কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেছেন কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শতভাগ রাজনীতিমুক্ত হবে। ‘দেশের সব কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে। যারাই কৃষি পণ্য উৎপাদন করবেন, তারাই কৃষক হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারবেন। প্রাক পাইলটিং পর্যায়ে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে নগদ সুবিধা দেওয়া হবে।’
রোববার (১২ অক্টোবর) কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। প্রথম পর্যায়ে ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষককে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।’
আমিন উর রশিদ বলেন, ‘কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি, সরকারি প্রণোদনা, মোবাইলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, কৃষি বিমা, ন্যায্য মূল্যে কৃষি পণ্য ক্রয়ের সুবিধা পাবেন।’
তিনি বলেন, ‘জমির মালিকানা অনুযায়ী কৃষকদেরকে ভূমিহীন কৃষক, প্রান্তিক কৃষক, ক্ষুদ্র কৃষক, মাঝারি কৃষক এবং বড় কৃষক--এই পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। কৃষি কার্ডের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, কৃষকদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং কৃষিখাতের ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।’
কৃষক কার্ড কর্মসূচি শতভাগ রাজনীতিমুক্ত: কৃষিমন্ত্রী
কৃষক কার্ড কর্মসূচি শতভাগ রাজনীতিমুক্ত: কৃষিমন্ত্রী
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেছেন কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শতভাগ রাজনীতিমুক্ত হবে। ‘দেশের সব কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে। যারাই কৃষি পণ্য উৎপাদন করবেন, তারাই কৃষক হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারবেন। প্রাক পাইলটিং পর্যায়ে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে নগদ সুবিধা দেওয়া হবে।’ রোববার (১২ অক্টোবর) কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির
উদ্বোধন উপলক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। প্রথম পর্যায়ে ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষককে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।’ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি, সরকারি প্রণোদনা,
মোবাইলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, কৃষি বিমা, ন্যায্য মূল্যে কৃষি পণ্য ক্রয়ের সুবিধা পাবেন।’ তিনি বলেন, ‘জমির মালিকানা অনুযায়ী কৃষকদেরকে ভূমিহীন কৃষক, প্রান্তিক কৃষক, ক্ষুদ্র কৃষক, মাঝারি কৃষক এবং বড় কৃষক--এই পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। কৃষি কার্ডের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, কৃষকদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং কৃষিখাতের ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।’
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত