হেলাল শেখঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টানা চার দিনের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি ফিরতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার ঘরমুখো মানুষ। ঢাকার আশুলিয়া বাইপাইল- টাঙ্গাইল মহাসড়কে হঠাৎ করেই দূরপাল্লার পরিবহনের ভাড়া অস্বাভাবিক ভাবে দ্বিগুণ করায় বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং) রাত ৯টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডে ঈদের সময়ের চেয়েও বেশি যাত্রীর সমাগম দেখা যায়। এই সুযোগে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা রংপুর ও দিনাজপুরগামী যাত্রীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১ হাজার ২০০ টাকা (১২০০) টাকা নেয়া হচ্ছে।
বগুড়াগামী যাত্রীদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করছে, রংপুরের যাত্রীদের কাছ থেকে ১২০০-১৪০০/টাকা নিচ্ছে। অথচ স্বাভাবিক সময়ে এসব রুটে ভাড়া ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, হঠাৎ ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে কোনো ধরনের নোটিশ বা সরকারি অনুমোদন নেই। বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বাড়ির পথে রওনা হতে হচ্ছে। একাধিক ভুক্তভোগী যাত্রী জানান, বিকাশসহ মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে সীমাবদ্ধতা থাকায় প্রয়োজনীয় টাকা তুলতেও সমস্যায় পড়ছেন তারা, যা ভোগান্তিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। “ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদ করলে বাসে উঠতেই দিচ্ছে না গাড়ির স্টাফরা, সঙ্গে থাকা টাকাও শেষ হয়ে যাচ্ছে, আবার বিকাশ থেকেও ঠিকমতো টাকা তোলা যাচ্ছে না।” দীর্ঘ সময় বাসের জন্য অপেক্ষা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও টিকিট সংকটে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, নির্বাচনী ছুটিকে কেন্দ্র করে এ ধরনের ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও নিয়মিত তদারকি জরুরি। তা নাহলে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে এমন অনিয়ম আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সচেতন মহলও বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
গণমাধ্যম কর্মী পরিচয়ে এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
“ভাড়া নৈরাজ্যের বিষয়টি জানতে পেরে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল টিম পাঠিয়েছি। এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
জাতীয় নির্বাচনের ছুটিতে ভাড়া নৈরাজ্য, আশুলিয়ার বাইপাইলে ঘরমুখো মানুষের চরম ভোগান্তি
জাতীয় নির্বাচনের ছুটিতে ভাড়া নৈরাজ্য, আশুলিয়ার বাইপাইলে ঘরমুখো মানুষের চরম ভোগান্তি
হেলাল শেখঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টানা চার দিনের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি ফিরতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার ঘরমুখো মানুষ। ঢাকার আশুলিয়া বাইপাইল- টাঙ্গাইল মহাসড়কে হঠাৎ করেই দূরপাল্লার পরিবহনের ভাড়া অস্বাভাবিক ভাবে দ্বিগুণ করায় বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং) রাত ৯টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডে ঈদের সময়ের চেয়েও বেশি যাত্রীর সমাগম দেখা যায়। এই সুযোগে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা রংপুর ও দিনাজপুরগামী যাত্রীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১ হাজার ২০০ টাকা (১২০০) টাকা নেয়া হচ্ছে। বগুড়াগামী যাত্রীদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করছে, রংপুরের যাত্রীদের কাছ থেকে ১২০০-১৪০০/টাকা নিচ্ছে। অথচ স্বাভাবিক
সময়ে এসব রুটে ভাড়া ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। ভুক্তভোগী যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, হঠাৎ ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে কোনো ধরনের নোটিশ বা সরকারি অনুমোদন নেই। বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বাড়ির পথে রওনা হতে হচ্ছে। একাধিক ভুক্তভোগী যাত্রী জানান, বিকাশসহ মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে সীমাবদ্ধতা থাকায় প্রয়োজনীয় টাকা তুলতেও সমস্যায় পড়ছেন তারা, যা ভোগান্তিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। “ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদ করলে বাসে উঠতেই দিচ্ছে না গাড়ির স্টাফরা, সঙ্গে থাকা টাকাও শেষ হয়ে যাচ্ছে, আবার বিকাশ থেকেও ঠিকমতো টাকা তোলা যাচ্ছে না।” দীর্ঘ সময় বাসের জন্য অপেক্ষা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও টিকিট সংকটে নারী, শিশু
ও বয়স্ক যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ভুক্তভোগী যাত্রীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, নির্বাচনী ছুটিকে কেন্দ্র করে এ ধরনের ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও নিয়মিত তদারকি জরুরি। তা নাহলে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে এমন অনিয়ম আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সচেতন মহলও বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। গণমাধ্যম কর্মী পরিচয়ে এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদারের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,“ভাড়া নৈরাজ্যের বিষয়টি জানতে পেরে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল টিম পাঠিয়েছি। এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত