রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাট ও আশপাশের পদ্মা-যমুনা নদীসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকা বর্তমানে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী চক্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বাহাদুরপুর (মরাপদ্মা নদী এলাকা), উজানচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড, পূর্ব তেনাপচা এবং দৌলতদিয়া নৌ এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ড্রেজার বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করে আসছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, পদ্মা ও যমুনা নদীর গোয়ালন্দ অংশে একাধিক অবৈধ ড্রেজার পরিচালিত হচ্ছে। এসব ড্রেজারকে ঘিরে সেলো ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে সশস্ত্র ব্যক্তিদের পাহারায় রাখা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে সাংবাদিকদের বহনকারী ট্রলারের মাঝি নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে সতর্ক করেন—পরিচয় প্রকাশ পেলে প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, এলাকায় কোনো বৈধ বালুমহল না থাকা সত্ত্বেও প্রভাবশালী এক ব্যক্তির নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চক্র পেশিশক্তির জোরে দিন-রাত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভাষ্যমতে, এই কার্যক্রমের ফলে নদীর তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং নদীভাঙনের আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে।
উল্লেখ্য, প্রচলিত আইন অনুযায়ী নদী থেকে বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৬২ ধারায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত; এতে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। পাশাপাশি উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা আদালত অবমাননার শামিল বলেও সংশ্লিষ্টরা মত দিয়েছেন।
অভিযুক্ত হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত শহীদ পাল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস গণমাধ্যমকে জানান, “অবৈধ বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায়, নদীভাঙন ও পরিবেশগত বিপর্যয়ে গোটা এলাকা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দৌলতদিয়া ঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলন: প্রভাবশালী চক্রের দৌরাত্ম্যে ঝুঁকিতে নদীর তীরবর্তী এলাকা ও স্থাপনা
দৌলতদিয়া ঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলন: প্রভাবশালী চক্রের দৌরাত্ম্যে ঝুঁকিতে নদীর তীরবর্তী এলাকা ও স্থাপনা
রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাট ও আশপাশের পদ্মা-যমুনা নদীসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকা বর্তমানে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী চক্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বাহাদুরপুর (মরাপদ্মা নদী এলাকা), উজানচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড, পূর্ব তেনাপচা এবং দৌলতদিয়া নৌ এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ড্রেজার বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করে আসছে। সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, পদ্মা ও যমুনা নদীর গোয়ালন্দ অংশে একাধিক অবৈধ ড্রেজার পরিচালিত হচ্ছে। এসব ড্রেজারকে ঘিরে সেলো ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে সশস্ত্র ব্যক্তিদের পাহারায় রাখা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে সাংবাদিকদের বহনকারী ট্রলারের মাঝি নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে সতর্ক করেন—পরিচয় প্রকাশ পেলে প্রাণনাশের আশঙ্কা
রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, এলাকায় কোনো বৈধ বালুমহল না থাকা সত্ত্বেও প্রভাবশালী এক ব্যক্তির নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চক্র পেশিশক্তির জোরে দিন-রাত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভাষ্যমতে, এই কার্যক্রমের ফলে নদীর তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং নদীভাঙনের আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। উল্লেখ্য, প্রচলিত আইন অনুযায়ী নদী থেকে বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৬২ ধারায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত; এতে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। পাশাপাশি উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এ ধরনের
কার্যক্রম পরিচালনা করা আদালত অবমাননার শামিল বলেও সংশ্লিষ্টরা মত দিয়েছেন। অভিযুক্ত হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত শহীদ পাল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস গণমাধ্যমকে জানান, “অবৈধ বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায়, নদীভাঙন ও পরিবেশগত বিপর্যয়ে গোটা এলাকা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত