বাগেরহাটে দীর্ঘ ২৪ বছর পর জননিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম।
আজ মঙ্গলবার ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর সবুর এর আদালতে হাজির হয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জানান। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে মামলা থেকে সেলিমসহ ১৩ জনকে অব্যাহতি প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে রেলরোডস্থ আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিমসহ ৩০-৩৫ জনের নামে নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে একটি চার্জশিট দাখিল করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলাটির এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ জন আসামি ছিলেন। ২০০১ সালের জননিরাপত্তা আইনের মামলাটি দীর্ঘদিন আদালতে স্থগিত অবস্থায় ছিল। অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত ১ আজ পূর্ণাঙ্গ শুনানি শেষে এই মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেয়। দীর্ঘদিন পর এই মামলা থেকে আদালত অব্যাহতি দেওয়ায় ন্যায় বিচার পেয়েছেন বলে জানান এই আইনজীবী।
এম এ এইচ সেলিম বলেন, দীর্ঘদিন মামলাটি স্থগিত অবস্থায় ছিল। তারপর নিরপেক্ষ সরকার আসার পর বিজ্ঞ আদালত মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া ও আয়না ঘরে নেওয়ার হুমকির কারণে আমি জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলাম। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি আবারও নির্বাচন করব।
এমএএইচ সেলিম ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এছাড়া ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম ২৪ বছর পর মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন
বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম ২৪ বছর পর মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন
বাগেরহাটে দীর্ঘ ২৪ বছর পর জননিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম।আজ মঙ্গলবার ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর সবুর এর আদালতে হাজির হয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জানান। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে মামলা থেকে সেলিমসহ ১৩ জনকে অব্যাহতি প্রদান করেন।আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে রেলরোডস্থ আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সাবেক এমপি এম এ
এইচ সেলিমসহ ৩০-৩৫ জনের নামে নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে একটি চার্জশিট দাখিল করেন।আসামিপক্ষের আইনজীবী শহিদুল ইসলাম বলেন, মামলাটির এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ জন আসামি ছিলেন। ২০০১ সালের জননিরাপত্তা আইনের মামলাটি দীর্ঘদিন আদালতে স্থগিত অবস্থায় ছিল। অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত ১ আজ পূর্ণাঙ্গ শুনানি শেষে এই মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেয়। দীর্ঘদিন পর এই মামলা থেকে আদালত অব্যাহতি দেওয়ায় ন্যায় বিচার পেয়েছেন বলে জানান এই আইনজীবী।এম এ এইচ
সেলিম বলেন, দীর্ঘদিন মামলাটি স্থগিত অবস্থায় ছিল। তারপর নিরপেক্ষ সরকার আসার পর বিজ্ঞ আদালত মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া ও আয়না ঘরে নেওয়ার হুমকির কারণে আমি জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলাম। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি আবারও নির্বাচন করব।এমএএইচ সেলিম ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এছাড়া ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত