মোংলা নৌ-বাহিনীর হাতে আটক ভারতীয় জেলেদের বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে মোংলা থানা পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ১৫ জুলাই দুপুর আড়াইটার দিকে আটক ট্রলার ও জেলেদের নামে ১৯৮৩ সালের সমুদ্রে সীমা লঙ্ঘন ও সামুদ্রীক মৎস্য অধ্যাদেশের ২২ ধারায় পৃথক দুইটি মামলা দায়েরের পর তাদের বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরের গভীরে মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে নৌবাহিনীর নিয়মিত টহলদানকালে “সমুদ্রে নৌবাহিনীর জাহাজে থাকা নৌসেনারা এ সকল জেলেদের ধাওয়া করে ফিশিং ট্রলারসহ আটক করে সোমবার রাতে মোংলা থানায় হস্তান্তর করে।
মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনিসুর রহমান জানান, ইলিশ প্রজনন মৌসুম থাকায় সাগর ও সমুদ্রে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠে ভারতীয় জেলেরা। তারা বাংলাদেশী সীমানায় এসে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ লুট করে নিয়ে যায়।
আর এসময় দেশীয় জেলেরা মাছ ধরতে গেলে তারা মাছ না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হয়। আর এ সুযোগে ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের সীমানায় এসে মাছগুলো লুট করে নিয়ে যায়।
এ মৌসুমের প্রথম সোমবার রাতে নৌবাহিনীর সদস্যরা টহলরত জাহাজে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়ার আনুমানিক ৭৫ নটিক্যাল মাইল দুরে দেশীয় জলসীমার উত্তর পশ্চিম কোন এলাকায় নৌ-বাহিনী টহলদানকালে বেশ কয়েকটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলার বাংলাদেশের সিমানায় প্রবেশ করে মাছ শিকার করতে দেখতে পায়।
এসময় বাংলাদেশের সীমানায় টহলরত মোংলা দ্বিগরাজের নৌ-কন্টিজেন্ট’র নৌ-সেনারা তাদের ধাওয়া করে আটক করতে গেলে ট্রলার ও জাল নিয়ে দ্রæত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের সীমানায় যাওয়ার আগেই পিছন থেকে “এফবি ঝড়” ও “এফবি মঙ্গল চন্ডি-৩৮” নামের ভারতীয় দুইটি ফিশিং ট্রলার ও ৩৪ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করে।
এদিন রাতেই ২টি ফিশিং ট্রলারসহ ৩৪ জেলেকে মোংলা থানায় হস্তান্তর করলে মঙ্গলবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়। আটক এ সকল জেলেদের বাড়ী ভারতের দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলার কাকদীপসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত তিন বছরে মৎস্য প্রজনন মৌসুমে মোট ১৭টি ফিশিং ট্রলারসহ ২২৬ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। তবে আটক এসকল জেলেদের ভারতীয় সরকারের সহায়তায় সকলেই জামিনে মুক্তি পেয়ে স্বদেশে চলে গেছে বলে জানায় পুলিশের এ কর্মকর্তা।
ওসি মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, সোমবার রাতে ভারতীয় জেলেদের মোংলা থানায় হস্তান্তর করে নৌবাহিনী। পরে মামলা দায়ের শেষে মঙ্গলবার দুপুরের পর তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভারতীয় দুইটি ট্রলার পুলিশের হেফজতে রয়েছে। যখন তারা জেল থেকে ছাড়া পাবে, তখন তাদের সকল মালামাল ও আসবাবপত্র সব কিছুই তাদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
মোংলায় নৌবাহিনীর হাতে আটক ৩৪ ভারতীয় জেলেকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে
মোংলায় নৌবাহিনীর হাতে আটক ৩৪ ভারতীয় জেলেকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে
মোংলা নৌ-বাহিনীর হাতে আটক ভারতীয় জেলেদের বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে মোংলা থানা পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ১৫ জুলাই দুপুর আড়াইটার দিকে আটক ট্রলার ও জেলেদের নামে ১৯৮৩ সালের সমুদ্রে সীমা লঙ্ঘন ও সামুদ্রীক মৎস্য অধ্যাদেশের ২২ ধারায় পৃথক দুইটি মামলা দায়েরের পর তাদের বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের গভীরে মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে নৌবাহিনীর নিয়মিত টহলদানকালে “সমুদ্রে নৌবাহিনীর জাহাজে থাকা নৌসেনারা এ সকল জেলেদের ধাওয়া করে ফিশিং ট্রলারসহ আটক করে সোমবার রাতে মোংলা থানায় হস্তান্তর করে।মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনিসুর রহমান জানান, ইলিশ প্রজনন মৌসুম থাকায় সাগর ও সমুদ্রে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠে ভারতীয় জেলেরা। তারা বাংলাদেশী সীমানায় এসে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ লুট করে নিয়ে যায়। আর এসময় দেশীয় জেলেরা মাছ ধরতে
গেলে তারা মাছ না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হয়। আর এ সুযোগে ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের সীমানায় এসে মাছগুলো লুট করে নিয়ে যায়।এ মৌসুমের প্রথম সোমবার রাতে নৌবাহিনীর সদস্যরা টহলরত জাহাজে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়ার আনুমানিক ৭৫ নটিক্যাল মাইল দুরে দেশীয় জলসীমার উত্তর পশ্চিম কোন এলাকায় নৌ-বাহিনী টহলদানকালে বেশ কয়েকটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলার বাংলাদেশের সিমানায় প্রবেশ করে মাছ শিকার করতে দেখতে পায়। এসময় বাংলাদেশের সীমানায় টহলরত মোংলা দ্বিগরাজের নৌ-কন্টিজেন্ট’র নৌ-সেনারা তাদের ধাওয়া করে আটক করতে গেলে ট্রলার ও জাল নিয়ে দ্রæত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের সীমানায় যাওয়ার আগেই পিছন থেকে “এফবি ঝড়” ও “এফবি মঙ্গল চন্ডি-৩৮” নামের ভারতীয় দুইটি ফিশিং ট্রলার ও ৩৪ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করে। এদিন রাতেই ২টি ফিশিং ট্রলারসহ ৩৪ জেলেকে মোংলা থানায় হস্তান্তর করলে
মঙ্গলবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়। আটক এ সকল জেলেদের বাড়ী ভারতের দক্ষিন চব্বিশ পরগনা জেলার কাকদীপসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, গত তিন বছরে মৎস্য প্রজনন মৌসুমে মোট ১৭টি ফিশিং ট্রলারসহ ২২৬ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। তবে আটক এসকল জেলেদের ভারতীয় সরকারের সহায়তায় সকলেই জামিনে মুক্তি পেয়ে স্বদেশে চলে গেছে বলে জানায় পুলিশের এ কর্মকর্তা।ওসি মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, সোমবার রাতে ভারতীয় জেলেদের মোংলা থানায় হস্তান্তর করে নৌবাহিনী। পরে মামলা দায়ের শেষে মঙ্গলবার দুপুরের পর তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভারতীয় দুইটি ট্রলার পুলিশের হেফজতে রয়েছে। যখন তারা জেল থেকে ছাড়া পাবে, তখন তাদের সকল মালামাল ও আসবাবপত্র সব কিছুই তাদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত