রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকার মোহাম্মদবাগে এক নারীর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা গুরুতর অভিযোগ ঘুরপাক খাচ্ছে স্থানীয় মহলে। অভিযোগের তীর উঠেছে মুন্নী আক্তার নামের এক ব্যক্তিকে ঘিরে, যাকে স্থানীয়দের একটি অংশ সাবেক ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী বা “দোসর” হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় এক ধরনের অনানুষ্ঠানিক প্রভাববলয় গড়ে তোলেন মুন্নী আক্তার। সেই প্রভাববলয়ের আড়ালে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, সামাজিকভাবে হেনস্তা এবং কথিত ব্ল্যাকমেইলের মতো কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে। এমন অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।
অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে, সরকারি দলের পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হতো। কেউ প্রতিবাদ করলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ, সামাজিক অপপ্রচার কিংবা প্রশাসনিক হয়রানির ভয় দেখানো। এমন কৌশল নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক ছত্রছায়া কি তাকে আইনের ঊর্ধ্বে থাকার এক অলিখিত লাইসেন্স দিয়েছিল?
এলাকার কয়েকজন প্রবীণ বাসিন্দা দাবি করেন, বিগত সরকারের সময় স্থানীয়ভাবে এক ধরনের “নীরব আতঙ্ক” বিরাজ করত। কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাননি। এখন রাজনৈতিক পালাবদলের পর পুরোনো অভিযোগগুলো সামনে আসতে শুরু করেছে।
মুন্নী আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কদমতলীর মূর্তিমান আতঙ্ক আওয়ামী নেত্রী মুন্নী
কদমতলীর মূর্তিমান আতঙ্ক আওয়ামী নেত্রী মুন্নী
রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকার মোহাম্মদবাগে এক নারীর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা গুরুতর অভিযোগ ঘুরপাক খাচ্ছে স্থানীয় মহলে। অভিযোগের তীর উঠেছে মুন্নী আক্তার নামের এক ব্যক্তিকে ঘিরে, যাকে স্থানীয়দের একটি অংশ সাবেক ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী বা “দোসর” হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় এক ধরনের অনানুষ্ঠানিক প্রভাববলয়
গড়ে তোলেন মুন্নী আক্তার। সেই প্রভাববলয়ের আড়ালে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, সামাজিকভাবে হেনস্তা এবং কথিত ব্ল্যাকমেইলের মতো কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে। এমন অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী। অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে, সরকারি দলের পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হতো। কেউ প্রতিবাদ করলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ, সামাজিক অপপ্রচার কিংবা প্রশাসনিক হয়রানির ভয় দেখানো। এমন কৌশল নেওয়া হয়েছে
বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক ছত্রছায়া কি তাকে আইনের ঊর্ধ্বে থাকার এক অলিখিত লাইসেন্স দিয়েছিল? এলাকার কয়েকজন প্রবীণ বাসিন্দা দাবি করেন, বিগত সরকারের সময় স্থানীয়ভাবে এক ধরনের “নীরব আতঙ্ক” বিরাজ করত। কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাননি। এখন রাজনৈতিক পালাবদলের পর পুরোনো অভিযোগগুলো সামনে আসতে শুরু করেছে। মুন্নী আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত