সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী এপ্রিল মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার। তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা (সংশোধিত) অনুযায়ী ভোক্তা পর্যায়ে বর্তমান দামই বহাল থাকবে। নতুন এই সিদ্ধান্ত ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক বার্তায় জানায়, বর্তমানে ডিজেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এপ্রিল মাসেও এই দাম অপরিবর্তিত থাকবে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে, যা দিয়ে ১৫-১৬ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এর মধ্যে রয়েছে ডিজেল ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রল ১১ হাজার ৪৩১ টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯ টন। এছাড়া এপ্রিল মাসে আরও প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল দেশে আসবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের মোট চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি ও গণপরিবহনে ব্যবহৃত হয়। জ্বালানি সাশ্রয়ে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময় কমানো এবং অনলাইন ক্লাস চালুর মতো উদ্যোগও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও আশ্বস্ত করেছে মন্ত্রণালয়।
এপ্রিলে বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম
এপ্রিলে বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম
সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী এপ্রিল মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার। তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা (সংশোধিত) অনুযায়ী ভোক্তা পর্যায়ে বর্তমান দামই বহাল থাকবে। নতুন এই সিদ্ধান্ত ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক বার্তায় জানায়, বর্তমানে ডিজেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২
টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এপ্রিল মাসেও এই দাম অপরিবর্তিত থাকবে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে, যা দিয়ে ১৫-১৬ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এর মধ্যে রয়েছে ডিজেল ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ টন, পেট্রল ১১ হাজার ৪৩১ টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯
টন। এছাড়া এপ্রিল মাসে আরও প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল দেশে আসবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের মোট চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি ও গণপরিবহনে ব্যবহৃত হয়। জ্বালানি সাশ্রয়ে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময় কমানো এবং অনলাইন ক্লাস চালুর মতো উদ্যোগও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও আশ্বস্ত করেছে মন্ত্রণালয়।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত