ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বরগুনা জেলা থেকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে একাধিক নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা, প্রয়াত এক বিএনপি নেতার কন্যা এবং মহিলা দলের একজন সক্রিয় নেত্রী। তবে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে বাস্তব অভিজ্ঞতা, সাহসী ভূমিকা এবং মাঠপর্যায়ের সক্রিয় সম্পৃক্ততার কারণে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মারজিয়া হিরা।
মারজিয়া হিরা বর্তমানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-নাট্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসিকতা ও দৃঢ়তা প্রদর্শনের মাধ্যমে তিনি সংগঠনের একজন পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।
আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার পরও তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা থেমে থাকেনি; বরং আরও বিস্তৃত হয়েছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে তাঁকে একাধিক হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও তিনি রাজপথ থেকে সরে দাঁড়াননি। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কৃতিসন্তান মারজিয়া হিরা আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে প্রথম সারির একজন নারী নেতৃত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশার পাশাপাশি তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সামাজিক সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজে নিয়মিত সম্পৃক্ততার কারণে তিনি বরগুনাবাসীর কাছে একটি আস্থাভাজন নাম হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনে তিনি পাথরঘাটা উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ দায়িত্ব পালনকালে তিনি সহকর্মীদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছান। দলীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি মানুষের বাস্তব সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তাঁর এই আন্তরিকতা ও সরাসরি সম্পৃক্ততা স্থানীয় জনগণের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
বরগুনার সাধারণ মানুষের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়; বরং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব গ্রহণের মানসিকতা ও সক্ষমতা। তাঁদের মতে, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী এবং তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই মারজিয়া হিরার রাজনীতির মূল দর্শন। এই কারণেই তাঁকে একজন মানবিক,
দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে দেখা হয়।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য দক্ষ, সৎ এবং তারুণ্যনির্ভর প্রতিনিধির বড় প্রয়োজন। তাঁদের মতে, মারজিয়া হিরার রাজনৈতিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব সংযোগ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলে শুধু সাধারণ মানুষের কল্যাণই নিশ্চিত হবে না, বরং দলগতভাবেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে বরগুনার অবহেলিত জনগোষ্ঠী আরও সচেতন ও সংগঠিত হবে। সমাজে নতুন আশার সঞ্চার ঘটবে এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বরগুনার রাজনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন।
নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে মারজিয়া হিরা বলেন, “আমি বরগুনা ও দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে চাই। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনকে শক্তি হিসেবে নিয়ে জাতীয় সংসদে বরগুনার মানুষের কথা তুলে ধরাই আমার লক্ষ্য।”
-খবর প্রতিদিন/ সি.ব
বরগুনার সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব: মারজিয়া হিরা
বরগুনার সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব: মারজিয়া হিরা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বরগুনা জেলা থেকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে একাধিক নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা, প্রয়াত এক বিএনপি নেতার কন্যা এবং মহিলা দলের একজন সক্রিয় নেত্রী। তবে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে বাস্তব অভিজ্ঞতা, সাহসী ভূমিকা এবং মাঠপর্যায়ের সক্রিয় সম্পৃক্ততার কারণে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মারজিয়া হিরা। মারজিয়া হিরা বর্তমানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-নাট্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসিকতা ও দৃঢ়তা প্রদর্শনের মাধ্যমে তিনি সংগঠনের একজন পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার পরও তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা থেমে থাকেনি; বরং আরও বিস্তৃত হয়েছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে তাঁকে একাধিক হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও তিনি রাজপথ থেকে সরে দাঁড়াননি। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কৃতিসন্তান মারজিয়া হিরা আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে প্রথম সারির একজন নারী নেতৃত্ব হিসেবে
নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশার পাশাপাশি তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সামাজিক সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজে নিয়মিত সম্পৃক্ততার কারণে তিনি বরগুনাবাসীর কাছে একটি আস্থাভাজন নাম হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনে তিনি পাথরঘাটা উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ দায়িত্ব পালনকালে তিনি সহকর্মীদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছান। দলীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি মানুষের বাস্তব সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তাঁর এই আন্তরিকতা ও সরাসরি সম্পৃক্ততা স্থানীয় জনগণের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। বরগুনার সাধারণ মানুষের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়; বরং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব গ্রহণের মানসিকতা ও সক্ষমতা। তাঁদের মতে, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী এবং তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই মারজিয়া হিরার রাজনীতির মূল দর্শন। এই কারণেই তাঁকে একজন
মানবিক, দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে দেখা হয়।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য দক্ষ, সৎ এবং তারুণ্যনির্ভর প্রতিনিধির বড় প্রয়োজন। তাঁদের মতে, মারজিয়া হিরার রাজনৈতিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব সংযোগ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলে শুধু সাধারণ মানুষের কল্যাণই নিশ্চিত হবে না, বরং দলগতভাবেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে বরগুনার অবহেলিত জনগোষ্ঠী আরও সচেতন ও সংগঠিত হবে। সমাজে নতুন আশার সঞ্চার ঘটবে এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বরগুনার রাজনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন। নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে মারজিয়া হিরা বলেন, “আমি বরগুনা ও দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে চাই। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনকে শক্তি হিসেবে নিয়ে জাতীয় সংসদে বরগুনার মানুষের কথা তুলে ধরাই আমার লক্ষ্য।” -খবর প্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত