মাসুম খান ঝালকাঠি: ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে মহিলা মেম্বারের নিকট চাঁদা দাবির প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংরক্ষিত আসনের মহিলা ইউপি সদস্য সায়েমা
আক্তার। ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার ঝালকাঠি কার্যালয়ে চাঁদা দাবী, প্রাণ নাশের হুমকি ধমকি এবং অশ্লীল আচরণের প্রতিকার চেয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি।
সায়েমা আক্তার সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, "১ নং গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বেরমহল গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মুন্সির পুত্র রিয়াজ মুন্সি আমার নিকট ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অকথ্য ভাষায় গালাগালী করে, স্থায়ী ভাবে কাজ বন্ধ করে
দেওয়া ও আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় ।২ দিন পর আমার স্বামী মোঃ সুজনকে কাজের সাইডে বসে মিস্ত্রীদের সামনে চাঁদার টাকার জন্য মারধর করে। তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াছুল আমিন জামাল সহ স্থানীয়দের
সহযোগীতায় সে প্রাণে বেঁচে যায়। অভিযুক্ত রিয়াজ মুন্সি পেশায় পরিবার পরিকল্পনা অফিসের একজন সরকারী কর্মচারী। আমার প্রশ্ন সে সরকারি চাকরি করে কিভাবে রাজনীতি ও ঠিকাদারি করে।
অভিযুক্ত রিয়াজ মুন্সি মুঠো ফোনে জানান, "সায়েমা আক্তারের স্বামী আওয়ামীলীগ করেছে, তাকে মারলেও কি না মারলেও কি? আমি ৫০ টাকা চাঁদা দাবি করি নাই। এ বিষয়ে আপনারা এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে দেখতে পারেন।"
ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে মহিলা মেম্বারের নিকট চাঁদা দাবির প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে মহিলা মেম্বারের নিকট চাঁদা দাবির প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
মাসুম খান ঝালকাঠি: ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে মহিলা মেম্বারের নিকট চাঁদা দাবির প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংরক্ষিত আসনের মহিলা ইউপি সদস্য সায়েমা আক্তার। ১৬ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার ঝালকাঠি কার্যালয়ে চাঁদা দাবী, প্রাণ নাশের হুমকি ধমকি এবং অশ্লীল আচরণের প্রতিকার চেয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি। সায়েমা আক্তার সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, "১ নং গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বেরমহল
গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মুন্সির পুত্র রিয়াজ মুন্সি আমার নিকট ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অকথ্য ভাষায় গালাগালী করে, স্থায়ী ভাবে কাজ বন্ধ করে দেওয়া ও আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয় ।২ দিন পর আমার স্বামী মোঃ সুজনকে কাজের সাইডে বসে মিস্ত্রীদের সামনে চাঁদার টাকার জন্য মারধর করে। তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াছুল আমিন
জামাল সহ স্থানীয়দের সহযোগীতায় সে প্রাণে বেঁচে যায়। অভিযুক্ত রিয়াজ মুন্সি পেশায় পরিবার পরিকল্পনা অফিসের একজন সরকারী কর্মচারী। আমার প্রশ্ন সে সরকারি চাকরি করে কিভাবে রাজনীতি ও ঠিকাদারি করে। অভিযুক্ত রিয়াজ মুন্সি মুঠো ফোনে জানান, "সায়েমা আক্তারের স্বামী আওয়ামীলীগ করেছে, তাকে মারলেও কি না মারলেও কি? আমি ৫০ টাকা চাঁদা দাবি করি নাই। এ বিষয়ে আপনারা এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে দেখতে পারেন।"
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত