সংসদ সদস্যদের জন্য দীর্ঘদিনের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানি সুবিধা বাতিল করা হয়েছে, জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যদের পারিতোষিক ও ভাতাদি সম্পর্কিত আইন সংশোধনী বিল পাস হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) কণ্ঠভোটে “দ্য মেম্বার্স অব দ্য পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল” পাস হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি দফতরে বিশেষ সুবিধা কমিয়ে আনা এবং কর ব্যবস্থায় সমতা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ বিভাগের পাঠানো সারসংক্ষেপে বলা হয়, ১৯৭৩ সালের “দ্য মেম্বার্স অব দ্য পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) অর্ডার” অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা পেয়ে আসছিলেন। এটি কর ব্যবস্থায় বৈষম্য তৈরি করছে বলে উল্লেখ করা হয়।
সারসংক্ষেপে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই অনুচ্ছেদ বিলুপ্তির প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়।
এর আগে সংসদীয় দলের বৈঠকে জনপ্রতিনিধিদের জন্য অতিরিক্ত কোনো সুবিধা না নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তের কথাও জানানো হয়েছিল। ১৯৮৭ সালে এরশাদ সরকারের সময় চালু হওয়া এই সুবিধা দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনার মুখে ছিল।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর তথ্যানুযায়ী, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সংসদ সদস্যরা এই সুবিধার আওতায় ৫৭২টি গাড়ি আমদানি করেছেন। এসব গাড়ির মোট শুল্ক মূল্য ছিল প্রায় ৩.৯৭ বিলিয়ন টাকা, আর এতে রাজস্ব ছাড়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে অন্তত ৫১.৪৭ বিলিয়ন টাকা।
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে সংসদে বিল পাস
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে সংসদে বিল পাস
সংসদ সদস্যদের জন্য দীর্ঘদিনের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানি সুবিধা বাতিল করা হয়েছে, জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যদের পারিতোষিক ও ভাতাদি সম্পর্কিত আইন সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) কণ্ঠভোটে “দ্য মেম্বার্স অব দ্য পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল” পাস হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি দফতরে বিশেষ সুবিধা কমিয়ে আনা এবং কর ব্যবস্থায় সমতা নিশ্চিত করার অংশ
হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ বিভাগের পাঠানো সারসংক্ষেপে বলা হয়, ১৯৭৩ সালের “দ্য মেম্বার্স অব দ্য পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) অর্ডার” অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা পেয়ে আসছিলেন। এটি কর ব্যবস্থায় বৈষম্য তৈরি করছে বলে উল্লেখ করা হয়। সারসংক্ষেপে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই অনুচ্ছেদ বিলুপ্তির প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়। এর আগে সংসদীয় দলের বৈঠকে জনপ্রতিনিধিদের জন্য
অতিরিক্ত কোনো সুবিধা না নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তের কথাও জানানো হয়েছিল। ১৯৮৭ সালে এরশাদ সরকারের সময় চালু হওয়া এই সুবিধা দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনার মুখে ছিল। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর তথ্যানুযায়ী, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সংসদ সদস্যরা এই সুবিধার আওতায় ৫৭২টি গাড়ি আমদানি করেছেন। এসব গাড়ির মোট শুল্ক মূল্য ছিল প্রায় ৩.৯৭ বিলিয়ন টাকা, আর এতে রাজস্ব ছাড়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে অন্তত ৫১.৪৭ বিলিয়ন টাকা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত