খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে মেধা তালিকা থেকে ভর্তি কার্যক্রম আজ সোমবার ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে। সকালে সরেজমিনে ভর্তি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম এবং উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান। এ সময় তাঁরা ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজ নেন।
দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের আন্তরিকতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিমুক্ত পরিবেশ, সেশনজটবিহীন পাঠক্রম এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা শান্ত ক্যাম্পাসের প্রতি আগ্রহের কথা জানান।
খাগড়াছড়ি থেকে আসা অভিভাবক বিক্রম দেওয়ান বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত। একজন অভিভাবক হিসেবে চাই সন্তানরা এমন জায়গায় পড়ুক, যেখানে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা যায়। তিনি আরও বলেন, এখান থেকে পড়াশোনা শেষ করা শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে কাজ করছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মানের প্রমাণ।
ফরিদপুর থেকে আসা অভিভাবক দীপক কুমার ঘোষ বলেন, তাঁর মেয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। শিক্ষার অনুকূল পরিবেশের কারণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম সর্বত্র। ছাত্র রাজনীতি ও সেশনজট না থাকায় মেয়েকে এখানে ভর্তি করে নিশ্চিন্তে বাড়ি ফেরা যাবে বলেও জানান তিনি।
পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশের কথাও উল্লেখ করেন। বগুড়া থেকে সয়েল, ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ভিন্নধর্মী।
শিক্ষকরা পড়াশোনা ও গবেষণায় আন্তরিক। সেশনজট না থাকায় এখানে পড়ার স্বপ্ন অনেকের মতো তাঁরও ছিল, আজ সেই স্বপ্ন বাস্তব হয়েছে।
অর্থনীতি ডিসিপ্লিনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী খুশবু বলেন, নিয়মিত ক্লাস, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং শান্ত পরিবেশের কারণে এখানে পড়াশোনা করে ভালো ফল করা সম্ভব। পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও সহজ হয় বলে তিনি মনে করেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষা বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করলেন
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শিক্ষা বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করলেন
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে মেধা তালিকা থেকে ভর্তি কার্যক্রম আজ সোমবার ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে। সকালে সরেজমিনে ভর্তি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম এবং উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান। এ সময় তাঁরা ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজ নেন।দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের আন্তরিকতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিমুক্ত পরিবেশ, সেশনজটবিহীন পাঠক্রম এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা শান্ত ক্যাম্পাসের
প্রতি আগ্রহের কথা জানান।খাগড়াছড়ি থেকে আসা অভিভাবক বিক্রম দেওয়ান বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত। একজন অভিভাবক হিসেবে চাই সন্তানরা এমন জায়গায় পড়ুক, যেখানে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা যায়। তিনি আরও বলেন, এখান থেকে পড়াশোনা শেষ করা শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে কাজ করছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মানের প্রমাণ।ফরিদপুর থেকে আসা অভিভাবক দীপক কুমার ঘোষ বলেন, তাঁর মেয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। শিক্ষার অনুকূল পরিবেশের কারণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম সর্বত্র। ছাত্র রাজনীতি ও সেশনজট না থাকায় মেয়েকে এখানে ভর্তি করে নিশ্চিন্তে
বাড়ি ফেরা যাবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক পরিবেশের কথাও উল্লেখ করেন। বগুড়া থেকে সয়েল, ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ভিন্নধর্মী। শিক্ষকরা পড়াশোনা ও গবেষণায় আন্তরিক। সেশনজট না থাকায় এখানে পড়ার স্বপ্ন অনেকের মতো তাঁরও ছিল, আজ সেই স্বপ্ন বাস্তব হয়েছে।অর্থনীতি ডিসিপ্লিনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী খুশবু বলেন, নিয়মিত ক্লাস, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং শান্ত পরিবেশের কারণে এখানে পড়াশোনা করে ভালো ফল করা সম্ভব। পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও সহজ হয় বলে তিনি মনে করেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত