ঝালকাঠির আ'লীগের প্রভাশালী নেতা ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ সুলতান হোসেন খান। যিনি ২৪'জুলাই অভ্যুত্থানের পর আত্মগোপন করেন।
খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকার মজিদ স্মরণীর এরশাদ শিকদারের বাড়ির পাশে তুলেছেন সুলতান টাওয়ার নামের বহুতল ভবন। সেই ভবনে করেছেন জেড এন প্যালেস নামের একটি লাক্সারি আবাসিক হোটেল। তবে একজনের সাথে ভাড়ার চুক্তি করেছেন বলে জানাগেছে।
শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথবাহিনী অভিযান চালায় ওই হোটেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো ওই অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও মাদকসহ একজন পেশাদার সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়। আটক হওয়া ওই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীর নাম নাজিম উদ্দিন খান ওরফে বেল্লাল।
একটি সুত্র জানায়, ওই ভবনে অস্বাভাবিক ধরনের মানুষের আনাগোনা চলে। বিগত ৫ আগস্টের পর ঝালকাঠি. বরিশাল, ফরিদপুর, মাদারীপুর জেলার অনেক ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আ'লীগের পলাতক নেতারা এই ভবনে লুকিয়ে ছিলেন। পরে এখান থেকে সুবিধা মতো স্থানে ধীরে ধীরে শিপ্ট হয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় অপর একটি সুত্র বলছেন, ২৪'জুলাই অভ্যুত্থানের পর ভবনের মালিক মোঃ সুলতান হোসেন খান পলাতক রযেছেন।
তাদের আশঙ্কা খুলনায় আইনশৃঙ্খলা অবনতি ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টে দক্ষিণাঞ্চলে আ'লীগের প্লানিংয়ের একটি আখড়া হতে পারে এ ভবনটি। হোটেলটির বিগত দিনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করলে বেড়িয়ে আসবে অনেক তথ্য।
এবিষয়ে ওই ভবনের কেয়ারটেকার মনির হোসেন জানান, ওই ভবনের দুটি ফ্লোর জাহিদ নামের একজনকে হোটেলের জন্য ভাড়া দেয়া হয়েছে। এছাড়া আর তেমন কিছু জানা নেই আমার।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
ঝালকাঠির আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা যৌথবাহিনী ও পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার
ঝালকাঠির আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা যৌথবাহিনী ও পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার
ঝালকাঠির আ'লীগের প্রভাশালী নেতা ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ সুলতান হোসেন খান। যিনি ২৪'জুলাই অভ্যুত্থানের পর আত্মগোপন করেন। খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকার মজিদ স্মরণীর এরশাদ শিকদারের বাড়ির পাশে তুলেছেন সুলতান টাওয়ার নামের বহুতল ভবন। সেই ভবনে করেছেন জেড এন প্যালেস নামের একটি লাক্সারি আবাসিক হোটেল। তবে একজনের সাথে ভাড়ার চুক্তি করেছেন বলে জানাগেছে।শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথবাহিনী অভিযান চালায় ওই হোটেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
চালানো ওই অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও মাদকসহ একজন পেশাদার সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়। আটক হওয়া ওই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীর নাম নাজিম উদ্দিন খান ওরফে বেল্লাল। একটি সুত্র জানায়, ওই ভবনে অস্বাভাবিক ধরনের মানুষের আনাগোনা চলে। বিগত ৫ আগস্টের পর ঝালকাঠি. বরিশাল, ফরিদপুর, মাদারীপুর জেলার অনেক ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আ'লীগের পলাতক নেতারা এই ভবনে লুকিয়ে ছিলেন। পরে এখান থেকে সুবিধা মতো স্থানে ধীরে ধীরে শিপ্ট হয়েছেন। এদিকে স্থানীয় অপর একটি সুত্র বলছেন, ২৪'জুলাই
অভ্যুত্থানের পর ভবনের মালিক মোঃ সুলতান হোসেন খান পলাতক রযেছেন। তাদের আশঙ্কা খুলনায় আইনশৃঙ্খলা অবনতি ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টে দক্ষিণাঞ্চলে আ'লীগের প্লানিংয়ের একটি আখড়া হতে পারে এ ভবনটি। হোটেলটির বিগত দিনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করলে বেড়িয়ে আসবে অনেক তথ্য। এবিষয়ে ওই ভবনের কেয়ারটেকার মনির হোসেন জানান, ওই ভবনের দুটি ফ্লোর জাহিদ নামের একজনকে হোটেলের জন্য ভাড়া দেয়া হয়েছে। এছাড়া আর তেমন কিছু জানা নেই আমার।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত