বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি আগামীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হবে, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় “রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখা ৩১ দফা” বিষয়ে আয়োজিত মেধাবৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে খন্দকার শামসুল আলম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, এবং ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
তারেক রহমান বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষকদের এমন সাপোর্ট দেওয়া হবে যাতে তারা পাঠদানে পুরো মনোযোগ দিতে পারেন। ভবিষ্যতে মেধাবীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং শিক্ষকদের মর্যাদা ও প্রণোদনা বাড়ানো হবে।
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৫ বছরে প্রচুর অর্থবিত্ত পাচার হয়েছে। পানির অপর নাম জীবন— তাই খালগুলো পুনঃখনন ও পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে যে খাল খনন কর্মসূচি নিয়েছিলেন, তা পুনরায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে পানির সংকট ও আর্সেনিক সমস্যা সমাধান করা হবে।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, মেধাবীদের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আগামীর নেতৃত্ব। তরুণ প্রজন্ম যেন ভাষা শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সে জন্য স্কুল থেকেই দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম চালু করা হবে। কোনো মেধাবী যেন ঝরে না পড়ে, সে লক্ষ্যেই শিক্ষাব্যবস্থায় যুগান্তকারী সংস্কার আনা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীরা সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারেক রহমানকে প্রশ্ন করে, যার উত্তরও তিনি নিজে দেন।
উল্লেখ্য, তারেক রহমান ঘোষিত “রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখা ৩১ দফা” বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট সারা দেশের ১০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন পরীক্ষার ফল প্রকাশের পাশাপাশি ৬০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।
এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার ২৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় ১৫ হাজার, তৃতীয় ১০ হাজার এবং চতুর্থ পুরস্কার ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এছাড়া প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত তিনটি স্কুলকে এক লাখ টাকা করে মোট তিন লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে খন্দকার শামসুল আলম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, এবং ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
তারেক রহমান বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষকদের এমন সাপোর্ট দেওয়া হবে যাতে তারা পাঠদানে পুরো মনোযোগ দিতে পারেন। ভবিষ্যতে মেধাবীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং শিক্ষকদের মর্যাদা ও প্রণোদনা বাড়ানো হবে।
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৫ বছরে প্রচুর অর্থবিত্ত পাচার হয়েছে। পানির অপর নাম জীবন— তাই খালগুলো পুনঃখনন ও পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে যে খাল খনন কর্মসূচি নিয়েছিলেন, তা পুনরায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে পানির সংকট ও আর্সেনিক সমস্যা সমাধান করা হবে।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও বলেন, মেধাবীদের মধ্যেই লুকিয়ে আছে আগামীর নেতৃত্ব। তরুণ প্রজন্ম যেন ভাষা শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সে জন্য স্কুল থেকেই দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম চালু করা হবে। কোনো মেধাবী যেন ঝরে না পড়ে, সে লক্ষ্যেই শিক্ষাব্যবস্থায় যুগান্তকারী সংস্কার আনা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীরা সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারেক রহমানকে প্রশ্ন করে, যার উত্তরও তিনি নিজে দেন।
উল্লেখ্য, তারেক রহমান ঘোষিত “রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখা ৩১ দফা” বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট সারা দেশের ১০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন পরীক্ষার ফল প্রকাশের পাশাপাশি ৬০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।
এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার ২৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় ১৫ হাজার, তৃতীয় ১০ হাজার এবং চতুর্থ পুরস্কার ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এছাড়া প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত তিনটি স্কুলকে এক লাখ টাকা করে মোট তিন লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব