খুলনা নগরীর ৩১ নং ওয়ার্ড লবনচরা শিপইয়ার্ড মেইন রোড সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মোঃ মানজারুল ইসলাম কাজী. পিতা মৃত হাবিবুর রহমান কাজী।
গত আনুমানিক ০৭ মাস পূর্বে জনৈক রঞ্জিতা ঘোষ ও রুদ্র প্রতাপ ঘোষদদ্বয়ের নিকট থেকে দক্ষিণ লবনচরা মাথাভাঙ্গা মদিনা পাড়া শেখ তাইজুল ইসলাম সড়ক সংলগ্নে জমি জায়গা ক্রয় করেন মোঃ মানজারুল ইসলাম।
জার. আর এস খতিয়ান ৮১ও ২৪. আর এস দাগ ৩০১২. ৩১০০. ৩০২১. ৩০১০. ৩০১১. ২৯৮১. ৩০২৭. ২৯৭৯ দাগের সর্বমোট ৪২ শতাংশ জায়গা সম্পত্তি ক্রয় করি।
উক্ত জমি ক্রয়ের পর থেকে আমি সম্পত্তি শান্তি পূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছি। গত ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে সকাল আনুমানিক ০৯ টার সময় মাথাভাঙ্গা ক্রাইকৃত সম্পত্তিতে গিয়ে দেখি আমার দেওয়া সাইনবোর্ড নেই।
অনেক খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়. মোঃ হাসান পিতা মৃত নুরুল ইসলাম আমার জমির সাইনবোর্ড সরিয়ে তাদের একটা সাইনবোর্ড সেখানে লাগিয়ে দেয়। পর মুহুর্তে মোঃ হাসানের সাথে দেখা হলে।
সম্পত্তির মালিক মোঃ মানজারুল ইসলাম মোঃ হাসান কে সাইনবোর্ড এর বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে সম্পত্তির মালিকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।
এবং তার লোকজন ডেকে জমির মালিক কে এলোপাতাড়ি ভাবে মারধর করার জন্য উদ্যত হয়।
ক্রয় কৃত সম্পত্তির মালিক মোঃ মানজারুল ইসলাম কে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে মোঃ হাসান এলাকা ত্যাগ করেন।
এমনই অবস্থায় সম্পত্তির মালিক আজ মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারি লবণচরা থানায় মোঃ হাসানের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
পরমুহূর্তে জমির মালিক মোঃ মানজারুল ইসলাম তার ক্রাইকৃত সম্পত্তিতে নিজের নামের আবারও নুতন করে সাইন বোর্ডটি লাগিয়ে দিয়েছেন।
গত আনুমানিক ০৭ মাস পূর্বে জনৈক রঞ্জিতা ঘোষ ও রুদ্র প্রতাপ ঘোষদদ্বয়ের নিকট থেকে দক্ষিণ লবনচরা মাথাভাঙ্গা মদিনা পাড়া শেখ তাইজুল ইসলাম সড়ক সংলগ্নে জমি জায়গা ক্রয় করেন মোঃ মানজারুল ইসলাম।
জার. আর এস খতিয়ান ৮১ও ২৪. আর এস দাগ ৩০১২. ৩১০০. ৩০২১. ৩০১০. ৩০১১. ২৯৮১. ৩০২৭. ২৯৭৯ দাগের সর্বমোট ৪২ শতাংশ জায়গা সম্পত্তি ক্রয় করি।
উক্ত জমি ক্রয়ের পর থেকে আমি সম্পত্তি শান্তি পূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছি। গত ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে সকাল আনুমানিক ০৯ টার সময় মাথাভাঙ্গা ক্রাইকৃত সম্পত্তিতে গিয়ে দেখি আমার দেওয়া সাইনবোর্ড নেই।
অনেক খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়. মোঃ হাসান পিতা মৃত নুরুল ইসলাম আমার জমির সাইনবোর্ড সরিয়ে তাদের একটা সাইনবোর্ড সেখানে লাগিয়ে দেয়। পর মুহুর্তে মোঃ হাসানের সাথে দেখা হলে।
সম্পত্তির মালিক মোঃ মানজারুল ইসলাম মোঃ হাসান কে সাইনবোর্ড এর বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে সম্পত্তির মালিকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।
এবং তার লোকজন ডেকে জমির মালিক কে এলোপাতাড়ি ভাবে মারধর করার জন্য উদ্যত হয়।
ক্রয় কৃত সম্পত্তির মালিক মোঃ মানজারুল ইসলাম কে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে মোঃ হাসান এলাকা ত্যাগ করেন।
এমনই অবস্থায় সম্পত্তির মালিক আজ মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারি লবণচরা থানায় মোঃ হাসানের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
পরমুহূর্তে জমির মালিক মোঃ মানজারুল ইসলাম তার ক্রাইকৃত সম্পত্তিতে নিজের নামের আবারও নুতন করে সাইন বোর্ডটি লাগিয়ে দিয়েছেন।