ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারের পাশে একটি দোকানে নিষিদ্ধ পশুর মাংস গরুর মাংস বলে ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি করার সময় এক ব্যক্তি ধরা পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভান্ডারী নামে এক ব্যক্তি ৪০০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রি করছিলো। মাংসের গুণগত মান ও রঙে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তাকে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় ওই দোকানদার পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী দোকানে ছিলো, তারা মাংস কিনে এনে বিক্রি করছেন এবং এটি কোন পশুর মাংস তা জানেন না বলে।
ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমান মাংসগুলো জব্দ করে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ঘোড়ার মাংসসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ প্রাণীর মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির ঘটনা মাঝেমধ্যেই ঘটছে। তারা এ ধরনের অপরাধ রোধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
আশুলিয়ার জামগড়ায় নিষিদ্ধ পশুর মাংস ৪০০ টাকা কেজি বিক্রির অভিযোগ
আশুলিয়ার জামগড়ায় নিষিদ্ধ পশুর মাংস ৪০০ টাকা কেজি বিক্রির অভিযোগ
ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারের পাশে একটি দোকানে নিষিদ্ধ পশুর মাংস গরুর মাংস বলে ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি করার সময় এক ব্যক্তি ধরা পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভান্ডারী নামে এক ব্যক্তি ৪০০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রি করছিলো। মাংসের গুণগত মান
ও রঙে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তাকে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় ওই দোকানদার পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী দোকানে ছিলো, তারা মাংস কিনে এনে বিক্রি করছেন এবং এটি কোন পশুর মাংস তা জানেন না বলে। ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে
পৌঁছে। আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমান মাংসগুলো জব্দ করে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ঘোড়ার মাংসসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ প্রাণীর মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির ঘটনা মাঝেমধ্যেই ঘটছে। তারা এ ধরনের অপরাধ রোধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত