বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের ৫ম কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নতুন ফোন কেনার সময় যে দরকারি ফিচারগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায় ১৩ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৮১ পৈত্রিক সম্পত্তির ‘সবুজ বাংলা মৎস্য খামারে’ চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ব্যবসায়ী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য খুলনায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: প্রথম রাতেই গ্রেপ্তার ৭ আলোচিত ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, আদালতে আনা হয়েছে আসামিদের নীতিমালা আসছে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোর জন্য: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
সারাবাংলা বাংলাদেশ হিজবুল্লাহ জামিয়াতুল ঐক্যকামী সংগঠন ‘মুছলিহীন’-এর ২৯ তম বছরপূর্তি
logo

বাংলাদেশ হিজবুল্লাহ জামিয়াতুল ঐক্যকামী সংগঠন ‘মুছলিহীন’-এর ২৯ তম বছরপূর্তি

‘বাংলাদেশ হিযবুল্লাহ জমিয়াতুল মুছলিহীন’ ২৯তম বছর পূর্ণ করে ৩০তম বছরে পদার্পণ করেছে। আলহামদুলিল্লাহ!

ঐক্যকামী এ সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন, যুগশ্রেষ্ঠ দার্শনিক, মুজাদ্দেদে মিল্লাত, ইমামুত তরীক্বত, হযরত আল্লামা মুহম্মদ আযীযুর রহমান নেছারাবাদী কায়েদ ছাহেব হুজুর কেবলা রহ. ছিলেন জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের শ্রদ্ধাভাজন এবং শতধাবিভক্ত বিশ্বমুসলিম ঐক্যের যুগান্তকারী দর্শন ‘আল-ইত্তেহাদ মায়াল ইখতেলাফ’ তথা ‘মতানৈক্যসহ ঐক্য’ নীতির সফল প্রবর্তক।

হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ. ক্ষুদ্র ও বৃহৎ ৪২টি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন—‘নেছারাবাদ কমপ্লেক্স ঝালকাঠি’। যার অন্যতম একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হল—‘বাংলাদেশ হিযবুল্লাহ জমিয়াতুল মুছলিহীন।’

ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এক্বামতে দ্বীন ও তাবলীগে দ্বীনের দায়িত্ব পালনের জন্য পরিচালিত ‘কলেমাগো মুসলমান-এক হও!’ স্লোগানে সমগ্র বিচ্ছিন্ন প্রচেষ্টাকে এক লক্ষাভিসারী করার মানসে ইসলামে বিশ্বাসী সকল মত ও পথের অনুসারী।

রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক আন্দোলন পরিচালনাকারী সংস্থাসমূহ এবং সকল ওলামা-মাশায়েখ, ইসলামপন্থি ও দেশপ্রেমিক নেতৃবৃন্দকে ‘ইত্তেহাদ মায়াল ইখতেলাফ’ তথা ‘মতানৈক্যসহ ঐক্য’ নীতির আলোকে নিজ-নিজ স্বকীয়তা বজায় রেখে ফের্কায়ী ও দলীয় চেতনার ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে দ্বীনী খেদমত আঞ্জাম দেয়ার জন্য ১৯৯৭ সালের ৩রা জানুয়ারি হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ. প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।

‘বাংলাদেশ হিযবুল্লাহ জমিয়াতুল মুছলিহীন’ নামক মদীনার নবুওয়াতী রাজনীতির অনুসারী এই দ্বীনী সংগঠনটি।

এটি দেশময় ‘মুছলিহীন’ নামেই ব্যাপক পরিচিত। এ এক অভূতপূর্ব সংগঠন। যার যার অবস্থান থেকেই দেশ-জাতি ও উম্মাহর কল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার একটি প্লাটফর্ম। আজ দিকে-দিকে হুজুরের ঐক্যের আহবানে সাড়া দিয়ে দলীয় রাজনীতিমুক্ত এ সংগঠনে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন নানান পথ ও মতের মানুষ।

ঐক্যকামী এ সংগঠনটির মাননীয় আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন—হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ. একমাত্র সুযোগ্য ছাহেবজাদা, জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদরাসার স্বনামধন্য সাবেক অধ্যক্ষ, মুর্শিদে বরহক, শায়খুনা হযরত মাওলানা মুহম্মদ খলীলুর রহমান নেছারাবাদী হুজুর মাদ্দাযিল্লাহুল আলী।

হযরত নেছারাবাদী হুজুর মুছলিহীনের ঐক্যের দাওয়াত দিতে গিয়ে স্বেচ্ছায় ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ পদ ছেড়ে দিয়েছেন। 

অধ্যক্ষের অর্ধলক্ষাধিক টাকার স্কেল পায়ে ফেলে দিয়ে মুছলিহীনের ঐক্যের মিশন নিয়ে দ্বারে-দ্বারে ঘুরছেন আর সর্বস্তরের জনগণের কাছে মুছলিহীনের ঐক্যের দাওয়াত দিচ্ছেন।

সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল (মহাসচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন—হযরত মাওলানা মুহাম্মদ মাছুম বিল্লাহ আযীযাবাদী হুজুর। 

যিনি দীর্ঘদিন হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ. নেক ছোহবত লাভে ধন্য হয়ে মুছলিহীনের খেদমতকেই জীবনের লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করে তাঁর গোটা জীবনটাকে মুছলিহীনের জন্য উৎসর্গিত করে দিয়েছেন।

এছাড়া হিযবুল্লাহ জমিয়াতুল মুছলিহীনের কার্যক্রমকে দেশ ও বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে কাজ করছেন একদল একনিষ্ঠ কর্মী; তারা হলেন—মুবাল্লেগবৃন্দ।

মুছলিহীন’র রয়েছে কয়েকটি অঙ্গসংগঠন—
০১. বাংলাদেশ যুব মুছলিহীন
০২. বাংলাদেশ তোলাবায়ে মুছলিহীন (মাদরাসার ছাত্রদের জন্য)
০৩. বাংলাদেশ ছাত্র মুছলিহীন (স্কুল-কলেজের ছাত্রদের জন্য)
০৪. বাংলাদেশ মুয়াবিন মুছলিহীন
০৫. বাংলাদেশ আঞ্জুমানে খাওয়াতীন (মহিলাদের জন্য)
০৬. বাংলাদেশ ওলামা মুছলিহীন

আমীরুল মুছলিহীন হযরত নেছারাবাদী হুজুরের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও দিন-রাতের নিরবচ্ছিন্ন কর্ম প্রচেষ্টায় এবং সেক্রেটারি জেনারেল মহোদয়সহ মুবাল্লেগবৃন্দের আন্তরিক কর্ম-তৎপরতায় মুছলিহীন আজ টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে।

দল-মত-ছেলছেলা নির্বিশেষে সকলের সমন্বয়ে দেশের সকল জেলা ও মহানগরসহ অধিকাংশ উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন হয়ে ওয়ার্ড পর্যন্ত মুছলিহীন কমিটি গঠিত হচ্ছে।

দেশের শীর্ষস্থানীয় পীর-মাশায়েখ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আলেম-ওলামাসহ মেম্বার, চেয়ারম্যান, মেয়র, এমপি ও মন্ত্রীগণ পর্যন্ত মুছলিহীনের কার্যক্রম সমর্থন করছেন। 

অনেকে কমিটির দায়িত্বশীল হিসেবে কাজও করছেন। মুছলিহীনের বর্তমান স্রোতধারা অব্যাহত থাকলে, অচিরেই সংগঠনটি মুসলমানদের আশার আলোয় পরিণত হবে ইনশা-আল্লাহ!

আল্লাহপাক ঐক্যকামী এ সংগঠনটিকে কবুল করতঃ অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে দুনিয়া ও আখেরাতে জাযায়ে খায়র নছীব করেন। আমীন!

খুঁজুন