স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বকুল মন্তব্য করেছেন দেশে হামের টিকার সংকট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে। তিনি বলেন, বাস্তবে টিকার কোনো ঘাটতি নেই; বরং সমন্বয়হীনতা ও তথ্য উপস্থাপনার ভুলে জনমনে অযথা আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাজধানীতে একটি গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পরে দুপুরে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, জুনে টিকাদানে বড় কর্মসূচি পালন করা হবে। এই ক্যাম্পেইনে ২ কোটি শিশু টিকার আওতায় আসবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘হামের টিকা সংকট’ এ ধরনের শিরোনাম কোথা থেকে আসে, তা বোধগম্য নয়। আমরা ইতোমধ্যে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে বলেছি, টিকা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া খবর প্রকাশ করা উচিত নয়।’
হাম বা মিজলস ক্যাম্পেইনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৪ বছর অন্তর এই ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও ২০১৮ সালের পর আর কোনো ক্যাম্পেইন হয়নি। এই ৮ বছরের বিরতির কারণেই বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং এডিবি ও ইউনিসেফের মাধ্যমে ভ্যাকসিন আমদানির চুক্তি সম্পন্ন করেছে।
তিনি স্পষ্ট করে জানান, বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে টিকার কোনো স্থায়ী সংকট নেই। কেবল এই মুহূর্তে হাতে কিছু টিকার অভাব রয়েছে যা দ্রুত পূরণ করা হচ্ছে।
এদিকে জাতীয় টিকা কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির এক সদস্য জানান, হাম মোকাবিলায় ৯ মাসের পরিবর্তে ৬ মাস বয়স থেকে এই টিকা দেওয়া শুরু হবে।
স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ইউনিসেফকে এরইমধ্যে টিকার জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই নতুন টিকা পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
হামের টিকা পাবে ২ কোটি শিশু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হামের টিকা পাবে ২ কোটি শিশু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বকুল মন্তব্য করেছেন দেশে হামের টিকার সংকট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে। তিনি বলেন, বাস্তবে টিকার কোনো ঘাটতি নেই; বরং সমন্বয়হীনতা ও তথ্য উপস্থাপনার ভুলে জনমনে অযথা আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) রাজধানীতে একটি গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। পরে দুপুরে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, জুনে টিকাদানে বড় কর্মসূচি পালন করা হবে। এই ক্যাম্পেইনে ২ কোটি শিশু টিকার আওতায় আসবে। মন্ত্রী বলেন, ‘হামের টিকা সংকট’ এ
ধরনের শিরোনাম কোথা থেকে আসে, তা বোধগম্য নয়। আমরা ইতোমধ্যে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে বলেছি, টিকা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া খবর প্রকাশ করা উচিত নয়।’ হাম বা মিজলস ক্যাম্পেইনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৪ বছর অন্তর এই ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও ২০১৮ সালের পর আর কোনো ক্যাম্পেইন হয়নি। এই ৮ বছরের বিরতির কারণেই বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং এডিবি
ও ইউনিসেফের মাধ্যমে ভ্যাকসিন আমদানির চুক্তি সম্পন্ন করেছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে টিকার কোনো স্থায়ী সংকট নেই। কেবল এই মুহূর্তে হাতে কিছু টিকার অভাব রয়েছে যা দ্রুত পূরণ করা হচ্ছে। এদিকে জাতীয় টিকা কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির এক সদস্য জানান, হাম মোকাবিলায় ৯ মাসের পরিবর্তে ৬ মাস বয়স থেকে এই টিকা দেওয়া শুরু হবে। স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ইউনিসেফকে এরইমধ্যে টিকার জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই নতুন টিকা পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত