ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় ফুটপাত ও পাশের নির্ধারিত জায়গা ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও মেইন সড়ক অবাধে দখল করে রেখেছে বাস, ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, অটোরিকশা এবং বিভিন্ন প্রকার পরিবহন।
পাশাপাশি সরকারি সড়কের ওপর অবৈধভাবে দোকান বসিয়ে চলছে রমরমা ব্যবসা-বাণিজ্য, একাধিকবার এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করলেও রহস্যজনক ভাবে নিরব ভূমিকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর ২০২৫ ইং) বিকেলে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, এলাকার প্রভাবশালীরা উড়াল সড়কের নিচের অংশ দখল করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, অনেকেই জানান, সংশ্লিষ্টরা মোটা অংকের টাকা দিয়ে এস লোকজনদের সাথে শান্তিচুক্তি করায় দখলবাজদের কিছুই বলেন না।
এলাকার কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সড়ক দখল ও অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার সঙ্গে প্রভাবশালী একটি চক্র জড়িত। তাদের কারণে প্রতিদিনই তীব্র যানজট ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ পথচারী ও যাত্রীরা।
সচেতন নাগরিকরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
পাশাপাশি সরকারি সড়কের ওপর অবৈধভাবে দোকান বসিয়ে চলছে রমরমা ব্যবসা-বাণিজ্য, একাধিকবার এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করলেও রহস্যজনক ভাবে নিরব ভূমিকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর ২০২৫ ইং) বিকেলে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, এলাকার প্রভাবশালীরা উড়াল সড়কের নিচের অংশ দখল করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, অনেকেই জানান, সংশ্লিষ্টরা মোটা অংকের টাকা দিয়ে এস লোকজনদের সাথে শান্তিচুক্তি করায় দখলবাজদের কিছুই বলেন না।
এলাকার কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সড়ক দখল ও অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার সঙ্গে প্রভাবশালী একটি চক্র জড়িত। তাদের কারণে প্রতিদিনই তীব্র যানজট ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ পথচারী ও যাত্রীরা।
সচেতন নাগরিকরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব