ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াজুল আমিন জামাল সিকদারের উপস্থিতিতে সহ সভাপতি মোঃ নাসির খান সভাপতিত্ব করায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেলে ইউনিয়নের শাহ মাহমুদিয়া কলেজ মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জনসভার সভাপতিত্ব করেন সহ-সভাপতি নাসির খান। অনুষ্ঠানে বিএনপির ইউনিয়ন সভাপতি রিয়াছূল আমীন সিকদারকে ফুলের মালা দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ইসরাত জাহান ইলেন ভুট্টো।
বিধি মোতাবেক ইউনিয়ন সভাপতি ওই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করার কথা। কিন্তু গ্রুপিং রাজনীতির কারণে উল্টো নিয়মে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির বহিস্ককৃত সাধারণ সম্পাদক শরীফ সুমন। তিনি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নিজেকে জাহির করার জন্য অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আবার তিনিই বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
অথচ উপস্থিত গুরুত্বপূর্ণ পদধারী নেতাদের বক্তব্য দেয়ার সুযোগ বঞ্চিত করার অভিযোগ ওঠে। পুরো অনুষ্ঠান এলোমেলো করে ফেলেন বহিষ্কৃত শরীফ সুমন। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল সিকদারকে প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ফুলের মালা পড়িয়ে দিলে ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান প্রতিবাদ করে বলেন এটা ঠিক হয় নাই। জামাল সিকদার নির্বাচন নিয়ে অনেক কাহিনী করেছেন। এভাবে হট্টগোলের মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াছুল আমীন সাংবাদিকদের মুঠোফোন জানান, বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শরীফ সুমন সহ-সভাপতি কে সভাপতি ঘোষণা করে অনুষ্ঠান শুরু করে। তিনি আরো এরা বেয়াদব, চাঁদাবাজ, দলছুট নেতা। এই সুমন শরীফের বহিষ্কার আদেশ এখন পর্যন্ত প্রত্যাহার করা হয় নাই। অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে তারা এসব কাজ করে। আমি এধরনের আচরণের প্রতিবাদ জানাই।
সুমন শরীফ বলেন, সময় স্বল্পতার কারণে সবাই কে বক্তৃতায় সময় দেয়া যায় নাই। জামাল সিকদার জনসভায় দেরীতে আসায় সহ-সভাপতি নাসির খান কে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করার জন্য বলা হয়।
গাভা ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় সভাপতির উপস্থিতিতে সহ-সভাপতি সভার সভাপতিত্ব করায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া
গাভা ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় সভাপতির উপস্থিতিতে সহ-সভাপতি সভার সভাপতিত্ব করায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া
ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াজুল আমিন জামাল সিকদারের উপস্থিতিতে সহ সভাপতি মোঃ নাসির খান সভাপতিত্ব করায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেলে ইউনিয়নের শাহ মাহমুদিয়া কলেজ মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জনসভার সভাপতিত্ব করেন সহ-সভাপতি নাসির খান। অনুষ্ঠানে বিএনপির ইউনিয়ন সভাপতি রিয়াছূল আমীন সিকদারকে ফুলের মালা দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ইসরাত জাহান ইলেন ভুট্টো। বিধি মোতাবেক ইউনিয়ন সভাপতি ওই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করার কথা। কিন্তু গ্রুপিং রাজনীতির কারণে উল্টো
নিয়মে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির বহিস্ককৃত সাধারণ সম্পাদক শরীফ সুমন। তিনি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নিজেকে জাহির করার জন্য অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আবার তিনিই বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অথচ উপস্থিত গুরুত্বপূর্ণ পদধারী নেতাদের বক্তব্য দেয়ার সুযোগ বঞ্চিত করার অভিযোগ ওঠে। পুরো অনুষ্ঠান এলোমেলো করে ফেলেন বহিষ্কৃত শরীফ সুমন। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল সিকদারকে প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ফুলের মালা পড়িয়ে দিলে ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান প্রতিবাদ করে বলেন এটা ঠিক হয় নাই। জামাল সিকদার নির্বাচন নিয়ে অনেক কাহিনী করেছেন। এভাবে হট্টগোলের মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ
করা হয়। এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াছুল আমীন সাংবাদিকদের মুঠোফোন জানান, বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শরীফ সুমন সহ-সভাপতি কে সভাপতি ঘোষণা করে অনুষ্ঠান শুরু করে। তিনি আরো এরা বেয়াদব, চাঁদাবাজ, দলছুট নেতা। এই সুমন শরীফের বহিষ্কার আদেশ এখন পর্যন্ত প্রত্যাহার করা হয় নাই। অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে তারা এসব কাজ করে। আমি এধরনের আচরণের প্রতিবাদ জানাই। সুমন শরীফ বলেন, সময় স্বল্পতার কারণে সবাই কে বক্তৃতায় সময় দেয়া যায় নাই। জামাল সিকদার জনসভায় দেরীতে আসায় সহ-সভাপতি নাসির খান কে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করার জন্য বলা হয়।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত