প্রতিবেদনঃ ঢাকা-৯ (সবুজবাগ–মতিঝিল–খিলগাঁও আংশিক) আসনে বিএনপির দ্বিতীয় পর্যায়ের মনোনয়ন পেয়ে এলাকায় তৎপরতা চালাচ্ছেন দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশিদ হাবিব। ঘোষণার পর থেকেই তিনি প্রতিদিনই গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা, পরিদর্শন ও স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়িয়ে নির্বাচনী মাঠ সক্রিয় রেখেছেন।
ছাত্ররাজনীতি থেকেই উঠে আসা হাবিবুর রশিদ হাবিব বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের একজন সক্রিয় ও মাঠপর্যায়ের সংগঠক হিসেবে পরিচিত। তিনি প্রথমে সবুজবাগ থানা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক এবং সভাপতির দায়িত্ব পালন করে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা আরও বিস্তৃত করেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সরাসরি মাঠে নেতৃত্ব দেন তিনি।
ছাত্রদল থেকে মূল দলে উত্তরণে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং কৌশলগত পরিকল্পনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার পর বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির নির্বাহী সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।
বিগত সময়ে রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে হামলা-মামলা ও কারাবরণের অভিজ্ঞতা থাকার কারণে হাবিবুর রশিদ হাবিব স্থানীয়ভাবে "কারা নির্যাতিত নেতা" হিসেবেও পরিচিত। দলের কঠিন সময়ে মাঠে থাকা নেতাদের একজন হিসেবে দলের ভিত্তিতে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে প্রতিদিনই তিনি এলাকার বিভিন্ন মহল্লা, বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়ে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এলাকাবাসীর সমস্যা, দীর্ঘদিনের অবহেলা, রাস্তা–ঘাটের উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমস্যা, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা নিয়ে তাদের কাছ থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করছেন তিনি। পাশাপাশি দলীয় রাজনৈতিক অবস্থান, জাতীয় পরিস্থিতি ও নিজস্ব কর্মপরিকল্পনার কথাও ভোটারদের সামনে তুলে ধরছেন।
অন্যদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যেও মনোনয়নকে কেন্দ্র করে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের ত্যাগী একজন নেতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণায় তারা দলীয়ভাবে আরও সংগঠিত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে পোস্টারিং, প্রচারমাইক, স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন এবং গণসংযোগ কর্মসূচি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
এলাকাবাসীর একটি অংশ জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই তারা এমন একজন স্থানীয়, অভিজ্ঞ ও আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত নেতাকে মাঠে দেখতে চেয়েছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
ছাত্ররাজনীতি থেকেই উঠে আসা হাবিবুর রশিদ হাবিব বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের একজন সক্রিয় ও মাঠপর্যায়ের সংগঠক হিসেবে পরিচিত। তিনি প্রথমে সবুজবাগ থানা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক এবং সভাপতির দায়িত্ব পালন করে নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা আরও বিস্তৃত করেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সরাসরি মাঠে নেতৃত্ব দেন তিনি।
ছাত্রদল থেকে মূল দলে উত্তরণে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম, আন্দোলন-সংগ্রাম এবং কৌশলগত পরিকল্পনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার পর বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির নির্বাহী সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।
বিগত সময়ে রাজনৈতিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে হামলা-মামলা ও কারাবরণের অভিজ্ঞতা থাকার কারণে হাবিবুর রশিদ হাবিব স্থানীয়ভাবে "কারা নির্যাতিত নেতা" হিসেবেও পরিচিত। দলের কঠিন সময়ে মাঠে থাকা নেতাদের একজন হিসেবে দলের ভিত্তিতে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে প্রতিদিনই তিনি এলাকার বিভিন্ন মহল্লা, বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়ে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এলাকাবাসীর সমস্যা, দীর্ঘদিনের অবহেলা, রাস্তা–ঘাটের উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমস্যা, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা নিয়ে তাদের কাছ থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করছেন তিনি। পাশাপাশি দলীয় রাজনৈতিক অবস্থান, জাতীয় পরিস্থিতি ও নিজস্ব কর্মপরিকল্পনার কথাও ভোটারদের সামনে তুলে ধরছেন।
অন্যদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যেও মনোনয়নকে কেন্দ্র করে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের ত্যাগী একজন নেতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণায় তারা দলীয়ভাবে আরও সংগঠিত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে পোস্টারিং, প্রচারমাইক, স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন এবং গণসংযোগ কর্মসূচি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
এলাকাবাসীর একটি অংশ জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই তারা এমন একজন স্থানীয়, অভিজ্ঞ ও আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত নেতাকে মাঠে দেখতে চেয়েছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব