‘নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস (সংশোধন) অর্ডিনেন্স, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার,চেক জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধের বিচারিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক গেজেটের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।
নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ‘নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১’-এর ১৪১ ধারার (সি) উপ-দফায় সংশোধন আনা হয়েছে।
সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী, যদি চেকে উল্লিখিত টাকার পরিমাণ ৫ লাখ টাকার বেশি হয়, তবে সেই মামলার বিচার মেট্রোপলিটন যুগ্ম দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের নিচে কোনো আদালতে করা যাবে না। এ ছাড়া চেক জালিয়াতি সংক্রান্ত অন্য সব অপরাধের বিচার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্পন্ন হবে।
অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রয়েছে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আশু ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়ায় সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ জারি করেছেন।
আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর সাই করা বিজ্ঞপ্তিটি সোমবার মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। অধ্যাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
চেক জালিয়াতি মামলায় বিচারিক এখতিয়ার বদলে গেলো
চেক জালিয়াতি মামলায় বিচারিক এখতিয়ার বদলে গেলো
‘নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস (সংশোধন) অর্ডিনেন্স, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার,চেক জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধের বিচারিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক গেজেটের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ‘নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১’-এর ১৪১ ধারার (সি) উপ-দফায় সংশোধন আনা হয়েছে। সংশোধিত
নিয়ম অনুযায়ী, যদি চেকে উল্লিখিত টাকার পরিমাণ ৫ লাখ টাকার বেশি হয়, তবে সেই মামলার বিচার মেট্রোপলিটন যুগ্ম দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের নিচে কোনো আদালতে করা যাবে না। এ ছাড়া চেক জালিয়াতি সংক্রান্ত অন্য সব অপরাধের বিচার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সম্পন্ন হবে। অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে,
বর্তমানে সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় রয়েছে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আশু ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়ায় সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ জারি করেছেন। আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর সাই করা বিজ্ঞপ্তিটি সোমবার মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। অধ্যাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত