হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের বিস্তার ঘটেছে, যার ফলে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়,আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুর, নরসিংহপুর, সোনা মিয়া মার্কেট, ইউসুফ মার্কেট, গোরাট, গুমাইল, জামগড়া সরকারি প্রাইমারি স্কুল রোড, মোল্লা বাড়ি, দি-রোজ পোশাক কারখানার পেছনের এলাকা, মীর বাড়ি এবং ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইলসহ বিভিন্ন স্থানে নতুন নির্মিত ভবন ও বাসাবাড়িতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের ছড়াছড়ি রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৈধ সংযোগের জন্য আবেদন করেও দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি অনেক বৈধ সংযোগধারী গ্রাহকও অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করে গ্যাসের অপব্যবহার করছেন।
এ বিষয়ে আশুলিয়া জোনাল বিপণন অফিসের ম্যানেজার প্রকৌশলী আবু ছালেহ মুহাম্মদ খাদেমুদ্দীন জানান, নিয়মিত অভিযান চালিয়ে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। তবে দিনে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও রাতেই পুনরায় সংযোগ দেওয়া হচ্ছে-যা এক ধরনের “চোর-পুলিশ” খেলার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি অভিযান পরিচালনায় সরকারের প্রায় লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হয়। একই স্থানে একাধিকবার-৮ থেকে ১০ বার পর্যন্ত অভিযান চালানো হলেও স্থায়ী সমাধান আসছে না।
এছাড়া গত দুই বছরে হাতে গোনা কয়েকটি মামলা ছাড়া তেমন কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যদিও দুই বছর আগে আশুলিয়া থানায় অর্ধশতাধিক মামলা করা হয়েছিল, এরপর নতুন করে তেমন মামলা হয়নি।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, অবৈধ গ্যাস সংযোগের সঙ্গে জড়িত দালালচক্র ও গ্যাস চোররা বিপুল সম্পদের মালিক হলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি
আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি
হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের বিস্তার ঘটেছে, যার ফলে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়,আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুর, নরসিংহপুর, সোনা মিয়া মার্কেট, ইউসুফ মার্কেট, গোরাট, গুমাইল, জামগড়া সরকারি প্রাইমারি স্কুল রোড, মোল্লা বাড়ি, দি-রোজ পোশাক কারখানার পেছনের এলাকা, মীর বাড়ি এবং ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইলসহ বিভিন্ন স্থানে নতুন নির্মিত ভবন ও বাসাবাড়িতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের ছড়াছড়ি রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বৈধ সংযোগের
জন্য আবেদন করেও দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি অনেক বৈধ সংযোগধারী গ্রাহকও অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করে গ্যাসের অপব্যবহার করছেন। এ বিষয়ে আশুলিয়া জোনাল বিপণন অফিসের ম্যানেজার প্রকৌশলী আবু ছালেহ মুহাম্মদ খাদেমুদ্দীন জানান, নিয়মিত অভিযান চালিয়ে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। তবে দিনে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও রাতেই পুনরায় সংযোগ দেওয়া হচ্ছে-যা এক ধরনের “চোর-পুলিশ” খেলার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি অভিযান পরিচালনায় সরকারের
প্রায় লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হয়। একই স্থানে একাধিকবার-৮ থেকে ১০ বার পর্যন্ত অভিযান চালানো হলেও স্থায়ী সমাধান আসছে না।এছাড়া গত দুই বছরে হাতে গোনা কয়েকটি মামলা ছাড়া তেমন কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যদিও দুই বছর আগে আশুলিয়া থানায় অর্ধশতাধিক মামলা করা হয়েছিল, এরপর নতুন করে তেমন মামলা হয়নি।এদিকে অভিযোগ রয়েছে, অবৈধ গ্যাস সংযোগের সঙ্গে জড়িত দালালচক্র ও গ্যাস চোররা বিপুল সম্পদের মালিক হলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত