খুলনার ডুমুরিয়া সাহস নোয়াকাটি এলাকায় জালিয়াতি ও ভূয়া স্কেসম্যাপ এর মাধ্যমে অন্যের জমি দখল করে নেওয়ার কারণে জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
খুলনা ডুমুরিয়ায় সাহস নোয়াকাটি এলাকায় সরকারি বন্দোবস্তো পাওয়া এক অসহায় পরিবারের সম্পত্তি প্রতারক ও জালজালিয়াত কারী এক ভূমিদস্যু কর্তৃক ভুয়া স্কেসম্যাপ এর মাধ্যমে জমি জবর দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয় ডুমুরিয়ার নোয়াকাটি গ্রামের মৃত্যু আলাউদ্দিন ফকিরের পুত্র এ্যাড,শামিম হাসান বাদী হয়ে ডুমুরিয়া অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। সি. আর /২৬ ডুমুরিয়া।
তারিখ ০৪/০১/০২৬। মামলার আসামিরা হলেন ডুমুরিয়া উপজেলার নোয়াকাটি পুবালি এলাকার মৃত্যু এন্তাজ আলীর পুত্র খান নুরুল ইসলাম,আঃ রাজ্জাক খান, মোজাফফর খান,শহিদুল খান,সেলিম খান,কামরুল খান, কওছার খান,সামছুর খান,মফিজুল খান ও হাফিজুল খান।
মামলার বিবরনে জানাগেছে,বাদীর মাতা রিজিয়া খাতুন এবং ভ্রাতা সুফিয়ান ফকির একত্রে ১৯৯৪ সালে ১০৮১/৯৩-৯৪ নং রেষ্ট্রি দলিল বুনিয়াদে সাহস মৌজার ১/১৪৭৬ নং খতিয়ানে ৩৮২৬/৩৮৯২ নং দাগের ০,২৫ শতক চরভাটি জমি এবং নোয়াকাটি মৌজার ১/৩২৩ নং খতিয়ানে এস এ দাগ নং ৬৬১/১০৮০ হতে ০,৭০ শতক জমি।
সর্বমোট ০,৯৫ শতক জমি প্রাপ্ত হইয়া ১৪৩ ও ১১৭ ধারার বিধান মতে সাহস মৌজার ০,২৫ শতক জমি ২০১০-১১ সালে ৩১৮১ নং নামপত্তন কেসের মাধ্যমে ১/১৪৭৬ খতিয়ান খোলেন।
এ্যাডঃ শামীম হাচান মামলায় উল্লেখ করেন. বাদীপক্ষের মন্দোবাস্তের অপর নোয়াকাটি মৌজার.৭০ একর সম্পত্তি ভূমিদস্যু আসামীগনের মধ্যে -০১ নং খান নুরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ও কুপ্ররোচনায় এবং অর্থের অভাবে প্রভাবিত হইয়া অন্যান্য আসামিগণ সক্রিয় সহযোগিতায় স্কেসম্যাপ ও প্রতারণার মাধ্যমে বাদির মাতা এবং ত্রাতার নামিয় অর্থাৎ তফসিল বর্ণিত নালিশি জমি পদ্মার আড়াল থেকে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে আসামিরা বন্দোবস্ত প্রাপ্তর হয়।
উক্ত এলাকার কতিপয় বাসিন্দা প্রতারক চক্র ও ভূমিদস্যদের কারণে মামলার বাদির পরিবার পরিজন নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছেন মামলার বাদি বলেন. ভূমিদস্যু গংরা যেকোনো সময় আমাদের উপরে হামলা করতে পারে বলে আমরা আতঙ্ক বিরাজ করছি।
উক্ত ভূমিদস্যুরা সাহস নোয়াকাটি এলাকার যেকোনো সরকারি খাস জায়গা জমির সন্ধান পায় সেখানেই তারা ভূয়া স্কেসম্যাপ করে দলবদ্ধভাবে জমি দখলের চেষ্টা চালায়।
ভূমিদস্য ও জবর দখলকারী আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না।
এলাকার কতিপয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায় উক্ত ভূমিদস্যুরা অনেক শক্তিশালী টাকা পয়সার মাধ্যমে জমি জায়গার কাগজপত্র জাল জালিয়াতি করতে তারা সক্ষম হয় এবং সরকারি ভাবে ভূমিহীনদের দেওয়া জায়গা ভুয়া স্কেসম্যাপ ও কাগজপত্রের মাধ্যমে দখল করে নিয়েছে বলে অনেক অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
