক্ষতা ও জননিরাপত্তার প্রতি দায়বদ্ধতার আরেকটি শক্ত প্রমাণ।
২০২১ সালের নভেম্বর মাসে ভিকটিম আশরাফুল ইসলাম @ শাকিল (৩৩) নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানাধীন কাঁচপুর সেনপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে আসামি মো: সাব্বির (২৫)’সহ অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে বসবাস করতেন। গত ২১/১১/২০২১ তারিখ রাত আনুমানিক ০৩.০০ ঘটিকায় ভিকটিম তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কথা শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ভিকটিমের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে এবং তার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব না হওয়ায় স্বজনরা উক্ত ভাড়া বাড়িতে গিয়ে তার কক্ষটি তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরে তালা খুলে কক্ষে প্রবেশ করে বিছানার উপর চাদর মোড়ানো অবস্থায় ভিকটিমের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, আসামি মো: সাব্বির (২০)’সহ অপরাপর আসামিগণ পূর্ব শত্রুতার জেরে ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে ২১/১১/২০২১ তারিখ রাত ০৪.০০ ঘটিকা থেকে ২২/১১/২০২১ তারিখ সকাল ১১.৪৫ ঘটিকার মধ্যে যেকোনো সময়ে ভিকটিম আশরাফুল ইসলাম @ শাকিল (৩৩)’কে হত্যা করে।
২০২১ সালের নভেম্বর মাসে সংঘটিত উক্ত হত্যাকান্ডের ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং- ২৫, তারিখ- ২৩/১১/২০২১ খ্রি., ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০। মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে তদন্তাধীন থাকলেও আসামিগণ আত্মগোপনে থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে চলছিল। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের প্রেক্ষিতে র্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অদ্য ২৯/১২/২০২৫ তারিখ দুপুর ১৩.০০ ঘটিকার সময় ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন শুভাঢ্যা এলাকা থেকে বর্ণিত হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো: সাব্বির (২৫), পিতা- মো: হারুন, সাং- করিমুল্লাবাগ, থানা- শ্যামপুর, ডিএমপি, ঢাকা’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। দীর্ঘদিন পরিচয় গোপন করে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকলেও র্যাবের দক্ষ ও ধৈর্যশীল অনুসন্ধানে তাকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অপরাধীকে আইনের মুখোমুখি করার এই সাফল্য প্রমাণ করে অপরাধ করে কেউই আইনের হাত থেকে চিরদিন পালিয়ে থাকতে পারে না। র্যাব-১০ এর এই সফল অভিযান দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীর অঙ্গীকার, দক্ষতা ও জননিরাপত্তার প্রতি দায়বদ্ধতার আরেকটি শক্ত প্রমাণ।