শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ওসমান হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্য: মমতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি গণবিরোধী, অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি খুলনা মহানগরী জামায়াতের আবাসিকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহার ছুটির বিষয়ে ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজ, হতে পারে লাইসেন্স বাতিল প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার ৬০০ টাকা দরে ভাঙারিতে বিক্রি: ডিএমপি কমিশনার আদ্-দ্বীন হাসপাতালের অবহেলায় ৬ নবজাতকের মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিশন ২০২৬: বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে কার ডেরা কোথায়? দেখে নিন ৪৮ দলের ‘বেস ক্যাম্প’ মেসি নেইমারদের ম্যাচ বাংলাদেশে যেভাবে দেখা যাবে প্রধানমন্ত্রীর ‘লাল টেলিফোন’ লাইনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২
সারাবাংলা ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পাকা মসজিদ প্রাচীন মুসলিম ঐতিহ্যের চিহ্ন
logo

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পাকা মসজিদ প্রাচীন মুসলিম ঐতিহ্যের চিহ্ন

মাসুম খান, ঝালকাঠি: বাংলায়  সুলতানি ও মোঘল আমলের প্রাচীন মুসলিম ঐতিহ্যের চিহ্ন নিয়ে আজও দাড়িয়ে আছে ঝালকাঠির ৪নং গালুয়া পাকা মসজিদ। এটি এখন কেবল প্রার্থনার স্থানই নয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি ও ইতিহাস এবং গবেষনায় পর্যটনের স্থানেও পরিনত হয়েছে।

গ্রামের নিঝুম পরিবেশে কবে এই মসজিদটি নির্মাণ হয়েছিলো তা সঠিক করে কারো জানা নেই। তবে মসজিদের গায়ে সুলতানি ও মুঘোল আমলের মুললিম শৈলি দেখে সহজেই বোঝা এটি অনেক প্রাচীন। এলাকাবাসী জানান, বাংলা ১১২২ সালে স্থানীয় মাহমুদ খান আকন্দ (মামুজি) নামক এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি এটিকে প্রথম আবিস্কার করেন। এ সময় ঘন জঙ্গলের মধ্যে মসদিজটি আবৃত্ত ছিলো। জঙ্গল পরিস্কারের সময় বড় বড় সাপ দেখা যায়। সাপকে মসজিদ ছাড়তে বলে প্রথমে মসজিদের একটি পাশ খুলে দেয়া হয়। তখন সাপগুলো মসজিদ ছেড়ে স্বেচ্ছায় চলে যায়। সেই থেকেই মসজিদটিতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় হয়ে আসছে আজও। অলৌকিক মসজিদটি অনেকের কাছে জীনের মসজিদ নামেও পরিচচিত।

বর্তমান ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের স্থানীয় বাজারের ভান্ডারিয়া-রাজাপুর মহাসড়ক থেকে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটিতে সুলতানি ও মুঘল স্থাপত্যের ছোঁয়া। মসজিদের দেয়ালে খোদাই করা নকশা ও কারুকার্য। পাকা ইট ও চুন-সুরকির মিশ্রণে তৈরি  এই স্থাপত্য শৈলি প্রাচীন মুসলিম সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানের প্রার্থনার পাশাপাশি এটি এখন পর্যটন ও গবেষণায় বিশেষ স্থানে পরিনত হয়েছে। তবে সংস্কারের অভাবে অনেকটা জৌলুস হাতে বসেছেন প্রাচীন এই মসজিদটি।

মসজিদটির ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় তাৎপর্য তুলে ধরে সরকারের কাছে সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন মসজিদটির ইমামসহ স্থানীয়রা। ধর্মীয় ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে ১৯৯৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর মসজিদটিকে সংরক্ষণের আওতায় নেয়।

খুঁজুন