আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, মনোনয়ন প্রক্রিয়া এবং দলীয় জোট গঠন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, বিএনপির সিনিয়র আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এক টেলিভিশন আলোচনায় তিনি দলের অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি, মনোনয়ন বণ্টন এবং নেতাকর্মীদের প্রতিক্রিয়া বিষয়ে খোলামেলা বক্তব্য দেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপি এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট গঠন ও আসন ভাগাভাগি নিয়ে সক্রিয় আলোচনায় আছে। বিশেষ করে গত ১৫ বছর ধরে যারা নানা প্রতিকূল অবস্থায়ও দলের পাশে ছিলেন, তাদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি অগ্রাধিকার পাচ্ছে। নতুন কিছু দলের সঙ্গেও সমঝোতার আলোচনা চলছে। জোটের স্বার্থে কিছু আসনে ছাড় দেওয়া হতে পারে।
তিনি বলেন, বিএনপির এখনো ৬৩টি আসনে মনোনয়ন ঘোষণা বাকি আছে। এই আসনগুলোর বেশিরভাগই জোটের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। আমরা এখন এমন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দিচ্ছি, যারা বাস্তবিকভাবে জয়ের সম্ভাবনা রাখেন।
নিজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার মনোনয়নও আপাতত স্থগিত আছে, এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি।
দলের কিছু কর্মী মনোনয়ন না পেয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ, টায়ার পুড়িয়ে প্রতিবাদ করছেন এ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন,এটি খুব স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। এত বড় একটি দলে প্রতিটি আসনে গড়ে তিন-চারজন বা কখনো দশজন পর্যন্ত মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকেন। সেখানে সবাইকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি মনে করেন, এই ধরনের ক্ষোভ বা হতাশা আবেগজনিত, এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
রুমিন জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রার্থীদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন এবং মনোনয়ন বণ্টনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেছেন।
তিনি বলেন, ৩০০ আসনের মধ্যে কেবল ৩০০ জনকেই মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব। যারা এবার মনোনয়ন পাননি, ভবিষ্যতে তাদের অন্য দায়িত্ব বা সুযোগ দেওয়া হতে পারে।
মনোনয়ন না পাওয়া নেতাকর্মীদের আবেগের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, “নেতাকর্মীদের ত্যাগ, শ্রম ও ভালোবাসার ফলেই একজন প্রার্থী হিসেবে কেউ সামনে আসতে পারেন। তাই তাঁদের মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক, আর এই আবেগকেও সম্মান করা উচিত।
স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড়ানোর প্রবণতা ঠেকানো সম্ভব হবে কিনা, এমন প্রশ্নে রুমিন বলেন,এখনই কিছু বলা কঠিন। কারণ, ৬৩টি আসনের মনোনয়ন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দলের মহাসচিবও বলেছেন, প্রাথমিক তালিকা পরিবর্তন হতে পারে— নতুন কেউ যুক্ত হতে পারেন, কেউ বাদও পড়তে পারেন।
নারী প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ে আলোচনায় রুমিন ফারহানা বলেন, “বিএনপি যদি ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দেওয়ার নীতি মেনে চলে, তবে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯–১০ জন নারী মনোনয়ন পেয়েছেন। অর্থাৎ আরও ৪–৫টি আসনে নারী প্রার্থীর সুযোগ আছে, সেটি মাথায় রাখতে হবে।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির জটিলতা। তিনি নেতাকর্মীদের আবেগকে সম্মান জানিয়ে বলেন, শেষ পর্যন্ত সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে দলীয় লক্ষ্যে পৌঁছাতে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপি এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট গঠন ও আসন ভাগাভাগি নিয়ে সক্রিয় আলোচনায় আছে। বিশেষ করে গত ১৫ বছর ধরে যারা নানা প্রতিকূল অবস্থায়ও দলের পাশে ছিলেন, তাদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি অগ্রাধিকার পাচ্ছে। নতুন কিছু দলের সঙ্গেও সমঝোতার আলোচনা চলছে। জোটের স্বার্থে কিছু আসনে ছাড় দেওয়া হতে পারে।
তিনি বলেন, বিএনপির এখনো ৬৩টি আসনে মনোনয়ন ঘোষণা বাকি আছে। এই আসনগুলোর বেশিরভাগই জোটের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। আমরা এখন এমন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দিচ্ছি, যারা বাস্তবিকভাবে জয়ের সম্ভাবনা রাখেন।
নিজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার মনোনয়নও আপাতত স্থগিত আছে, এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি।
দলের কিছু কর্মী মনোনয়ন না পেয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ, টায়ার পুড়িয়ে প্রতিবাদ করছেন এ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন,এটি খুব স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। এত বড় একটি দলে প্রতিটি আসনে গড়ে তিন-চারজন বা কখনো দশজন পর্যন্ত মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকেন। সেখানে সবাইকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি মনে করেন, এই ধরনের ক্ষোভ বা হতাশা আবেগজনিত, এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
রুমিন জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রার্থীদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন এবং মনোনয়ন বণ্টনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেছেন।
তিনি বলেন, ৩০০ আসনের মধ্যে কেবল ৩০০ জনকেই মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব। যারা এবার মনোনয়ন পাননি, ভবিষ্যতে তাদের অন্য দায়িত্ব বা সুযোগ দেওয়া হতে পারে।
মনোনয়ন না পাওয়া নেতাকর্মীদের আবেগের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, “নেতাকর্মীদের ত্যাগ, শ্রম ও ভালোবাসার ফলেই একজন প্রার্থী হিসেবে কেউ সামনে আসতে পারেন। তাই তাঁদের মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক, আর এই আবেগকেও সম্মান করা উচিত।
স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড়ানোর প্রবণতা ঠেকানো সম্ভব হবে কিনা, এমন প্রশ্নে রুমিন বলেন,এখনই কিছু বলা কঠিন। কারণ, ৬৩টি আসনের মনোনয়ন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দলের মহাসচিবও বলেছেন, প্রাথমিক তালিকা পরিবর্তন হতে পারে— নতুন কেউ যুক্ত হতে পারেন, কেউ বাদও পড়তে পারেন।
নারী প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ে আলোচনায় রুমিন ফারহানা বলেন, “বিএনপি যদি ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দেওয়ার নীতি মেনে চলে, তবে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯–১০ জন নারী মনোনয়ন পেয়েছেন। অর্থাৎ আরও ৪–৫টি আসনে নারী প্রার্থীর সুযোগ আছে, সেটি মাথায় রাখতে হবে।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির জটিলতা। তিনি নেতাকর্মীদের আবেগকে সম্মান জানিয়ে বলেন, শেষ পর্যন্ত সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে দলীয় লক্ষ্যে পৌঁছাতে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব