ঈদ উদযাপনে আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে দেড়কোটি লোক ঢাকা ছাড়বে, বলেছেন সড়ক, রেলপথ, নৌপরিবহন এবং সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এই যাত্রা স্বাভাবিক করাটা চ্যালেঞ্জিং। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা যেভাবে কাজ করছি তাতে আশা করি কোনো ভোগান্তি ছাড়াই সবাই বাড়ি যেতে পারবে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে বরিশালের বাকেরগঞ্জে গোনা সেতুর উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সড়কমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এখনও দুই লেনের রাস্তা। স্বাভাবিক চলাচল প্রশ্নে এটা অত্যন্ত সরু। এই মহাসড়ক আরও চওড়া করা দরকার। এটা সরকার উপলব্ধি করেছে। এবার এসে আমিও নিজ চোখে দেখে গেলাম। দ্রুত কিভাবে কাজটা শুরু করা যায় সেই পরিকল্পনা সরকারের আছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত। এ সরকার দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিত করতে চায়।
গোনা সেতু উদ্বোধন প্রসঙ্গে সড়কমন্ত্রী বলেন, এ সেতুর ফলে কেবল একটি এলাকার মানুষ উপকৃত হবে তাই নয়, বরিশালের সঙ্গে পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন একটি অংশের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হলো। এটি এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তনে সহায়তা করবে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা নিয়িমিত সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার নৌ পথ ড্রেজিং করে সচল রাখি। এর মধ্যে ১২শ’ কিলোমিটার নৌ পথ খনন চলছে। সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার নৌ পথ নিয়ে আমরা আগামীতে পরিকল্পনা নিয়েছি। ঢাকা সদরঘাট থেকে বরিশাল ও ভোলা নৌ পথে অবাধে নৌ যান চলাচল করতে পারবে, সেই প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সড়ক প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানসহ সড়ক বিভাগ ও প্রশাসনের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, সেতুটি চালু হওয়ায় বরিশালের বাকেরগঞ্জের সঙ্গে পটুয়াখালীর দুমকির সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। দুই জেলার প্রত্যন্ত এলাকার অন্তত পাঁচ লাখ মানুষের যাতায়াত ভোগান্তি লাঘব হয়েছে এই সেতুর মাধ্যমে। যাতায়াতের সময়ও কমে আসবে প্রায় দুই ঘণ্টা।
ঈদে ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি যেতে পারবে মানুষ: সড়কমন্ত্রী
ঈদে ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি যেতে পারবে মানুষ: সড়কমন্ত্রী
ঈদ উদযাপনে আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে দেড়কোটি লোক ঢাকা ছাড়বে, বলেছেন সড়ক, রেলপথ, নৌপরিবহন এবং সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এই যাত্রা স্বাভাবিক করাটা চ্যালেঞ্জিং। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা যেভাবে কাজ করছি তাতে আশা করি কোনো ভোগান্তি ছাড়াই সবাই বাড়ি যেতে পারবে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে বরিশালের বাকেরগঞ্জে গোনা সেতুর উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। সড়কমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এখনও দুই লেনের রাস্তা। স্বাভাবিক চলাচল প্রশ্নে এটা অত্যন্ত সরু। এই মহাসড়ক আরও চওড়া করা দরকার। এটা সরকার উপলব্ধি করেছে। এবার এসে আমিও নিজ চোখে দেখে গেলাম।
দ্রুত কিভাবে কাজটা শুরু করা যায় সেই পরিকল্পনা সরকারের আছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত। এ সরকার দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিত করতে চায়। গোনা সেতু উদ্বোধন প্রসঙ্গে সড়কমন্ত্রী বলেন, এ সেতুর ফলে কেবল একটি এলাকার মানুষ উপকৃত হবে তাই নয়, বরিশালের সঙ্গে পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন একটি অংশের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হলো। এটি এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তনে সহায়তা করবে। মন্ত্রী বলেন, আমরা নিয়িমিত সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার নৌ পথ ড্রেজিং করে সচল রাখি। এর মধ্যে ১২শ’ কিলোমিটার নৌ পথ খনন চলছে। সাড়ে ৪ হাজার
কিলোমিটার নৌ পথ নিয়ে আমরা আগামীতে পরিকল্পনা নিয়েছি। ঢাকা সদরঘাট থেকে বরিশাল ও ভোলা নৌ পথে অবাধে নৌ যান চলাচল করতে পারবে, সেই প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। অনুষ্ঠানে সড়ক প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানসহ সড়ক বিভাগ ও প্রশাসনের বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, সেতুটি চালু হওয়ায় বরিশালের বাকেরগঞ্জের সঙ্গে পটুয়াখালীর দুমকির সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। দুই জেলার প্রত্যন্ত এলাকার অন্তত পাঁচ লাখ মানুষের যাতায়াত ভোগান্তি লাঘব হয়েছে এই সেতুর মাধ্যমে। যাতায়াতের সময়ও কমে আসবে প্রায় দুই ঘণ্টা।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত