বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার কৈগর্দ্দাশকাটি গ্রামের ৪৫টি বাড়িঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। গ্রাম প্রতিরক্ষা বাঁধের বাইরে থাকা এই গ্রামটির চর এলাকার এসব বাড়িঘর এখন দিনরাত দুইবার জোয়ারের প্লাবিত হওয়ায় জনদূর্ভোগে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। এতে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
সরেজমিনে দেখাগেছে, রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের দূর্গম চরাঞ্চল কৈগর্দাসকাটি গ্রামে শতাধিক পরিবার বসবাস করে আসছেন। সরকারি চরভরাটি খাস জমিতে তারা বিভিন্ন স্থান থেকে এসে বসবাস করছেন। এরমধ্যে ৫৪ টি পরিবারের বাড়িঘরের গ্রাম নিরাপত্তা বেষ্টনী বা বাঁধের বাইরে থাকায় অমাবস্যা ও পূর্ণিমার গোনের সময় অতিরিক্ত জোয়ারে ২৪ ঘন্টায় দুইবার করে বাড়িঘর তলিয়ে যাচ্ছে।
এতে ধান চাষ, মাছ চাষ, গবাদিপশু পালন, রান্না করা ও বসবাস করা দূরহ হয়ে পড়েছে। শিশুদের লেখাপড়া ও স্কুলে যাতায়াতে দারুর অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। চুলাতে পানি উঠে যাওয়ায় রান্না বন্ধ হয়ে খেয়ে নাখেয়ে দিন পার করছে এসব পরিবারের সদস্যরা। প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে জোয়ারের পানিতে ডুবে যাওয়ায় ফসলের মাঠ তলিয়ে আমন ধানের চারার ক্ষতি হচ্ছে।
সুপেয় পানির কোন ব্যাবস্থা না থাকায় ৪ কিলোমিটার দূর থেকে পায়ে হেঁটে খাবার ও রান্নার পানি আনতে হচ্ছে। কাছাকাছি কোন টিউবওয়েল বা পানি সরবরাহের ব্যাবস্থা না থাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাদের জীবনযাপন করতে হচ্ছে।
চারদিতে অথৈই পানিতে তলিয়ে থাকায় শিশুদের স্কলে যাওয়া প্রায় বন্ধ হয়েগেছে। চলাচলের একমাত্র রাস্তাটিও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
দিনের পর দিন এই গ্রামে শতাধিক পরিবার বসবাস করে আসছেন। এমন পরিস্থিতিতে কিছু শুকনো খাবার খেয়ে তাদের দিন কাটছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
বাগেরহাটের রামপালে কৈগর্দ্দাসকাটি গ্রামে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত ৪৫ বাড়িঘর. জনদুর্ভগ চরমে
বাগেরহাটের রামপালে কৈগর্দ্দাসকাটি গ্রামে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত ৪৫ বাড়িঘর. জনদুর্ভগ চরমে
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার কৈগর্দ্দাশকাটি গ্রামের ৪৫টি বাড়িঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। গ্রাম প্রতিরক্ষা বাঁধের বাইরে থাকা এই গ্রামটির চর এলাকার এসব বাড়িঘর এখন দিনরাত দুইবার জোয়ারের প্লাবিত হওয়ায় জনদূর্ভোগে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। এতে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।সরেজমিনে দেখাগেছে, রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের দূর্গম চরাঞ্চল কৈগর্দাসকাটি গ্রামে শতাধিক পরিবার বসবাস করে আসছেন। সরকারি চরভরাটি খাস জমিতে তারা বিভিন্ন স্থান থেকে এসে বসবাস করছেন। এরমধ্যে ৫৪ টি পরিবারের বাড়িঘরের গ্রাম নিরাপত্তা বেষ্টনী বা বাঁধের
বাইরে থাকায় অমাবস্যা ও পূর্ণিমার গোনের সময় অতিরিক্ত জোয়ারে ২৪ ঘন্টায় দুইবার করে বাড়িঘর তলিয়ে যাচ্ছে।এতে ধান চাষ, মাছ চাষ, গবাদিপশু পালন, রান্না করা ও বসবাস করা দূরহ হয়ে পড়েছে। শিশুদের লেখাপড়া ও স্কুলে যাতায়াতে দারুর অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। চুলাতে পানি উঠে যাওয়ায় রান্না বন্ধ হয়ে খেয়ে নাখেয়ে দিন পার করছে এসব পরিবারের সদস্যরা। প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে জোয়ারের পানিতে ডুবে যাওয়ায় ফসলের মাঠ তলিয়ে আমন ধানের চারার ক্ষতি হচ্ছে।সুপেয় পানির কোন
ব্যাবস্থা না থাকায় ৪ কিলোমিটার দূর থেকে পায়ে হেঁটে খাবার ও রান্নার পানি আনতে হচ্ছে। কাছাকাছি কোন টিউবওয়েল বা পানি সরবরাহের ব্যাবস্থা না থাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাদের জীবনযাপন করতে হচ্ছে।চারদিতে অথৈই পানিতে তলিয়ে থাকায় শিশুদের স্কলে যাওয়া প্রায় বন্ধ হয়েগেছে। চলাচলের একমাত্র রাস্তাটিও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন এই গ্রামে শতাধিক পরিবার বসবাস করে আসছেন। এমন পরিস্থিতিতে কিছু শুকনো খাবার খেয়ে তাদের দিন কাটছে।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত