বাউফলে হোসেন ফকির ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে লুট পাট ও ভাঙচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।পটুয়াখালী বাউফল উপজেলার দুই নং কালিশুরী ইউনিয়নের সিংহেরা কাঠি গ্রামের বাসিন্দা মৃত্যু মৌজালী হাওলাদারের ছেলে মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বলেন,আওয়ামী লীগ থাকাকালীন আমার বসতবাড়ি উপর দিয়ে রাস্তা নেওয়ার অনেক পায়তারা করেছেন কিন্তু আমি রাস্তা দিতে রাজি না হওয়ায়।
আমার উপরে মিথ্যা মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়েছেন।এই সন্ত্রাসী হোসেন বাহিনী গ্রুপের লোকজন।
মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার আরো বলেন,২৫/৮/২০২৫/তারিখ আনুমানিক। ৬/৩০/মিনিটের সময় সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের বাহিনীর দ্বারা আমার বসতবাড়ি ইটের পাকা দেওয়াল ও পিলার ভেঙ্গে ফেলে দিয়ে আমার গাছপালা কেটে ফেলে ব্যাপক ধ্বংসযোগ্য চালায় এই সন্ত্রাস হোসেন বাহিনীর লোকজন।
এই সন্ত্রাসী হোসেনের বিরুদ্ধে এলাকায় রয়েছে অসহায় মানুষের টাকা পয়সা আত্মসাৎ করার বিস্তর অভিযোগ। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে হাত মিলিয়ে অনেক চাঁদাবাজি করেছে এই সন্ত্রাসী হোসেন বাহিনী গ্রুপ।
এই সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের বিরুদ্ধে আছে নারী কেলেঙ্কারি সহ নানা অভিযোগ।এলাকার মানুষ ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খোলে না।কথা বলতে গেলে তাদেরকে বলে আমি বিএনপি করি।
তার পরিচয় হলো তিনি উপজেলার সিংহেরা কাঠি গ্রামের মৃত আকুবালি ফকিরের ছেলে এই হোসেন ফকির।
তার সম্পর্কে জানতে চাইলে অনেকেই বলেন, আমাদের কথা শুনতে পারলে সন্ত্রাস হোসেন বাহিনী গ্রুপেরা তাহলে আমাদের সমস্যা করবে।
মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বলেন আমি বাউফল থানায় হাজির হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।
সিংহেরা কাঠির গ্রামের স্থানীয়রা বলেন সন্ত্রাস হোসেন ফকিরের নেতৃত্বে নেশা দ্রব্য মাদক বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে ।
জানা যায় এই সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের এলাকায় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে।তারা হলেন মন্টু ( ২৪ ) পিতা খোরশেদ মোল্লা
জামাল (৩৪) পিতা মালেক মোল্লা বাবু (২৩) পিতা আজহার মোল্লা. সাইদুল (৩১) মৃত্যু নুরু মোল্লাসহ আরো অনেকে। কথিত আছে এরা সকলেই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ।
এই সন্ত্রাসী হোসেন ফকির দাড়ি টুপি লেবাসধারী। ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে মানুষের কাছ থেকে মসজিদের নাম ভাঙ্গিয়ে অনেক টাকা চাঁদাবাজি করার অভিযোগ আছে।
৩০/৮/২০২৫/তারিখ সকাল /১১/ দিকে এই সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের বাহিনী নিয়ে আবার পুরনায় হামলা করার জন্য ঘটনাস্থানে গিয়ে মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার কে খোঁজাখুঁজি করেন আর বলেন তোকে আজকে যে জায়গায় পাব সে জায়গায় মেরে ফেলবো।
শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বলেন আমি বিষয়টি বাউফল থানার ওসিকে জানিয়েছি। শাহাবুদ্দিন হাওলাদার আরো বলেন আমি সব সময় ভয়ে আছি কখন যেন আমাকে মেরে ফেলে সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের বাহিনীরা।
শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বলেন আমি বাউফল থানায় হাজির হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছি আমার মামলা নং জিআর (৪৮) ।
আমাকে ওরা খোঁজাখুঁজি করেন মারার জন্য ।এই সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের বাহিনী ও হোসেন ফকির নিজে।গণমাধ্যমের একটি টিম ঘটনায়স্থানে গিয়ে ভাঙচুরের সত্যতা ও প্রমাণ পান।
বিষয়টি নিয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি
