প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো বড় বিনিয়োগে দেশের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির কোনো ঝুঁকি তৈরি হবে কি না,।
আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে সম্পূরক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ তথ্য জানতে চান তিনি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ তার প্রশ্নে উল্লেখ করে বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড এবং ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে কার্ডের আওতায় আনতে বছরে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। এই বিশাল পরিমাণ অর্থ যদি সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বিদ্যমান বাজেট থেকে না এনে নতুন করে যোগান দেওয়া হয়, তবে তা মুদ্রাস্ফীতি ঘটাতে পারে কি না এবং বিষয়টি পরীক্ষা করা হয়েছে কি না, তা জানতে চান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জবাবে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ডের কর্মসূচি দেশজুড়ে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। পৃথিবীর কোনো সরকারের পক্ষেই একবারে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ শেষ করা সম্ভব নয়। সরকার অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ডাটা সংগ্রহের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে এই কার্ড বিতরণ করবে। বাজেট প্রণয়নের সময় প্রতিটি ধাপ বিবেচনা করা হয়েছে এবং ধীরে ধীরে কার্ডের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে এতে বাজেটের ওপর কোনো বাড়তি চাপ পড়ার কারণ নেই।
সংসদকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, সরকারের হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী এই বিনিয়োগ থেকে মুদ্রাস্ফীতি ঘটার তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই।
সামাজিক নিরাপত্তার অন্যান্য খাতের সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডের কোনো সংঘাত হবে কি না, হাসনাত আবদুল্লাহর এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আর্থিক সুবিধার চেয়ে ফ্যামিলি কার্ডের আড়াই হাজার টাকার সুবিধা অনেক বেশি কার্যকর। এটি বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না বরং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এই কার্ড মানুষের মাঝে যে বিপুল উৎসাহ তৈরি করেছে তা সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় গেলেই প্রত্যক্ষ করছেন। পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন ও সঠিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই কর্মসূচি দেশের অর্থনীতিকে আরও স্বনির্ভর করবে।
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রশ্নের যে জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী
হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রশ্নের যে জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো বড় বিনিয়োগে দেশের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির কোনো ঝুঁকি তৈরি হবে কি না,। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে সম্পূরক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ তথ্য জানতে চান তিনি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। হাসনাত আবদুল্লাহ তার প্রশ্নে উল্লেখ করে বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড এবং ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে কার্ডের আওতায় আনতে বছরে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। এই বিশাল পরিমাণ অর্থ যদি সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বিদ্যমান বাজেট থেকে না
এনে নতুন করে যোগান দেওয়া হয়, তবে তা মুদ্রাস্ফীতি ঘটাতে পারে কি না এবং বিষয়টি পরীক্ষা করা হয়েছে কি না, তা জানতে চান তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জবাবে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ডের কর্মসূচি দেশজুড়ে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। পৃথিবীর কোনো সরকারের পক্ষেই একবারে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ শেষ করা সম্ভব নয়। সরকার অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ডাটা সংগ্রহের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে এই কার্ড বিতরণ করবে। বাজেট প্রণয়নের সময় প্রতিটি ধাপ বিবেচনা করা হয়েছে এবং ধীরে ধীরে কার্ডের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে এতে বাজেটের ওপর কোনো বাড়তি চাপ পড়ার কারণ নেই। সংসদকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, সরকারের হিসাব-নিকাশ
অনুযায়ী এই বিনিয়োগ থেকে মুদ্রাস্ফীতি ঘটার তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। সামাজিক নিরাপত্তার অন্যান্য খাতের সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডের কোনো সংঘাত হবে কি না, হাসনাত আবদুল্লাহর এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আর্থিক সুবিধার চেয়ে ফ্যামিলি কার্ডের আড়াই হাজার টাকার সুবিধা অনেক বেশি কার্যকর। এটি বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না বরং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এই কার্ড মানুষের মাঝে যে বিপুল উৎসাহ তৈরি করেছে তা সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় গেলেই প্রত্যক্ষ করছেন। পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন ও সঠিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই কর্মসূচি দেশের অর্থনীতিকে আরও স্বনির্ভর করবে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত