আশুলিয়া ডি ইপিজেড সংলগ্ন জনসাধারণের সুবিধার্থে ভাদাইল ফ্রেন্ডস ক্লাবের উদ্যোগে যাত্রীছাউনি নির্মাণ করার সময় নির্মিত যাত্রী ছাউনির কাজে বাঁধা প্রদান করার অভিযোগ উঠেছে আশুলিয়া থানা বিএনপির থানা সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ আব্দুল গফুর মিয়ার বিরুদ্ধে।
একাধিক তথ্য সূত্রে অনুযায়ী জানা যায়, সাধারণ মানুষ বলছে,একজন ভালো মনের মানুষের মনে সাধারণ জনগণের জন্য ভালো কিছু চিন্তা ভাবনা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। সাধারণ জনগণের কথা চিন্তা করে পরিবহন যাত্রীদের বসার জন্য ভাদাইলের ইসরাফিল ভাইয়ের এই মহৎ উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়।
(১৬ই নভেম্বর) রবিবার সকালে আশুলিয়া জিইপিজে সংলগ্ন রাস্তার ধারে পতিত জায়গা ময়লা আবর্জনা ভরা জায়গাকে পরিষ্কার করে জনস্বার্থে জনগণের সুবিধার্থে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন, ভাদাইল প্রাইমারি ফ্রেন্ডস ক্লাবের হাজী মোহাম্মদ ইসরাফিল। এমন মহৎ কাজে ইসরাফিলকে কাজে বাঁধা প্রদান করেন আশুলিয়া থানা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ আব্দুল গফুর মিয়া ও তার লোকজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার হাজারো মানুষের প্রতিদিনের চলাচলের সুবিধার্থে দীর্ঘদিন ধরেই একটি স্থায়ী যাত্রী ছাউনির দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয়রা। সম্প্রতি নির্মাণকাজ শুরু হলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে আলহাজ্ব আবদুল গফুর মিয়া কাজটি বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দাবি জানিয়েছেন অবিলম্বে বাধা অপসারণ করে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ কাজ সম্পন্নের মাধ্যমে ভোগান্তি দূর করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলেও জানা গেছে।
যাত্রী ছাউনি নির্মাণের এই উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় সমাজসেবক হাজী মো. ইসরাফিল হোসেন। উদ্যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,প্রতিদিন হাজারো মানুষের চলাচলের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যাত্রী ছাউনি না থাকায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। তাই মানবিক দিক বিবেচনায় আমি নিজ উদ্যোগে কাজটি শুরু করেছি। এটি হলে মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।
কিন্তু মানবিক এই উদ্যোগে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আশুলিয়া থানা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবদুল গফুর মিয়ার নেতাকর্মীদের একটি চক্র যারা আগে এই সড়কে প্রায় পাঁচশ অটোরিকশা থেকে মাসিক তিন হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করত। ফুটপাতেও ছিল তাদের দখলদারি দোকান বসিয়ে চলত নিয়মিত চাঁদা তোলা। ফলে অটোরিকশার এলোমেলো চলাচল আর অসহনীয় যানজট ছিল প্রতিদিনের যন্ত্রণা।
সাধারণ মানুষেরা বলেন,এর আগেও আশুলিয়ার ডিইপিজেড ভাদাইল সড়কে দীর্ঘদিনের যানজট, ফুটপাত দখল, অব্যবস্থাপনা দূরীকরণ এবং নানা মানবিক উদ্যোগে কাজ করে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছেন সমাজসেবক হাজী মো. ইসরাফিল হোসেন।
তারপরও আমরা সকল বাধা অতিক্রম করে তাঁর দৃঢ় মনোবল, আন্তরিকতা এবং জনসেবার প্রতি অঙ্গীকারের ফলে নির্মাণ কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ ভীষণ আনন্দিত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং আমাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। এ সময় উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন মো.জাকির হোসেন,সাধারণ সম্পাদক,ভাদাইল প্রাইমারি ফ্রেন্ডস ক্লাব মো.জহিরুল ইসলাম,বিশিষ্ট সমাজসেবক ও যুবদল নেতা মো.হালিম মাস্টার,সাধারণ সম্পাদক, গণঅধিকার পরিষদ।
এছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে উদ্যোগটির প্রশংসা করেন। হাজী মো.ইসরাফিলের দৃঢ় নেতৃত্ব ও জনহিতকর মনোভাবের ফলেই ডিইপিজেড এলাকায় এই গুরুত্বপূর্ণ যাত্রী ছাউনি নির্মিত হয়েছে, যা প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াতে সুবিধা এনে দেবে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি নেতা হাজী মোহাম্মদ আব্দুল গফুর মিয়ার সাথে তার মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে,একাধিকবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
একাধিক তথ্য সূত্রে অনুযায়ী জানা যায়, সাধারণ মানুষ বলছে,একজন ভালো মনের মানুষের মনে সাধারণ জনগণের জন্য ভালো কিছু চিন্তা ভাবনা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। সাধারণ জনগণের কথা চিন্তা করে পরিবহন যাত্রীদের বসার জন্য ভাদাইলের ইসরাফিল ভাইয়ের এই মহৎ উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়।
(১৬ই নভেম্বর) রবিবার সকালে আশুলিয়া জিইপিজে সংলগ্ন রাস্তার ধারে পতিত জায়গা ময়লা আবর্জনা ভরা জায়গাকে পরিষ্কার করে জনস্বার্থে জনগণের সুবিধার্থে একটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন, ভাদাইল প্রাইমারি ফ্রেন্ডস ক্লাবের হাজী মোহাম্মদ ইসরাফিল। এমন মহৎ কাজে ইসরাফিলকে কাজে বাঁধা প্রদান করেন আশুলিয়া থানা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ আব্দুল গফুর মিয়া ও তার লোকজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার হাজারো মানুষের প্রতিদিনের চলাচলের সুবিধার্থে দীর্ঘদিন ধরেই একটি স্থায়ী যাত্রী ছাউনির দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয়রা। সম্প্রতি নির্মাণকাজ শুরু হলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে আলহাজ্ব আবদুল গফুর মিয়া কাজটি বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দাবি জানিয়েছেন অবিলম্বে বাধা অপসারণ করে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ কাজ সম্পন্নের মাধ্যমে ভোগান্তি দূর করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলেও জানা গেছে।
যাত্রী ছাউনি নির্মাণের এই উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় সমাজসেবক হাজী মো. ইসরাফিল হোসেন। উদ্যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,প্রতিদিন হাজারো মানুষের চলাচলের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যাত্রী ছাউনি না থাকায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। তাই মানবিক দিক বিবেচনায় আমি নিজ উদ্যোগে কাজটি শুরু করেছি। এটি হলে মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।
কিন্তু মানবিক এই উদ্যোগে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আশুলিয়া থানা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবদুল গফুর মিয়ার নেতাকর্মীদের একটি চক্র যারা আগে এই সড়কে প্রায় পাঁচশ অটোরিকশা থেকে মাসিক তিন হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করত। ফুটপাতেও ছিল তাদের দখলদারি দোকান বসিয়ে চলত নিয়মিত চাঁদা তোলা। ফলে অটোরিকশার এলোমেলো চলাচল আর অসহনীয় যানজট ছিল প্রতিদিনের যন্ত্রণা।
সাধারণ মানুষেরা বলেন,এর আগেও আশুলিয়ার ডিইপিজেড ভাদাইল সড়কে দীর্ঘদিনের যানজট, ফুটপাত দখল, অব্যবস্থাপনা দূরীকরণ এবং নানা মানবিক উদ্যোগে কাজ করে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছেন সমাজসেবক হাজী মো. ইসরাফিল হোসেন।
তারপরও আমরা সকল বাধা অতিক্রম করে তাঁর দৃঢ় মনোবল, আন্তরিকতা এবং জনসেবার প্রতি অঙ্গীকারের ফলে নির্মাণ কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ ভীষণ আনন্দিত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং আমাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। এ সময় উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন মো.জাকির হোসেন,সাধারণ সম্পাদক,ভাদাইল প্রাইমারি ফ্রেন্ডস ক্লাব মো.জহিরুল ইসলাম,বিশিষ্ট সমাজসেবক ও যুবদল নেতা মো.হালিম মাস্টার,সাধারণ সম্পাদক, গণঅধিকার পরিষদ।
এছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে উদ্যোগটির প্রশংসা করেন। হাজী মো.ইসরাফিলের দৃঢ় নেতৃত্ব ও জনহিতকর মনোভাবের ফলেই ডিইপিজেড এলাকায় এই গুরুত্বপূর্ণ যাত্রী ছাউনি নির্মিত হয়েছে, যা প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াতে সুবিধা এনে দেবে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি নেতা হাজী মোহাম্মদ আব্দুল গফুর মিয়ার সাথে তার মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে,একাধিকবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব