খুলনা নগরীতে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত চরম আকার ধারণ করেছে। দুপুর থেকে গভীর রাত কিংবা ভোরবেলা, নগরের অলিগলি থেকে প্রধান সড়ক পর্যন্ত এসব কুকুরের অবাধ বিচরণে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন।
গতকাল ৩০ সেপ্টেম্বর নগরীর ৩১ নং ওয়ার্ডের মোক্তার হোসেন রোড এলাকায় একদিনে পাঁচজন মানুষ বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে একটি শিশু কুকুরের কামড়ে মুখমণ্ডলে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আহতদের খুলনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানে প্রতিষেধক টিকার মজুদ নেই বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়। ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারকে টিকা কিনতে বাধ্য হতে হয়েছে। এতে অসচ্ছল মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বেওয়ারিশ কুকুরের অত্যাচারে রাস্তা ঘাট ও হাটবাজার দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল করতে অনেকটা বিপদে পড়েছেন।
নগরবাসী অভিযোগ করে জানান, আগে খুলনা সিটি করপোরেশন বেওয়ারিশ কুকুর নিধনে অভিযান চালালেও বর্তমানে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে এ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে কুকুরের উৎপাত ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "প্রতিনিয়ত মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে, অথচ সিটি করপোরেশন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমরা চাই, কুকুর নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হোক।"
জনগণ কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন, বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রতিষেধক টিকা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
গতকাল ৩০ সেপ্টেম্বর নগরীর ৩১ নং ওয়ার্ডের মোক্তার হোসেন রোড এলাকায় একদিনে পাঁচজন মানুষ বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে একটি শিশু কুকুরের কামড়ে মুখমণ্ডলে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আহতদের খুলনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানে প্রতিষেধক টিকার মজুদ নেই বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়। ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারকে টিকা কিনতে বাধ্য হতে হয়েছে। এতে অসচ্ছল মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বেওয়ারিশ কুকুরের অত্যাচারে রাস্তা ঘাট ও হাটবাজার দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল করতে অনেকটা বিপদে পড়েছেন।
নগরবাসী অভিযোগ করে জানান, আগে খুলনা সিটি করপোরেশন বেওয়ারিশ কুকুর নিধনে অভিযান চালালেও বর্তমানে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে এ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে কুকুরের উৎপাত ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "প্রতিনিয়ত মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে, অথচ সিটি করপোরেশন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমরা চাই, কুকুর নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হোক।"
জনগণ কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন, বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রতিষেধক টিকা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হোক।