আক্তারুল জামান সরকারবলেন, বিষয়টি জানার জন্য ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠিয়ে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ পাওয়া গেছে পরে
একটি এজহার হিসেবে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে ।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
আমার উপরে মিথ্যা মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়েছেন।এই সন্ত্রাসী হোসেন বাহিনী গ্রুপের লোকজন।
মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার আরো বলেন,২৫/৮/২০২৫/তারিখ আনুমানিক। ৬/৩০/মিনিটের সময় সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের বাহিনীর দ্বারা আমার বসতবাড়ি ইটের পাকা দেওয়াল ও পিলার ভেঙ্গে ফেলে দিয়ে আমার গাছপালা কেটে ফেলে ব্যাপক ধ্বংসযোগ্য চালায় এই সন্ত্রাস হোসেন বাহিনীর লোকজন।
এই সন্ত্রাসী হোসেনের বিরুদ্ধে এলাকায় রয়েছে অসহায় মানুষের টাকা পয়সা আত্মসাৎ করার বিস্তর অভিযোগ। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে হাত মিলিয়ে অনেক চাঁদাবাজি করেছে এই সন্ত্রাসী হোসেন বাহিনী গ্রুপ।
এই সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের বিরুদ্ধে আছে নারী কেলেঙ্কারি সহ নানা অভিযোগ।এলাকার মানুষ ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খোলে না।কথা বলতে গেলে তাদেরকে বলে আমি বিএনপি করি।
তার পরিচয় হলো তিনি উপজেলার সিংহেরা কাঠি গ্রামের মৃত আকুবালি ফকিরের ছেলে এই হোসেন ফকির।
তার সম্পর্কে জানতে চাইলে অনেকেই বলেন, আমাদের কথা শুনতে পারলে সন্ত্রাস হোসেন বাহিনী গ্রুপেরা তাহলে আমাদের সমস্যা করবে।
মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বলেন আমি বাউফল থানায় হাজির হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।
সিংহেরা কাঠির গ্রামের স্থানীয়রা বলেন সন্ত্রাস হোসেন ফকিরের নেতৃত্বে নেশা দ্রব্য মাদক বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে ।
জানা যায় এই সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের এলাকায় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে।তারা হলেন মন্টু ( ২৪ ) পিতা খোরশেদ মোল্লা
জামাল (৩৪) পিতা মালেক মোল্লা বাবু (২৩) পিতা আজহার মোল্লা. সাইদুল (৩১) মৃত্যু নুরু মোল্লাসহ আরো অনেকে। কথিত আছে এরা সকলেই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ।
এই সন্ত্রাসী হোসেন ফকির দাড়ি টুপি লেবাসধারী। ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে মানুষের কাছ থেকে মসজিদের নাম ভাঙ্গিয়ে অনেক টাকা চাঁদাবাজি করার অভিযোগ আছে।
৩০/৮/২০২৫/তারিখ সকাল /১১/ দিকে এই সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের বাহিনী নিয়ে আবার পুরনায় হামলা করার জন্য ঘটনাস্থানে গিয়ে মোঃ শাহাবুদ্দিন হাওলাদার কে খোঁজাখুঁজি করেন আর বলেন তোকে আজকে যে জায়গায় পাব সে জায়গায় মেরে ফেলবো।
শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বলেন আমি বিষয়টি বাউফল থানার ওসিকে জানিয়েছি। শাহাবুদ্দিন হাওলাদার আরো বলেন আমি সব সময় ভয়ে আছি কখন যেন আমাকে মেরে ফেলে সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের বাহিনীরা।
শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বলেন আমি বাউফল থানায় হাজির হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছি আমার মামলা নং জিআর (৪৮) ।
আমাকে ওরা খোঁজাখুঁজি করেন মারার জন্য ।এই সন্ত্রাসী হোসেন ফকিরের বাহিনী ও হোসেন ফকির নিজে।গণমাধ্যমের একটি টিম ঘটনায়স্থানে গিয়ে ভাঙচুরের সত্যতা ও প্রমাণ পান।
বিষয়টি নিয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি
আক্তারুল জামান সরকারবলেন, বিষয়টি জানার জন্য ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠিয়ে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ পাওয়া গেছে পরে
একটি এজহার হিসেবে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে ।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব