হেলাল শেখঃ দেশের বিভিন্ন থানায় ও আদালতে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা রেকর্ড করে জনগণকে হয়রানি করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৭ বছরে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক ১,০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়, এসব মামলা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।
এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি আইন মন্ত্রণালয় জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ,গণ অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার মধ্যে ২৩,৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এতে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ মামলা-সংক্রান্ত হয়রানি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন বলে জানানো হয়।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের স্বার্থের কথা বললেও পরে সেই জনগণকেই রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে এবং মামলা বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আদায় করে থাকে-যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সাধারণ জনগণের নামে কেন মামলা করা হয়, তা জাতি জানতে চায়।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সহিংস ঘটনায় জড়িত অনেকেই বিদেশে পালিয়ে গেলেও দেশে থাকা মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক, আইনজীবীসহ হাজারো সাধারণ মানুষের নামে ভুয়া মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল।
হয়রানিমূলক ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
হয়রানিমূলক ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
হেলাল শেখঃ দেশের বিভিন্ন থানায় ও আদালতে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা রেকর্ড করে জনগণকে হয়রানি করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৭ বছরে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক ১,০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।বার্তায় বলা হয়, এসব মামলা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার
হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি আইন মন্ত্রণালয় জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ,গণ অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার মধ্যে ২৩,৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এতে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ মামলা-সংক্রান্ত হয়রানি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন বলে জানানো হয়। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, রাজনৈতিক
দলগুলো জনগণের স্বার্থের কথা বললেও পরে সেই জনগণকেই রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করে এবং মামলা বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আদায় করে থাকে-যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সাধারণ জনগণের নামে কেন মামলা করা হয়, তা জাতি জানতে চায়। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সহিংস ঘটনায় জড়িত অনেকেই বিদেশে পালিয়ে গেলেও দেশে থাকা মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক, আইনজীবীসহ হাজারো সাধারণ মানুষের নামে ভুয়া মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত