ঢাকার আশুলিয়ার ভাদাইল পাবনারটেক রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠ এবং আশপাশের এলাকাটি বর্তমানে কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পোশাক শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর ২০২৫) বিকেলে রূপায়ন আবাসন মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর এ মাঠে মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়মিত ঘটে। বিশেষ করে কর্মজীবী নারী-পুরুষদের ওপরই এসব অপরাধীরা বেশি হামলা চালায়।
এলাকাবাসীরা জানান, এর আগেও পুলিশ ও র্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ও চাঁদাবাজ–ছিনতাইকারীসহ ৫–৬ জন কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়। গত ৫ আগস্ট ২০২৪-এ বড় ধরনের আইনশৃঙ্খলা অভিযান পরিচালিত হলে অনেক অপরাধী ধরা পড়ে। কিন্তু একটি চক্রের প্রভাবে আশুলিয়া থানার চারজন ওসি এবং একজন তদন্ত ওসিকে ক্লোজ বা বদলি করা হয়-এ অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা।
পরবর্তীতে প্রায় ৫ মাস আগে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব নেন আব্দুল হান্নান। তিনি যোগদানের পর গত পাঁচ মাসে প্রায় চার শতাধিক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। তবে অনেকেই গ্রেফতারের পর আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও সক্রিয় ভাবে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে।
ওসি আব্দুল হান্নান বলেন,
“জামগড়া ও ভাদাইল পাবনারটেক রূপায়ন আবাসন এলাকার মাঠে টহল পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। কোনো কিশোর গ্যাং, মাদক সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজের সন্ধান পেলে আমাদের জানালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের অভিযান চলমান আছে-অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, পুলিশের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান দরকার।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর ২০২৫) বিকেলে রূপায়ন আবাসন মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর এ মাঠে মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়মিত ঘটে। বিশেষ করে কর্মজীবী নারী-পুরুষদের ওপরই এসব অপরাধীরা বেশি হামলা চালায়।
এলাকাবাসীরা জানান, এর আগেও পুলিশ ও র্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার ও চাঁদাবাজ–ছিনতাইকারীসহ ৫–৬ জন কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়। গত ৫ আগস্ট ২০২৪-এ বড় ধরনের আইনশৃঙ্খলা অভিযান পরিচালিত হলে অনেক অপরাধী ধরা পড়ে। কিন্তু একটি চক্রের প্রভাবে আশুলিয়া থানার চারজন ওসি এবং একজন তদন্ত ওসিকে ক্লোজ বা বদলি করা হয়-এ অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা।
পরবর্তীতে প্রায় ৫ মাস আগে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব নেন আব্দুল হান্নান। তিনি যোগদানের পর গত পাঁচ মাসে প্রায় চার শতাধিক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। তবে অনেকেই গ্রেফতারের পর আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও সক্রিয় ভাবে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে।
ওসি আব্দুল হান্নান বলেন,
“জামগড়া ও ভাদাইল পাবনারটেক রূপায়ন আবাসন এলাকার মাঠে টহল পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। কোনো কিশোর গ্যাং, মাদক সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজের সন্ধান পেলে আমাদের জানালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের অভিযান চলমান আছে-অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, পুলিশের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান দরকার।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব