বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের ৫ম কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নতুন ফোন কেনার সময় যে দরকারি ফিচারগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায় ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ পৈত্রিক সম্পত্তির ‘সবুজ বাংলা মৎস্য খামারে’ চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ব্যবসায়ী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য খুলনায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: প্রথম রাতেই গ্রেপ্তার ৭ আলোচিত ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, আদালতে আনা হয়েছে আসামিদের নীতিমালা আসছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর জন্য: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
সারাবাংলা খুলনার ডুমুরিয়ায় অতি বৃষ্টি ও জোয়ারে ওঠা পানিতে বয়ারশিং-আঁধারমানিক প্লাবিত হয়েছে
logo

খুলনার ডুমুরিয়ায় অতি বৃষ্টি ও জোয়ারে ওঠা পানিতে বয়ারশিং-আঁধারমানিক প্লাবিত হয়েছে

খুলনার ডুমুরিয়ায় টানা কয়েক দিনের অতিবৃষ্টি ও জোয়ারে ওঠা পানিতে ফের প্লাবন দেখা দিয়েছে বয়ারশিং ও আঁধারমানিক গ্রাম। পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে গ্রামের রাস্তাঘাট, বসত বাড়িঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ কয়েক হাজার মাছের ঘের। গত কয়েক বছর যাবত বর্ষা মৌসুমে এ ধরনের ভাগান্তিতে পড়ে আসছে দুই গ্রামের অন্তত ৪শ’ পরিবার। 

জলাবদ্ধতা নিরসনে আঁধারমানিক এলাকায় অতিদ্রুত একটি স্লুইসগেট নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড আওতাধীন আঁধারমানিক ও বয়ারশিং গ্রাম দুইটি। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে এলাকায় সামান্য বৃষ্টির পানিতে নিমজ্জিত হয়। 

এলাকায় প্রায় ১ হাজার একর জমি রয়েছে। যেখানে বসতি, ফসলি জমি ও মাছের ঘের। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের ভালো ব্যবস্থা না থাকার কারণে প্রতিবার  ভোগান্তিতে পড়তে হয় এলাকার মানুষের। একদিকে বৃষ্টির পানি অন্যদিকে অবৈধ ভাবে উঠানো নদীর  জোয়ারের পানিতে তলিয়ে একাকার হয়ে গেছে এ অঞ্চলের বিস্তির্ণ এলাকা। 

আঁধারমানিক একেবিকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়টিও পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। বয়ারশিং গ্রামের সরোজ মন্ডল জানান, একদিকে টানা বৃষ্টি, অন্যদিকে সুন্দরবুনিয়া ও খলশীবুনিয়া এলাকার কিছু অসাধু ঘের ব্যবসায়ী তাদের মাছ চাষের সুবিধার্থে বিলে জোয়ারের পানি ঢুকায়।

 যার কারণ ব্যাপকভাবে প্লাবন দেখা দিয়েছে। ওই এলাকার শ্যামল মন্ডল জানান, পানিতে তলিয়ে তাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানির চাপে এলজিইডি কর্তৃক সদ্য নির্মাণাধীন রাস্তার এক জায়গায় ভেঙে গেছে। এতে সর্বসাধারণের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ।   

উপজেলা প্রকৌশলী মােহাম্মদ দারুল হুদা জানান, রাস্তাটি উঁচু না করলে ঠিক হবে না। আগামী শুকনা মৌসুমে দেখা হবে রাস্তার যা ডিজাইন রয়েছে সে অনুযায়ী কাজ হয়েছে কিনা। নিয়মের কোন প্রকার ব্যত্যায় ঘটলে ঠিকাদারকে নিজ খরচে উঁচু করে কাজ করতে হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন জানান, পানি নিষ্কাশনের সু-ব্যবস্থা না থাকায় অঞ্চলটি সামান্য বৃষ্টিতই প্লাবিত হয়। তালতলা রেগুলেটরের মুখে পলি ভরাট হওয়ার কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। আপদকালীন সময় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য আঁধারমানিক ওয়াপদায় পাইপ বসানো সম্পন্ন করা হয়েছে। 
এখান দিয়ে পানি নিষ্কাশন হলে আশাকরি দুই-একদিনের মধ্যই পানি কিছুটা হলেও কমবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন গতকাল শুক্রবার ১১ জুলাই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন অতি দ্রুত গেটের মুখের পলি অপসারণর করার জন্য। আর যারা মাছ চাষের সুবিধার্থে জোয়ারের পানি বিলে ঢুকিয়েছে তাদেরকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব

খুঁজুন