ভূমিদস্যু ও দখল বাজদের গ্রেফতার করে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।
খুলনা ডুমুরিয়ায় সাহস নোয়াকাটি এলাকায় সরকারি বন্দোবস্তো পাওয়া এক অসহায় পরিবারের সম্পত্তি প্রতারক ও জালজালিয়াত কারী এক ভূমিদস্যু কর্তৃক ভুয়া স্কেসম্যাপ এর মাধ্যমে জমি জবর দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয় ডুমুরিয়ার নোয়াকাটি গ্রামের মৃত্যু আলাউদ্দিন ফকিরের পুত্র এ্যাড,শামিম হাসান বাদী হয়ে ডুমুরিয়া অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। সি. আর /২৬ ডুমুরিয়া।
তারিখ ০৪/০১/০২৬। মামলার আসামিরা হলেন ডুমুরিয়া উপজেলার নোয়াকাটি পুবালি এলাকার মৃত্যু এন্তাজ আলীর পুত্র খান নুরুল ইসলাম,আঃ রাজ্জাক খান, মোজাফফর খান,শহিদুল খান,সেলিম খান,কামরুল খান, কওছার খান,সামছুর খান,মফিজুল খান ও হাফিজুল খান।
মামলার বিবরনে জানাগেছে,বাদীর মাতা রিজিয়া খাতুন এবং ভ্রাতা সুফিয়ান ফকির একত্রে ১৯৯৪ সালে ১০৮১/৯৩-৯৪ নং রেষ্ট্রি দলিল বুনিয়াদে সাহস মৌজার ১/১৪৭৬ নং খতিয়ানে ৩৮২৬/৩৮৯২ নং দাগের ০,২৫ শতক চরভাটি জমি এবং নোয়াকাটি মৌজার ১/৩২৩ নং খতিয়ানে এস এ দাগ নং ৬৬১/১০৮০ হতে ০,৭০ শতক জমি।
সর্বমোট ০,৯৫ শতক জমি প্রাপ্ত হইয়া ১৪৩ ও ১১৭ ধারার বিধান মতে সাহস মৌজার ০,২৫ শতক জমি ২০১০-১১ সালে ৩১৮১ নং নামপত্তন কেসের মাধ্যমে ১/১৪৭৬ খতিয়ান খোলেন।
এ্যাডঃ শামীম হাচান মামলায় উল্লেখ করেন. বাদীপক্ষের মন্দোবাস্তের অপর নোয়াকাটি মৌজার.৭০ একর সম্পত্তি ভূমিদস্যু আসামীগনের মধ্যে -০১ নং খান নুরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ও কুপ্ররোচনায় এবং অর্থের অভাবে প্রভাবিত হইয়া অন্যান্য আসামিগণ সক্রিয় সহযোগিতায় স্কেসম্যাপ ও প্রতারণার মাধ্যমে বাদির মাতা এবং ত্রাতার নামিয় অর্থাৎ তফসিল বর্ণিত নালিশি জমি পদ্মার আড়াল থেকে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে আসামিরা বন্দোবস্ত প্রাপ্তর হয়।
উক্ত এলাকার কতিপয় বাসিন্দা প্রতারক চক্র ও ভূমিদস্যদের কারণে মামলার বাদির পরিবার পরিজন নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছেন মামলার বাদি বলেন. ভূমিদস্যু গংরা যেকোনো সময় আমাদের উপরে হামলা করতে পারে বলে আমরা আতঙ্ক বিরাজ করছি।
উক্ত ভূমিদস্যুরা সাহস নোয়াকাটি এলাকার যেকোনো সরকারি খাস জায়গা জমির সন্ধান পায় সেখানেই তারা ভূয়া স্কেসম্যাপ করে দলবদ্ধভাবে জমি দখলের চেষ্টা চালায়।
ভূমিদস্য ও জবর দখলকারী আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ার কারণে তাদের ভয়ে সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না।
এলাকার কতিপয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায় উক্ত ভূমিদস্যুরা অনেক শক্তিশালী টাকা পয়সার মাধ্যমে জমি জায়গার কাগজপত্র জাল জালিয়াতি করতে তারা সক্ষম হয় এবং সরকারি ভাবে ভূমিহীনদের দেওয়া জায়গা ভুয়া স্কেসম্যাপ ও কাগজপত্রের মাধ্যমে দখল করে নিয়েছে বলে অনেক অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
ভূমিদস্যু ও দখল বাজদের গ্রেফতার করে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।